<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.sunnews24x7.com/feed/crime</id>
                                <link href="https://archive.sunnews24x7.com/feed/crime"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews crime Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest crime News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:37:00 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ডিবির দুই কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হলো যেসব অভিযোগে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/119057" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/119057</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাভারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানের নামে উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ কম দেখিয়ে মামলা, সাধারন মানুষকে জোর করে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়সহ প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দিয়ে প্রায় ৩৮ লাখ আদায়ের অভিযোগে উঠায় দুই কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম। এর আগে সকালে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে তাদেরকে ক্লোজ করা হয়েছে।

ক্লোজ হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন, ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মেহেদী।

ডিবি পুলিশ ও বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত দুই মাস ধরে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মেহেদীর নের্তৃত্বে পরিচালিত দলটির বিরুদ্ধে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানের নামে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক ব্যক্তিদের মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া, উদ্ধার করা মাদকের পরিমাণ কম দেখিয়ে মামলা দেওয়া এবং সাধারন মানুষকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর মতো গুরুতর অপকর্মের মাধ্যমে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, কোথাও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বা গাঁজা উদ্ধারের পর অর্থের বিনিময়ে আসামিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও উদ্ধার করা মাদকের তুলনায় মামলায় কম পরিমাণ দেখানো হয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তির কাছে মাদক না পাওয়া সত্ত্বেও মাদক দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তির দাবি উঠেছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর মডেল হাইস্কুলের পেছনে এক নারীকে আটকের অভিযোগ ওঠে এসআই মতিউর ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে। ওই নারীর দাবি, নিশ্চিন্তপুরের বুড়িপাড়া এলাকায় একটি ঝালমুড়ির দোকানের সামনে থেকে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে রিকশায় তুলে নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ডে নেওয়া হয়। পরে ডিবির একটি মাইক্রোবাসে তুলে তাঁর হাতে জোর করে হেরোইন দিয়ে ছবি তোলা হয়।

ওই নারীর ভাষ্য, তিনি হেরোইন হাত থেকে ফেলে দিলে এক নারী কনস্টেবল তাঁকে মারধর করেন। পরে হেরোইন দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ ও মারধরের একপর্যায়ে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার পর তাঁকে সাভার বাসস্ট্যান্ডে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া টাকা নেওয়ার পর তাঁকে আগামী তিন বছর নির্বিঘে&oelig; মাদক ব্যবসা চালানোর সুযোগ দেওয়ার আশ্বাসের পাশাপাশি ঘটনার দিন থেকে অন্তত তিন দিন ওই নারীকে এলাকার বাইরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলের এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাঁর সামনে থেকেই ওই নারীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তিনি ওই নারীর কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার করতে দেখেননি। ওই নারী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না, তিনি তা জানেন না বলে জানান।

গত ৩০ আগস্ট আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকা থেকে জাফর ও নাছিমা নামে দুজনকে এক হাজার পিস ইয়াবা ও চার কেজি গাঁজাসহ আটকের অভিযোগ রয়েছে ডিবির ওই দলের বিরুদ্ধে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, নাছিমাকে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ডিবি কার্যালয়ের কাছাকাছি সুমন নামের এক ব্যক্তির বিকাশের দোকানের মাধ্যমে ওই টাকা আদায় করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি নাছিমা ময়মনসিংহে ২০০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন বলেও সূত্রটি দাবি করেছে।

অন্যদিকে, জাফরের কাছ থেকে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে চার কেজি গাঁজার পরিবর্তে মাত্র আধা কেজি গাঁজা উদ্ধারের মামলা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের দাবি, এর মধ্যে চার লাখ টাকা হেমায়েতপুরের ব্র্যাক ব্যাংকের একটি এটিএম বুথ থেকে তোলা হয়। বাকি ৫৫ হাজার টাকা জাফরের স্ত্রীর বিকাশ নম্বর থেকে সুমনের দোকানের বিকাশ নম্বরে পাঠানো হয়। এর আগেও আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার শমসের প্লাজার সামনে থেকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ জাফরকে আটকের পর সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সাভারের আমিনবাজার, কাউন্দিয়া ও মজিদপুর এলাকাতেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর আমিনবাজারের বরদেশী এলাকা থেকে &lsquo;হাতকাটা&rsquo; নামে পরিচিত এক ব্যক্তিকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটকের পর ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে মাত্র ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে গত ৭ আগস্ট আমিনবাজার এলাকায় জাহি ও তাঁর ছেলে আগুনকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটকের পরে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ১০ ও ৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলা দেওয়া হয়। স্থানীয় এক হোটেল মালিক ও এক মেম্বারের মধ্যস্থতায় অর্থের লেনদেন মীমাংসা করা হয়। এ ছাড়া গত ৮ সেপ্টেম্বর আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় পুলিশ সদস্য হত্যার দুই দিন পর কাউন্দিয়া এলাকায় সোর্স সোহেলের মাধ্যমে এক মাদক কারবারির বাবা ও মাকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আটকের পর ৩ লাখ ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

গত ৪ আগস্ট সাভারের মজিদপুরে জাহাঙ্গীর ও তাঁর ভাইকে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটকের পর ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে এসআই মতিউর ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে।

আশুলিয়ার শ্রীপুরের সুবন্ধী এলাকায় সুলতান নামের এক মাদক কারবারির স্ত্রী ও ছেলেকে ২৫ গ্রাম হেরোইনসহ আটকের পর দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। একইভাবে ভাদাইল এলাকায় সুজনকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটকের পর পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ সময় সুজনের সঙ্গে আটক নাজমুল ও আনোয়ারকেও অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

সাভারের বলিয়য়পুর এলাকাতেও এক যুবককে ৯০ পিস ইয়াবা দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে এসআই মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। ওই যুবকের পরিবারের দাবি, এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের ছেলের এক বন্ধুর সম্পর্ক ছিল। পরে ওই বন্ধু নারীকে নিয়ে চলে গেলে তাঁদের খুঁজে না পেয়ে ওই যুবককে আটক করে তাঁর কাছে ৯০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।

পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ওই যুবককে আটকের সময় ঘটনাস্থলে অনেক লোক জড়ো হয়েছিলেন কিন্তু তখন তাঁর কাছে কোনো ইয়াবা বা অন্য মাদক দেখা যায়নি। পরে তাঁর বিরুদ্ধে ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগ আনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবারটি। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর কাছ থেকে ডিবির দলটি আর্থিক সুবিধা নিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে পাওয়া অভিযোগগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এএসআই মেহেদী ঢাকা জেলা উত্তর ডিবিতে টানা প্রায় চার বছর ধরে কর্মরত। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুবাদে এলাকায় তাঁর শক্তিশালী সোর্স নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এবং ওই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের আটক এবং পরে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

ডিবি পুলিশের এক সদস্য নাম শ্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন, এসআই মতিউর ও এএসআই মেহেদীর কর্মকান্ড নিয়ে বাহিনীর ভেতরেও অসন্তোষ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, তাঁরা কখনো কখনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে অভিযানে বের হন। কোনো অভিযোগ উঠলে আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের &lsquo;ম্যানেজ&rsquo; করার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবির এসআই মতিউর রহমান বলেন, এগুলো তো মিথ্যা মামলা। মাদক বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তাঁর জানা আছে এবং তিনি নিজেই তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া এসআই মতিউর রহমান ও এএসআই মেহেদীকে ক্লোজ করার বিষয়টিও নিশ্চিত করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:37:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে নারীর ৪ টুকরো মরদেহ উদ্ধার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118724" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শিরিন বেগম (৩৫) নামে এক মহিলার ৪ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী দুলালকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১১ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে খণ্ডিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এ কে এম মইনুদ্দিন জানান, রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর &lsquo;৯৯৯&rsquo;-এ ফোন পেয়ে মীর হাজিরবাগের বাসাটিতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ঘরের ভেতর শিরিন বেগমের ৪ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই ঘাতক স্বামী দুলালকে আটক করে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে পরকীয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এই কলহের জের ধরেই রাতের কোনো এক সময়ে দুলাল এই ঘটনা ঘটান।

নিহত শিরিন বেগম পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার বিখাখালি গ্রামের প্রয়াত সোহরাব আলীর মেয়ে। তাদের পরিবারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে চট্টগ্রামে এবং মেয়ে গাজীপুরে থাকে। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 08:17:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে বোন ও বোনজামাইয়ের হাতে ভাই খুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118556" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118556</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর শাহজাহানপুরে জমিজমা ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে বড় বোন ও বোনজামাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হয়েছেন। নিহতের নাম ফখরুল হাসান ফরহাদ (৪৪)। এই ঘটনায় নিহতের বড় বোন নুর আফসানা নিপা ও তার স্বামী আবদুস সামাদ সুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাতে উত্তর শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদ গলির ৪৭৬/বি নম্বর বাড়ির ছাদের সেমিপাকা বাসা থেকে ফখরুল হাসান ফরহাদের মরদেহ উদ্ধার করে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। এরপর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে নিহত ফরহাদের ছোট বোন নার্গিস সুলতানা জানান, ওই বাড়িটির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা তার বড় বোনের। আর চতুর্থ তলা তার নিজের। ছাদে সেমিপাকা টিনসেড দুটি রুম তৈরি করে সেখানে স্ত্রী সাদিয়া আক্তার শম্পাকে নিয়ে থাকতেন ফখরুল হাসান ফরহাদ। ফরহাদ হার্টের রোগী ও প্যারালাইজড। তার স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গার্মেন্টস কর্মী। তাদের কোন সন্তান নেই।

নার্গিস আরও জানান, বাড়িটি তাদের দুই বোনের হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তার ভাইকে বাসার ছাদে সেমিপাকা টিনশেড ঘর তুলে থাকতে দিয়েছিলেন। তবে ভাইয়ের কাছ থেকে গ্যাস ও পানির বিল আদায় করতেন বড় বোন নুর আফসানা নিপা। আর্থিক সংকট ও অসুস্থতার কারণে ২০১৭ সালের পর থেকে কোন বিল দিতে না পারায় ভাইয়ের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন বড় বোন। প্রায় সময় বাসায় এসে ঝগড়াঝাঁটি করতেন এবং তাদেরকে বের হয়ে যেতে বলতেন। চলতি বছরের আগস্ট মাসের পর থেকে তাদেরকে খুব জোর দিচ্ছিলেন বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে।

তিনি জানান, বুধবার ফখরুলের স্ত্রী যখন কর্মস্থলে থেকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় ফিরেন,তখন তাকে বিছানায় রক্তাক্ত মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ওই বাসায় যায় এবং ওই বাসার নিচ তলা থেকেই বড় বোনকে আটক করে। এরপর বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বড় বোনের স্বামী হেলমেট পড়ে বগলের নিচে একটি ধারালো চাপাতি নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর খবর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকেই আটক করে বড় বোনকে নুর আফসানাকে।

এদিকে, শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, জমিজমা ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে তাদের ভাই-বোনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝগড়া ঝামেলা চলছিল। এর জের ধরেই বড় বোন ও বোন জামাই বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে যেকোনো সময় ছাদের রুমে ঢুকে ফখরুল হাসান ফরহাদকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রাতেই বড় বোন নুর আফসানা নিপকে বাসার ভিতরে এবং বোন জামাই আব্দুস সামাদকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় বড় বোন এবং বোন জামাইকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 08 Oct 2026 08:58:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফের হাতকড়া খুলে পালালেন, কে এই দুর্ধর্ষ আসামী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118467" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/118467</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাত্র ১৬ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম নামে এক দুর্ধর্ষ আসামী। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত থেকে হাতকড়া খুলে বিচারাধীন আসামি শরিফুল পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম। ঘটনার পর আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কারাগার থেকে শরিফুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় ওই দিন সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের কনস্টেবল আব্দুল আলিমের দায়িত্বে ছিলেন শরিফুল। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।

ঘটনার পর দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল আব্দুল আলিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কীভাবে একজন বিচারাধীন আসামি হাতকড়া খুলে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেলেন এবং এতে কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না&mdash;তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে, শরিফুল ইসলাম এর আগেও আদালত থেকে পালিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় তৎকালীন হাজতখানার ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুলকে ওই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল। তবে দ্বিতীয়বারও পুলিশের হেফাজত থেকে তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আদালতের নিরাপত্তা ও আসামি পরিবহনের দায়িত্বে থাকা সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পলাতক শরিফুলকে পুনরায় গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ঘটনায় কারও গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Oct 2026 12:56:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কলেজছাত্র নাঈমকে নৃশংসভাবে হত্যা: মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/118185" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/118185</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারে আলোচিত কলেজছাত্র রেজাউল করিম নাঈম হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল এ রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নুরুল ইসলাম, সায়মন ইসলাম, নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে নুরুল ইসলাম ও সায়মন কারাগারে উপস্থিত থাকলেও রনি ও আনোয়ার বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি ও সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর ফেসবুকে ছবি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে জেলার বর্ষিজোড়া এলাকায় নাঈমের সঙ্গে আসামি রনির কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে পরবর্তীতে রনি ও তার বাবা নুরুল ইসলামসহ কয়েকজন নাঈমকে ডেকে বাড়িতে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর নিহত নাঈমের বাবা চেরাগ মিয়া বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের বাবা চেরাগ মিয়া বলেন, &lsquo;আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন সরকারের কাছে দাবি-এই রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয় এবং পলাতক দুই আসামিকে যেন অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়।&rsquo;

এদিকে, রায়ের বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী জানান, তিন বছরেরও কম সময়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় হওয়ায় বিচারপ্রার্থী পরিবার সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা গেল এবং আদালতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

সাননিউজ/ বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 30 Sep 2026 10:36:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে বাড়ি দখল করতে গিয়ে পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেফতার ৪]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/118126" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/118126</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

রাজধানীর আদাবরে বাড়িদখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলায় অভিযুক্ত দুই সন্ত্রাসী পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে চাপাতি, সামুরাই ও কিরিস উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- রাজিব হাওলাদার (৩০), সাগর ওরফে ছোট বিগার (২৪), শাকিব (২৩) ও রাশেদ (২৪)। তাদের মধ্যে রাজিব ও সাগরের পায়ে গুলি লাগে। আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজারসংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড়ের ফাঁকা জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শ্যামলী হাউজিংয়ের ৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদাবর থানায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিল। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, মামলার কয়েকজন আসামি নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজারসংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড়ে অবস্থান করছেন। পরে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

এডিসি জুয়েল রানা বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাত থেকে আটজন দুষ্কৃতকারী তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশকে আক্রমণের চেষ্টা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কনস্টেবল মোশরেকুল ইসলামের হাতে থাকা শটগান দিয়ে পুলিশ দুটি গুলি ছোড়ে। এতে রাজিব হাওলাদার ও সাগর ওরফে ছোট বিগার নামে দুজন পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে রাজিব, সাগর, শাকিব ও রাশেদকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে স্টিলের ধারালো চাপাতি, সামুরাই ও কিরিস উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার রাজিব হাওলাদার মোহাম্মদপুরের আলোচিত বাবু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি। সাগর ওরফে ছোট বিগারের বিরুদ্ধে আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় আটটি মামলা রয়েছে। শাকিব ও রাশেদের বিরুদ্ধেও পাঁচটি করে মামলা রয়েছে।

গুলিবিদ্ধ রাজিব ও সাগরকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সাননিউজ/ বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 29 Sep 2026 07:45:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একদিনে ৪ হত্যাকাণ্ড: কী ঘটেছিল?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117981" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117981</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছিল আরও তিন হত্যাকাণ্ড।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের মধ্যে ঘটে এসব হত্যাকাণ্ড।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অপ্রতিমের সন্ধানে খোঁজ চালায়। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, শুক্রবারই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার এ ঘটনার এক ব্রিফিংয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে বাধা দিলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। একপর্যায়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তারা।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হই যে, ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের পর আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখি ও পর্যালোচনা করি। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা তুহিনকে মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার আগেই আমরা হেফাজতে নেই।

আনিসুজ্জামান বলেন, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন আমাদের কাছে স্বীকার করে যে, অপ্রতিমের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশেই পরিকল্পনা করে সে তাকে ওই নির্জন ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তুহিন আরও জানায়, এ ঘটনায় ফাহাদ এবং ফাহাদের এক বন্ধু জড়িত ছিল। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করি এবং ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি।

জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার আরেক বন্ধু কামরুলও জড়িত। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা কামরুলকে হেফাজতে নেই।

এদিকে একই সময়ে শুক্রবার রাতে খুলনা নগরীর একটি ছাত্রাবাসে &lsquo;ভাত চুরি করে খাওয়ার&rsquo; অপবাদ তুলে বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র আজমুল হোসেন আযমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হলরোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি চার তলা ভবনের ছাদে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

আজমুল নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা খুবির সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ওই ছাত্রকে (আজমল হোসেন) খাবারসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগে ধরা হয়। এরপর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য বের হচ্ছিল। তিনি রুম থেকে গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, জুতা এবং টাকা নেওয়ার কথাও স্বীকার করেছিলেন।


ওই শিক্ষার্থী বলেন, প্রথমে লাউডস্পিকারে ওই ছাত্রকে তার বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তখন আজমল তার বাবাকে জানান যে, তিনি সেখানে থাকেন এবং টাকা ও অন্যান্য জিনিস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। তার বাবা তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তিনি এসবের মধ্যে গেছেন। এরপর ফোনটি আরেকজনের কাছে দেওয়া হয়। তিনি ওই ছাত্রের বাবাকে বলেন, আপনার ছেলে এই কাজ করছে, আপনার তো আসা উচিত। আপনি কালকে আসেন, এসে একটা ব্যবস্থা করেন। এখানে তো আর রাখা যাবে না। এরপর ফোনটি অন্য এক-দুজনের হাতেও চলে যায়।

এদিকে মারধর শেষে আজমলের বাবার কাছে ফোন দিয়ে চুরির ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া শুক্রবার রাত ১টার দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে তিন সন্তানকে নিয়ে কীটনাশক পান করেছেন সরফত আলী নামে এক বাবা। এতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সরফত আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত শিশুরা হলো&mdash;রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে যান। প্রবাসে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তিন সন্তানকে নিয়ে ঘুমাতে যান। পরে রাত ১টার দিকে তিনি সন্তানদের নিয়ে কীটনাশক পান করেন। বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান।


পরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পরদিন শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জান্নাকান্দি গ্রামে নিজ ঘর থেকে সৌদি প্রবাসী ইকরাম, তার স্ত্রী সানজিদা এবং তাদের দেড় বছরের শিশুসন্তান আলেজার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জান্নাকান্দি গ্রামের ইকরাম হোসেন কিছুদিন আগে বিদেশ থেকে আসেন। শনিবার দুপুরে তার ঘরের ভেতর স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশেই ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায় ইকরামের লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।

তবে কী কারণে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তার কোনো উত্তর এখনো মেলেনি। পারিবারিক কলহ, আর্থিক সংকট কিংবা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদেশ থেকে ফেরার পর ইকরাম পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী বা পরিবারের সদস্যদের কোনো বিরোধ কিংবা পারিবারিক কলহ চলছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে হঠাৎ একই পরিবারের তিনজনের এমন মৃত্যুতে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 22 Sep 2026 07:00:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117694" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117694</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সময়ে নগরীর বিভিন্ন থানায় ৫৯টি মামলা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, নকল পণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি দুই অপহৃত ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপির বিভাগভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগ থেকে। এ বিভাগে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১৩২ জন। এরপর ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮০ জন, উত্তরা থেকে ৫৫ জন, মতিঝিল থেকে ৫৩ জন এবং তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া গুলশান বিভাগে ৪০ জন, রমনা বিভাগে ৩৪ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন এবং গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযান চালানোর সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১২০ কেজি গাঁজা, ১২ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা, দুই পুরিয়া হেরোইন এবং পাঁচ লিটার দেশি মদ।

পুলিশের অভিযানে মাদক ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১ হাজার ৪৮০টি নকল ক্রিম, ১১টি মোবাইল ফোন, ৫২৬ বস্তা চাল, দুটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল, একটি প্রাইভেটকার এবং একটি প্রাইভেটকারের রিমোট চাবি।

ডিএমপির অভিযানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অপহরণের শিকার দুই ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ডিএমপির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:19:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৯]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117536" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117536</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও ঘটনায় ৪৪টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এরপর গুলশান বিভাগে ১০৫ জন এবং ওয়ারী বিভাগে ৮৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৭৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৫ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন, রমনা বিভাগে ৩২ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও অন্যান্য আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় তিনটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও নয় রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

এ ছাড়া একটি খেলনা পিস্তল, দুটি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু এবং একটি শার্প ব্লেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানে ১৭টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকাও জব্দ করা হয়েছে।

 

অস্ত্রের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭১০ পিস ইয়াবা এবং ১০০ পুরিয়া হেরোইন।

এ ছাড়া ১৫ বোতল দেশি মদ ও এক লিটার বিদেশি মদও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

 

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানার আওতাধীন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার সময় এসব গ্রেপ্তার ও উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রাজধানীতে অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 11:34:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেইরি ফার্মে আবেদ আলীর  অপরাধ সাম্রাজ্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117533" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117533</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাভারের আশুলিয়ায় কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের (ডেইরি ফার্ম) ভেতরে বহিরাগতদের দাপট ও নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগের মধ্যেই চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাছ ছিনতাইয়ের চেষ্টায় বাঁধা দেয়ায় বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে আবেদ আলী (৪২)-এর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনকে হামলায় জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে।

আবেদ আলীর সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় ডেইরী ফার্মের কর্মচারী জয়নাল মিয়া (৪৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর অণ্ডথলির চামড়া ছিঁড়ে যাওয়ায় মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এছাড়া তার দুই ছেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে ডেইরি ফার্মের ভেতরে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে তুলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘাস চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও নারীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আবেদ আলীর সঙ্গে কলমা উত্তরপাড়ার আমিনুল এবং পাথালিয়ার আমবাগান এলাকার কোরবান আলী মাস্টারের ছেলে মারুফ ওরফে &lsquo;সাইকো মারুফ&rsquo;সহ কয়েকজনের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্রের ভয়ে ফার্মের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আশপাশের অনেক বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরে মুখ খুলতে সাহস করেননি।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বাদি সজিব শেখ ও তাঁর বাবা জয়নাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ডেইরি ফার্মে কর্মরত। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আবেদ আলী তাঁর বাবার কাছে ফার্ম এলাকায় ব্যবসা করার জন্য ২০ হাজার টাকা চাঁধা দাবি করছিলেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। গত ৯ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আবেদ আলীসহ পাঁচ-ছয়জন ডেইরি ফার্মের কর্মস্থলে ঢুকে আবারও টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে পুকুর থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জয়নাল বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। হামলার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ফার্মের মালেক বায়ার শাখার কর্মচারী মকবুল, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী জলিলসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে অভিযোগকারীরা জানান।

ভুক্তভোগী সজিবের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাঁর বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে জয়নালের অণ্ডথলির চামড়া ছিঁড়ে গুরুতর জখম হয়। বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে সজিব ও তাঁর বড় ভাই রাসেল মিয়া (২৯)-কেও মারধর করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। তবে ঘটনার পর বিষয়টি প্রকাশ করলে মিথ্যা মামলা এবং জানমালের ক্ষতির হুমকি দেয় হামলাকারীরা।

সজিব শেখ বলেন, &ldquo;চাঁদার টাকা না দেওয়ায় আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমার বাবাকে গুরুতরভাবে আহত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাই।&rdquo;

&lsquo;ফার্মের ভেতরেই অপরাধের ঘাঁটি&rsquo;
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীর ভাষ্য, ডেইরি ফার্মের বিশাল এলাকা ও আবাসিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আবেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রভাব বিস্তার করছেন। ফার্মের ঘাস চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার, নারীদের হয়রানি ও শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের নাম জড়িয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, &ldquo;পতিত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীরা ফার্মের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতেন। এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন, যাঁর সঙ্গে তাঁদের কোনো না কোনো বিরোধ হয়নি। সাইকো মারুফ&rsquo; নামে পরিচিত মারুফ রাজনৈতিকভাবে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেন। ৫ আগস্টের আগে সরকার পতনের আন্দোলনের সময়ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আবেদ আলীর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় অস্ত্রধারী একটি দলের সঙ্গে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের সম্পৃক্ততা ছিল। আন্দোলনকারীদের ধাওয়া খেয়ে ওই দলের কয়েকজন ডেইরি ফার্মের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায় বলেও তাঁদের দাবি করেন স্থানীয়রা।

২০২৪ এর ৫ আগস্টে সরকার পতনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকায় আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের প্রকাশ্য তৎপরতা কমে যায়। সম্প্রতি তাঁরা আবার এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন। যার ফলে আবারও ফার্মের ভেতরে মাদক সেবন ও বেচাকেনাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আহত জয়নাল মিয়ার ছেলে ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাজিব বলেন, &ldquo;আমার বাবার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই চক্রের বিরুদ্ধে শুধু হামলার অভিযোগ নয়, ডেইরি ফার্মের ভেতরে মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।&rdquo;


কর্তৃপক্ষের অবস্থান

কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত আবেদ আলীর চাচা মো. শহর আলীকে শোকজ করা হয়েছে। ফার্মের আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থান ঠেকাতে সবাইকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাসায় অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত লোকজন পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা বলেন, &ldquo;অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবেদ আলী, আমিনুল ও মারুফের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তাধীন; অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে তাঁদের দায়ী বলা যাচ্ছে না ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 10:50:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীর ২০৪ হটস্পটে ১,৩৮৭ ছিনতাইকারী, সন্ধ্যার পরই বাড়ছে আতঙ্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117497" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117497</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানী ঢাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, নগরীর ২০৪টি এলাকাকে ছিনতাইয়ের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সক্রিয় রয়েছে তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৩৮৭ জন পেশাদার ছিনতাইকারী। ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পথচারীদের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ডিএমপির হিসাবে, গত ছয় মাসে রাজধানীতে ছিনতাই সংক্রান্ত ১৫৮টি মামলা হয়েছে। এর বাইরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে আরও। ফলে মামলা ও জিডির বাইরেও রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি শ্যামলীর একটি আবাসিক এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। গত ২৩ জুলাই ভোরে শ্যামলীর ২ নম্বর রোডে মোটরসাইকেলে করে তিন ব্যক্তি এসে এক পথচারীর কাছে ঠিকানা জানতে চায়। কাছে যাওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এ সময় আশপাশের লোকজনকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই এলাকায় এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক মাস আগে একই কৌশলে এক পথচারীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশের ৪ নম্বর রোডেও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বসবাস করলেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন।

স্থানীয়দের মতে, নিরাপত্তাকর্মী ও প্রবেশপথে গেট থাকা আবাসিক এলাকাতেও যদি ভোররাতে ছিনতাই ঘটে, তাহলে নগরীর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশেষ করে রাতের শেষভাগ ও ভোরে জনসমাগম কমে গেলে ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে তেজগাঁও বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৫১টি ছিনতাই হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে বসিলা ৪০ ফিট, লাউতলা, গার্ডেন সিটির মুখ, ঢাকা উদ্যান নদীর ওয়াকওয়ে, হাক্কারপাড় ব্রিজ, রায়েরবাজার আজিজ খান রোড ও বোর্ডঘাট উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া মতিঝিল বিভাগে ৩২টি, মিরপুরে ২৭টি, রমনায় ২৫টি এবং গুলশানে ২১টি এলাকাকে ছিনতাইয়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শুধু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেই থেমে নেই পুলিশ। ডিএমপি রাজধানীতে ১ হাজার ৩৮৭ জন পেশাদার ছিনতাইকারীর তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় সবচেয়ে বেশি ছিনতাইকারীর নাম রয়েছে ওয়ারী এলাকায়&mdash;৩০৮ জন।

এরপর উত্তরা ও তেজগাঁও এলাকায় রয়েছে ২৪০ জন করে। মতিঝিল, লালবাগ ও রমনা এলাকাতেও দেড় শতাধিক করে ছিনতাইকারীর তথ্য পুলিশের তালিকায় রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীদের ধরতে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভাগভিত্তিক তালিকা সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পাঠানো হয়েছে। নতুন কেউ ছিনতাইয়ের ঘটনায় আইনের আওতায় এলে তাকেও ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, তালিকাভুক্ত কেউ জামিনে কারাগার থেকে বের হলে তার তথ্যও সংরক্ষণ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে নজরদারির আওতায় রাখা হয়।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। অপরাধের সঙ্গে যুক্ত পৃষ্ঠপোষক বা নেপথ্যের ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, একাধিক মামলা থাকার পরও কীভাবে অভিযুক্তরা দ্রুত জামিনে বের হয়ে আসে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ছিনতাই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজধানীতে ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে রাতের শেষভাগ থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের টহল বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক থেকে আবাসিক গলি&mdash;বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে পুলিশের তৎপরতার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 14 Aug 2026 08:48:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পল্লবীতে ‘ল্যাংড়া’ রুবেলসহ গ্রেপ্তার পাঁচ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117409" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117409</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর পল্লবীতে মাদক বিক্রির ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় কুখ্যাত মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন&mdash; হামিদ খান ওরফে মাখন, &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল, তানজিদ আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পা, পারভেজ ও রাব্বী।

তাদের কাছ থেকে গোলাগুলিতে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, এক হাজার পিস ইয়াবা এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত দুটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গোলাগুলির ঘটনায় আহত দুইজন

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, গত ৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় ইমনের চায়ের দোকানের সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি পেটে ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। একই ঘটনায় জোসনা নামে এক পথচারী নারী পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

এ ঘটনায় আলমগীরের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পল্লবী থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়। ঘটনার পর ডিবির মিরপুর বিভাগ ছায়া তদন্ত শুরু করে।

ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গোলাগুলিতে ব্যবহৃত একটি টয়োটা প্রিমিও গাড়ি শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গাড়ির মালিক হামিদ খান ওরফে মাখনকে পল্লবী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ

ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে হামিদ খান জানান, গাড়িটি তার নামে নিবন্ধিত হলেও এর প্রকৃত মালিক কুখ্যাত মাদক কারবারি &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রুবেলের সহযোগী পারভেজ ও রাব্বীকে কালশী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে রুবেলের ব্যবহৃত একটি সাদা টয়োটা ভক্সি গাড়ি এবং গাড়ির ভেতর থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে পারভেজ ও রাব্বীর তথ্যের ভিত্তিতে রূপনগর থানার ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল ও তানজিদ আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

ডিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মাদক বিক্রির ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রুবেল ও তার সহযোগীদের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধের জেরে ওই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

তবে ডিবি প্রধান বলেন, আলমগীর নিজেও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী হিসেবে মামলার বাদী হয়েছেন।

রুবেলের সম্পদের তদন্ত চলছে

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, অপরাধীর কোনো পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। অপরাধের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক কারবারের অর্থ দিয়ে তিনি কোথাও বিনিয়োগ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে মানি লন্ডারিং মামলার জন্য সিআইডিতে তথ্য পাঠানো হবে।

তিনি আরও বলেন, রুবেলের নামে গাড়ি নিবন্ধিত না থাকলেও প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িগুলো তিনিই কিনে দিয়েছেন। হেমায়েতপুরে তার বসবাসের বাড়ি নিয়েও তদন্ত চলছে।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, রুবেলের দৃশ্যমান কোনো আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক কারবারই তার আয়ের প্রধান উৎস।

আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা

শফিকুল ইসলাম জানান, গোলাগুলির সময় গাড়িতে বাপ্পাসহ আরও কয়েকজন ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার পাশাপাশি অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 09:09:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুরির সময় বাধায় আঙুল হারাল চোর, নিয়েও গেল দুই ফোন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117194" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117194</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঝালকাঠির রাজাপুরে চুরি করতে গিয়ে এক চোর গৃহবধূর সাহসী প্রতিরোধের মুখে আঙুলের একটি অংশ হারিয়েছে। তবে আহত অবস্থাতেও সহযোগীদের সহায়তায় পালিয়ে যাওয়ার সময় ওই চোরের দল ঘর থেকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ডহশংকর গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়িতে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চোর ঘরে প্রবেশ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে ঘরের ভেতরে শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যায় গৃহবধূ ঝুমুর বেগমের। তিনি উঠে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে চোর তার মুখ চেপে ধরে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চোরের সঙ্গে গৃহবধূর ধস্তাধস্তি শুরু হলে একপর্যায়ে চোরের একটি আঙুল তার মুখের কাছে চলে আসে। তখন আত্মরক্ষার চেষ্টা হিসেবে তিনি আঙুলটি শক্ত করে কামড়ে ধরেন। এতে চোরের আঙুলের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আহত হওয়ার পর চোর গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরের দরজা খুলে বাইরে অপেক্ষায় থাকা সহযোগীদের সঙ্গে পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার আগে তারা ঘর থেকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

চোর পালিয়ে যাওয়ার পর গৃহবধূর চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে চোরের বিচ্ছিন্ন আঙুলের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা রাতের বেলায় পুলিশের টহল বাড়ানো এবং দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 08:25:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রামুতে অপহরণ মামলা, পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117170" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117170</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একটি অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বাদী পক্ষের অভিযোগের বিপরীতে অভিযুক্ত দুবাই প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি দাবি করেছেন, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধের জেরে দায়ের করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দুবাই প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে রামু উপজেলার রাজরকুল ইউনিয়নের দিয়াংপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাদিয়া ছিদ্দিকা তাছমিনের ২০২৪ সালের ৮ জুলাই পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয় বলে উভয় পরিবারের একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারণসহ একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে উভয় পক্ষের অভিভাবক ও সাক্ষীরা স্বাক্ষর করেন এবং পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী নিবন্ধনের বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, বিয়ের পর প্রায় দুই বছর স্বাভাবিকভাবে দাম্পত্য জীবন চলছিল। এ সময় শ্বশুরের আর্থিক প্রয়োজনের কারণে প্রবাসী আনোয়ার হোসেন কিছু অর্থ ধার দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আরও অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে তাদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই বিরোধের পর অপহরণের অভিযোগ এনে পুলিশকে তথ্য দেওয়া হয়। এরপর গত ১ জুলাই রাতে রামু ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল চৌফলন্ডী এলাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ৪ জুলাই তরুণীর মা মনোয়ারা আক্তার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ছয়জনকে আসামি করে রামু থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রবাসী আনোয়ার হোসেন ছাড়াও তার পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে স্কুলছাত্রী এবং ২৫ জুন বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাকে অপহরণ করা হয়। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মসজিদের মোয়াজ্জেম ও এলাকাবাসীর একাংশ দাবি করেছেন, অভিযুক্ত তরুণ-তরুণীর মধ্যে আগে থেকেই সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল এবং বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানতেন। তাদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের কারণে মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার বাদী মনোয়ারা আক্তার বলেন, স্বামীর নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিষয়ে এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার বাবার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

 

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তদন্তে যদি কোনো নিরীহ ব্যক্তি মামলায় জড়িয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হবে। এছাড়া কোনো মেয়ের বয়স আইন অনুযায়ী পূর্ণ না হলে তার বিয়ে বৈধ নয়। এ ধরনের ঘটনায় আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রধান অভিযুক্তদের একজন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। ভিকটিম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং আদালতের নির্দেশে তাকে মায়ের জিম্মায় রাখা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট সব তথ্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী এবং অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হলে মামলার বাস্তব চিত্র সামনে আসবে এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় চূড়ান্ত সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 18:30:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে অভিযানে ৪১৯ জন গ্রেফতার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117048" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117048</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে ৭১টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী সোমবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪ কেজি গাঁজা, ৯১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩৫০ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন। এছাড়া ২৬ বোতল বিদেশি মদ, একটি প্রাইভেটকার এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানে প্রযুক্তি ও অবৈধ যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২৮টি ভিওআইপি মেশিন, ৪ হাজার ৮৪৬টি বিভিন্ন অপারেটরের সিম কার্ড, ২১টি মোবাইল ফোন, ১৪টি ল্যাপটপ, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ৫২টি ক্যাবল কানেক্টর, ১৬টি ডাটা কানেক্টর মেশিন, একটি পাওয়ার সাপ্লাই মেশিন, একটি সিসি ক্যামেরা এবং ১২টি ল্যাপটপ চার্জার।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 09:31:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117040" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117040</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। পৃথক চারটি অভিযানে তাদের কাছ থেকে গাঁজা, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশ এসব অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট রাতের দিকে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিউল আলম সোহাগের নেতৃত্বে একটি দল কবিরপুর তেলিরবাজার এলাকায় অভিযান চালায়।

এ সময় একটি বাড়ির সামনে থেকে সাবিনা খাতুন (২৪) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৬৫ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির ২৭ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৯৫০ টাকা। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


অন্যদিকে ২ আগস্ট রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জায়েদুল আলম (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তার কাছ থেকে ৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ হাজার ৪০০ টাকা।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে।


পুলিশের আরেকটি অভিযানে ইয়ারপুর ইউনিয়নের বাইপাইল-আশুলিয়া সড়ক এলাকা থেকে ইয়াছিন আরাফাত (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার কাছ থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।


এছাড়া ৩ আগস্ট ভোরে জামগড়া সিরু মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কাউসার আহমেদ (২৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।


আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস এবং অন্যান্য অপরাধ নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 07:47:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117038" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117038</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাগেরহাটের মোংলায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে টুকু শেখ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবি সংবলিত ভুয়া সিল এবং স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় মোংলা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বাগেরহাটের মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এলাকায় অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা থানা পুলিশ এই সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের সন্ধান পায়।

পুলিশ জানায়, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করার পর মোংলা উপজেলার হলদিবুনিয়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মৃত নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে টুকু শেখকে (৩৫) হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ বাহিনী।

গ্রেফতারের পর আসামির দেহ ও বাসা তল্লাশি করে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবি সংবলিত একটি নকল সিল এবং বেশ কিছু স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ জালিয়াতির ঘটনায় টুকু শেখসহ সরাসরি জড়িত আরও দুই পলাতক আসামির বিরুদ্ধে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরাধী চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 07:04:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাকিব হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৫০ জন অভিযুক্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/117006" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/117006</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিহত রাকিব হোসেনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার তদন্ত সম্পন্ন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এজাহারে নাম থাকা আরও ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মমিনুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে গত ১৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষ্য, আলামত এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার মতো উপাদান পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ মেলেনি বা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে যাদের নাম রয়েছে

অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার এবং আওয়ামী লীগের কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য ও নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এজাহারে অন্তর্ভুক্ত ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে যে, কয়েকজন ঘটনার সময় মিরপুর এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না এবং কিছু নাম অসৎ উদ্দেশ্যে মামলায় যুক্ত করা হয়ে থাকতে পারে। এসব বিবেচনায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থা নিয়ে আদালতের রায়ের পর দেশজুড়ে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে অংশ নিলে তা দ্রুত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আন্দোলন দমনে বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী আন্দোলন প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগপত্রে উল্লিখিত এসব বক্তব্য তদন্তকারী সংস্থার দাবি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত হবে।

মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ সফল হয়নি

তদন্ত চলাকালে নিহত রাকিব হোসেনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশাসনের কর্মকর্তারা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার দিন যা ঘটেছিল

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিব হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। রাতের দিকে একটি মিছিল গোলচত্বরে পৌঁছালে সেখানে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক মরদেহ ঝিনাইদহে নিয়ে যান। সে সময়ের পরিস্থিতির কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পরিবারের

নিহত রাকিব হোসেনের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তার ছেলে এমআইএসটি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জানান, অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি আগে জানতেন না।

তার ভাষ্য, নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হোক&mdash;এটাই পরিবারের প্রত্যাশা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 08:08:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও বাড়ছে সহিংসতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117005" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/117005</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে আবারও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পজুড়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা &lsquo;টার্গেট কিলিং&rsquo;-এর ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আধিপত্য বিস্তার, মাদকপাচার, চাঁদাবাজি এবং ব্লকভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দ্বন্দ্বকে এসব হত্যার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মতে, ক্যাম্পে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে প্রতিপক্ষের সদস্য, হেড মাঝি, সাব-মাঝি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এতে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

তিন বছরে নিহত অন্তত ৫০ নেতা

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্তত ৫০ জন হেড মাঝি, সাব-মাঝি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৩৪টি ক্যাম্পে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালে ৩৫ জন, ২০২৪ সালে ৪৯ জন এবং ২০২৩ সালে ৬৬ জন প্রাণ হারান। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা কয়েক শতে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সক্রিয় সাত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অসংখ্য ডাকাত চক্র

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে একাধিক সশস্ত্র সংগঠন এবং প্রায় ৪০টি ছোট-বড় ডাকাত চক্র সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষ, অপহরণ, গুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পের প্রতিটি ব্লকের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই চাঁদাবাজি, মাদকপাচার এবং অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হয়। এজন্য প্রতিপক্ষকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের কণ্ঠও দমন করা হচ্ছে

তদন্তে উঠে এসেছে, শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সদস্য নয়, শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তি, সমাজসেবী, শিক্ষক এবং সাধারণ রোহিঙ্গা নেতারাও হামলার শিকার হচ্ছেন।

যারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে ক্যাম্পের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে চান অথবা সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলেন, তাদেরও ভয়ভীতি ও সহিংসতার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হামলার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কেউ যাতে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে না পারে।

মাদকপথ ও চাঁদাবাজি ঘিরে সংঘাত

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা কিছু এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই অবৈধ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাজার, দোকানপাট এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। যে গোষ্ঠী কোনো ব্লকের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তারাই ওই এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা বা নতুন করে দখল নেওয়ার লড়াই থেকেই অনেক হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধই সাম্প্রতিক সহিংসতার অন্যতম কারণ। তাদের মতে, এসব গোষ্ঠীর আধিপত্য কমিয়ে আনতে পারলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে না পারলে টার্গেট কিলিং বন্ধ করা কঠিন হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু অভিযান পরিচালনা যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে অপরাধচক্র ভেঙে দেওয়া, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা, ক্যাম্প প্রশাসনকে আরও কার্যকর করা এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তাদের মতে, মাদক, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে না আনলে ক্যাম্পে সহিংসতা কমানো কঠিন হয়ে পড়বে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 07:34:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/116997" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/crime/116997</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে ৪৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৯ জন, লালবাগ বিভাগে ২৪ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৫ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪০ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৯ জন, মিরপুর বিভাগে ১০১ জন, গুলশান বিভাগে ৪৪ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৭ জন, গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৯ জন এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি খালি ম্যাগাজিন, ২৩০ গ্রাম গাঁজা, ১৪ হাজার ১৪২ পিস ইয়াবা, ১৫৬ গ্রাম হেরোইন, ৩১টি মোবাইল ফোন, একটি প্রাইভেটকার ও একটি পুরোনো ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ এসব আলামত উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 06:10:59 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
