<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.sunnews24x7.com/feed/education</id>
                                <link href="https://archive.sunnews24x7.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews education Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 21 Oct 2026 09:39:02 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বে ৭৪তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119081" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119081</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পারিবারিক ব্যবসা বিষয়ক গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। জার্মানির অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াইফু ফাউন্ডেশন (WIFU Foundation) প্রকাশিত প্রথম &lsquo;Family Business Research Index 2026&rsquo;-এ বিশ্বের ২ হাজার ৩৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৪তম স্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি এই র&zwj;্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে।

পারিবারিক ব্যবসা বিষয়ে গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের লক্ষ্যে এ সূচক প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে ওপেনঅ্যালেক্সে (OpenAlex) সূচিবদ্ধ গবেষণা প্রকাশনার ভিত্তিতে তৈরি এ র&zwj;্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাকর্ম ও সংশ্লিষ্ট জার্নালের অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

ওপেনঅ্যালেক্স বিশ্বব্যাপী গবেষণা প্রকাশনা ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের একটি উন্মুক্ত ও বিনামূল্যের তথ্যভান্ডার এবং নলেজ গ্রাফ। ওয়াইফু ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, র&zwj;্যাঙ্কিংবিহীন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য শূন্য স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওয়াইফু ফাউন্ডেশন ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জার্মানির উইটেন শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি পারিবারিক ব্যবসা, উদ্যোক্তা পরিবার এবং পারিবারিক ব্যবসার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা, শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময়ে কাজ করে থাকে।

এ অর্জন সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক ব্যবসা গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণাকর্মে আরও উৎসাহ জোগাবে। আমরা গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। এ লক্ষ্য অর্জনে গবেষকদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণে আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাব।

সাননিউজ/বান্না

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 09:39:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উচ্চশিক্ষাকে কর্মজীবনমুখী করার তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119042" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119042</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান যেন শিক্ষার্থীদের কর্মজীবন ও বাস্তব জীবনে কার্যকরভাবে কাজে লাগে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব জীবনের যোগসূত্র আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে চার দিনব্যাপী &lsquo;ট্রেনিং অব ট্রেইনারস&rsquo; কার্যক্রমের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরি, উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় অনেক শিক্ষার্থী তাঁদের অর্জিত জ্ঞান যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছেন না। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।

উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়নে ইউজিসির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ খাতের রূপান্তরে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিকল্পনাটি কার্যকর করতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ কারণে তাঁদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের পাঁচ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে মাস্টার ট্রেইনার ও ন্যাশনাল ট্রেইনার তৈরি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তাঁদের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং তাঁদের মাধ্যমেই দেশব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

দেশেই মানসম্মত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কার্যকর প্রশিক্ষণ দেশের ভেতরেই আয়োজন করা সম্ভব। এ জন্য দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরি এবং বিদ্যমান অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দেশীয় শিক্ষকদের মাধ্যমে দেশেই উচ্চমানের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি।

তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ডিন থেকে উপাচার্য পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞদের দেশে এনে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা হবে। এর ফলে উচ্চশিক্ষা খাতের প্রশিক্ষণ চাহিদা দেশের মধ্যেই পূরণ করার সক্ষমতা বাড়বে।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া অধ্যাপকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষাকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করার ক্ষেত্রে নবপ্রশিক্ষিত ন্যাশনাল ট্রেইনারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ইউজিসির হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। জুনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে গত ১৬ অক্টোবর শুরু হওয়া চার দিনের এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ জন অধ্যাপক অংশ নেন। ন্যাশনাল ট্রেইনার হিসেবে তাঁরা ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, অ্যাডভান্স এইচইর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট বেন ব্রাবন এবং হিট প্রকল্পের ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ন্যাশনাল ট্রেইনার, প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া অধ্যাপক এবং ইউজিসি, হিট প্রকল্প ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 07:50:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবিতে ২২ নভেম্বর ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন’ বিষয়ক সেমিনার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119003" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119003</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও University &amp; Industry Alliance -এর যৌথ উদ্যোগে আগামী ২২ নভেম্বর সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন অডিটোরিয়ামে &lsquo;ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন: সরকারের নীতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান&rsquo; শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সেমিনারটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির এক প্রস্তুতি সভা আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) উপাচার্যের অফিসসংলগ্ন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক ও উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় University &amp; Industry Alliance -এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান, গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল অফিসের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মুস্তাক ইবনে আয়ূব এবং হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেবেন University &amp; Industry Alliance-এর সভাপতি ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন।

সেমিনারে ঢাবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, অফিসপ্রধান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও চেয়ারম্যানরা অংশগ্রহণ করবেন।

শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করা, উচ্চশিক্ষাকে শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হবে। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিল্প ও একাডেমিক অঙ্গনের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতি ও ঢাবির ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 10:57:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবির জগন্নাথ হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রো-ভিসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119000" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/119000</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় পৃথকভাবে জগন্নাথ হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এসময় জগন্নাথ হল দূর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটি প্রকাশিত ম্যাগাজিন &lsquo;শারদ&rsquo;-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. দেবাশীষ পাল-সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 09:48:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি’র ৯৮টি গবেষণা প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118999" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118999</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮টি গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও সহ-প্রকল্প পরিচালকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা গতকাল রবিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং ৯৮টি গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও সহ-প্রকল্প পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা নিরসন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনার জন্য শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, মানসম্মত গবেষণা ও উদ্ভাবন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, গবেষণা প্রবন্ধ কিউ-১ এবং কিউ-২ জার্নালে প্রকাশের ব্যাপারে গবেষকদের মনোযোগ দিতে হবে। সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের গবেষণা কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধির লক্ষ্যে যথাসময়ে কোর্স সম্পন্ন করা এবং সময়মত পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম সমাজের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও উদ্ভাবনমূলক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যুগোপযোগী গবেষণার মাধ্যমে গবেষকদের দেশ ও জাতির টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। সামাজিক চাহিদা নিরূপণ, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় জানানো হয়, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক স্থাপন এবং প্রকাশনা, গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে &ldquo;Dhaka University Innovation and Impact Summit&rdquo;- আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষণা, প্রকাশনা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে মানসম্মত স্ট্যার্টআপ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 09:43:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118983" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118983</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনাসহ শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু প্রস্তাব ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব পরিকল্পনা ও প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের কার্যবিবরণী সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সেখানে তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বরাদ্দ আগের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগের কথাও বৈঠকে জানানো হয়।

অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধেও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইএফটি ও আইবাস++ পদ্ধতির মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা সরাসরি তাঁদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 07:47:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবিতে আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118957" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118957</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে &lsquo;অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড&rsquo; প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকার একটি চেক গ্রহণ করেন। নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঢাবির সাবেক উপাচার্য ও বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর উদ্যোগে এই ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিসসংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে চেক হস্তান্তর করেন অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে মুহিত আনোয়ার চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান, নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক হাসান আল শাফী, দাতা পরিবারের সদস্য লাকী নাসরিন, সিনিয়র আইনজীবী মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মুহিত আনোয়ার চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এই ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রতিবছর ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের বি.এস.এস. (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ/নম্বর অর্জনকারী একজন শিক্ষার্থীকে &lsquo;অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক&rsquo; প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী ঢাবির একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও প্রাক্তন উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের উন্নয়নে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তাঁর এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে। এ ধরনের ট্রাস্ট ফান্ড মেধাবী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁদের আরও ভালো ফল অর্জনে উৎসাহিত করাই এই ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধ্যয়ন ও গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাবির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। শিক্ষক হিসেবে এখনো তিনি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান উপভোগ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকতে চান।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 09:31:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তিন বর্ষের সিলেবাসে হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118956" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118956</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হবে। এ পরীক্ষায় তিনটি ভিন্ন সিলেবাসে পড়াশোনা করা তিন শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ফরম পূরণ, পরীক্ষার ফি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন নিয়ম জানানো হয়।

ফরম পূরণের সময়সূচি

বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তথ্যসংবলিত সম্ভাব্য তালিকা আগামী ১৫ নভেম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে।

সময়সূচি অনুযায়ী&mdash;

বিভাগভেদে পরীক্ষার ফি

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিভাগের জন্য মোট ২ হাজার ৪৩৫ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩১৫ টাকা।

ফি-এর বিস্তারিত হিসাব নিচে দেওয়া হলো&mdash;

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বেতন ও সেশন চার্জ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই ২৪ মাসের বেশি বেতন ও সেশন চার্জ আদায় করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কোন সিলেবাসে পরীক্ষা হবে?

বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হবে।

অন্যদিকে, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি প্রশ্নপত্র প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া জিপিএ উন্নয়ন, মানোন্নয়ন ও অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

অতিরিক্ত ফি আদায় করলে ব্যবস্থা

নির্ধারিত ফি-এর বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচনি বা টেস্ট পরীক্ষা শেষ করে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তাই এসএসসি ২০২৭ পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণ ও ফি জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 09:23:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১ নভেম্বর ‘ব্ল্যাক কার্বন ও জলবায়ু দূষক’ বিষয়ক বিজ্ঞান-নীতি সংলাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118941" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118941</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক বিষয়ক একটি উচ্চ-পর্যায়ের বিজ্ঞান-নীতি সংলাপ আগামী ১ নভেম্বর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। &lsquo;ক্লনি এয়ার ফান্ড&rsquo;-এর সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সংলাপ আয়োজন করবে।

এই সংলাপে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য অংশীজন একত্রিত হবেন। বিজ্ঞান-ভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, বায়ুর গুণমান উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে কর্মপন্থা নির্ধারণ বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করবেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদি আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন এবং অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা তুলে ধরবেন।

এই সংলাপ বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান, জলবায়ু এবং বায়ু দূষণ নীতি নিয়ে বাংলাদেশ এবং সুইডেনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে আয়োজন করা হয়েছে। সংলাপ অনুষ্ঠানে এই যৌথ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো উদযাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ পরিচালিত &lsquo;বাংলাদেশ ক্লাইমেট অবজারভেটরি ভোলা&rsquo; (BCOB) এবং ২০১১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-সুইডেন নীতি সংলাপ। এই উদ্যোগ &lsquo;ক্লাইমেট অ্যান্ড ক্লনি এয়ার কোয়ালিশন&rsquo; (CCAC)-এর মাধ্যমে SLCP সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে অবদান রেখেছিল।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়া বর্তমানে বায়ু দূষণ এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল জলবায়ুর মতো দ্বৈত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। মানবস্বাস্থ্য, খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া, জীবিকা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর এর গভীর প্রভাব পড়ছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে উদ্ভাবিত এবং নীতি-নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞান কীভাবে SLCP প্রশমন, বায়ুমণ্ডলীয় পরিমাপ ও যাচাইকরণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং জলবায়ু ও বায়ুর গুণমান বিষয়ক কার্যকর পদক্ষেপগুলো নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে-সে বিষয়ে এই সংলাপে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 07:43:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবায় ঢাবি অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118926" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118926</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় ১৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা হলেন- সুব্রত বিশ্বাস, জারিন তাসনিম, নওশীন, ওয়ালিজা আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস। দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দাউদ খাঁন। কোচ হিসাবে ছিলেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন।

প্রতিযোগিতায় মোট ২৭ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অংশ গ্রহণ করে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Oct 2026 17:48:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবিতে ১৬০ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে সাদা ছড়ি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118927" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118927</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও মানবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও বিভিন্ন বিভাগে প্রবেশগম্য পাঠকক্ষ, উন্নত পাঠপ্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ফুটপাত ও চলাচলের পথ প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাদা ছড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ১৬০ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে সাদা ছড়ি ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিল্যান্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মতিন এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মোঃ আতিকুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সাদা ছড়ি কোনো দুর্বলতার প্রতীক নয়; এটি স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরশীলতা ও নিজের পথ নিজে খুঁজে নেওয়ার সাহসের প্রতীক। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মেধা, অধ্যবসায় ও অন্তর্দৃষ্টি কোনো অংশেই কম নয়। তাঁদের সক্ষমতা ও অর্জনকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া এবং শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সমাজের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার আদর্শ ধারণ করে আসছে। কোনো শিক্ষার্থী যেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার কারণে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সচেতন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চলাচল, শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁদেরই বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁরা যেন কখনো নিজেদের একা মনে না করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল, স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। তাঁদের শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা তাঁদের মেধা ও চিন্তাশক্তির মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিচ্ছেন। তাঁদের এগিয়ে চলার পথে প্রয়োজনীয় সুযোগ সৃষ্টি করা এবং দৈনন্দিন জীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিদের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, সাদা ছড়ি শুধু চলাচলের সহায়ক উপকরণ নয়; এটি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস ও নিরাপদ পথচলার প্রতীক। তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের পাশাপাশি বাস্তব জীবনে সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের প্রিন্সিপাল প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। তাঁর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আহাদ ফাউন্ডেশন, কাইতলা, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ আবু আহাদ।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Oct 2026 17:48:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি শিক্ষার্থী তেহামীর মৃত্যুতে উপাচার্যের গভীর শোক প্রকাশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118921" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118921</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আজ শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের &lsquo;চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার&rsquo; প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামী-সহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, এধরনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখের ও বেদনার। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোকাহত। তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উপাচার্য অগ্নিকান্ডের কারণ চিহ্নিত করে অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে বলেন, এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহত পরিবারের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

উল্লেখ্য, নিহত শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামীর বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী থানার দক্ষিণ চুনাখালী গ্রামে। তার পিতার নাম মো. জেয়াদুল কবির এবং মাতার নাম কাজল রেখা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Oct 2026 11:08:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118895" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118895</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের (ডিইউএএপিএস) উদ্যোগে দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুক্রবার ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

&lrm;ডিইউএএপিএস-এর সভাপতি ড. এ কে এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তসলিম উদ্দিন খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু হাসানাত মোহাম্মদ কিশোয়ার হোসেন প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আইরিন আক্তার স্বাগত বক্তব্য দেন।

ডিইউএএপিএস-এর সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শাফায়াত সুলতান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার হোসেন অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

&lrm;&lrm;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, তরুণ ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। &lrm;তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো করে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অ্যালামনাইগণ বৃত্তি, গবেষণা ও বিভিন্ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে তিনি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

&lrm;বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, বিভাগের বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ইউএনএফপিএ-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের বিভাগের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আমাদের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করছেন এবং চাকরি করছেন। এই পারস্পরিক সহযোগিতা বিভাগের একটি বড় অর্জন। ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ক বজায় থাকবে এবং বিভাগের কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Oct 2026 06:41:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলিসহ নানা আয়োজনে ঢাবি শোক দিবস পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118855" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118855</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ৪১তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ সকাল সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হল স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে জগন্নাথ হলের কিশোরীলাল রায় চৌধুরী অডিটোরিয়ামে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

&lrm;আলোচনা সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. দেবাশীষ পাল, জগন্নাথ হলের প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. অজয় কুমার দাস, জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নিবাস চন্দ্র মাঝি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, জগন্নাথ হলের আহত ছাত্র প্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী-সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরী কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অ্যালামনাইবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

&lrm;উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবরের মর্মান্তিক ঘটনা জাতি-ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রিত করেছিল। ঐক্যের এই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে এবং সমাজে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখতে আমরা কাজ করছি। আমরা এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই- যেখানে আবাসিক হল-সহ নিজ নিজ বাসস্থানে সবাই নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারবেন। উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবার। সবাইকে নিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী-সহ সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন।

&lrm; দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, হোস্টেল ও প্রধান প্রধান ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে রক্তদান কর্মসূচি পালিত হয়। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ&rsquo;সহ সকল হল মসজিদে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হবে। এছাড়া, জগন্নাথ হল প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিহতদের তৈলচিত্র ও তৎসম্পর্কিত দ্রব্যাদি প্রদর্শন করা হবে। সন্ধ্যা ৬:৩০টায় হল উপাসনালয়ে শোক সঙ্গীত ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হবে। এউপলক্ষ্যে জগন্নাথ হল প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় &lsquo;অক্টোবর স্মৃতি রচনা প্রতিযোগিতা&rsquo; ও &lsquo;অক্টোবর স্মৃতি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা&rsquo; আয়োজন করা হবে।

&lrm;উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে জগন্নাথ হলে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়। ঐ দুর্ঘটনায় ২৬জন ছাত্র, ১৪জন অতিথি ও কর্মচারীসহ মোট ৪০জন নিহত হন এবং অসংখ্য শিক্ষার্থী ও অতিথি আহত হন।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 11:10:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি ও ইউপিআর ইনফোর মধ্যে অংশীদারিত্ব চুক্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118824" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118824</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইজারল্যান্ডের জেনেভা-ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ইউপিআর ইনফোর মধ্যে আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপাচার্যের সভাকক্ষে ভার্চুয়ালি একটি অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং &lsquo;ইউপিআর ইনফো&rsquo;র নির্বাহী পরিচালক মিস মোনা এম&rsquo;বিকায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের &lsquo;ডিজাইন থিংকিং ইনোভেশন অ্যান্ড জেন্ডার ল্যাব&rsquo;-এর প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুযায়ী, &lsquo;ইউপিআর ইনফো&rsquo; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার বিশ্লেষণ, জনসমক্ষে বক্তব্য প্রদান, আলোচনা এবং গঠনমূলক সংলাপের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করবে। তারা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য এক বা একাধিক প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ সেশনের আয়োজন করবে, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, আয়োজক বা ফ্যাসিলিটেটরদের জন্য &lsquo;ট্রেনিং-অফ-ট্রেইনার্স&rsquo; কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সুশীল সমাজ এবং জাতীয় মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে কাজ করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে &lsquo;মডেল ইউপিআর&rsquo;-এর প্রস্তুতি, আয়োজন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে সহযোগিতার কাঠামো নির্ধারণ করাই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এই অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য &lsquo;ইউপিআর ইনফো&rsquo; কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। প্রাতিষ্ঠানিক বা শিক্ষাগত গুরুত্বের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ কার্যক্রম এবং বৈশ্বিক র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানের উন্নয়নে এই অংশীদারিত্ব অর্থবহ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 05:56:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য-উপাত্ত হস্তান্তর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118806" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118806</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য-উপাত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আজ সকালে উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের কাছে এসব তথ্য-উপাত্ত হস্তান্তর করেন।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সালমা বেগম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা জীবনের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য-উপাত্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক কল্যাণ সাধন এবং শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Oct 2026 08:57:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কানাডায় বিনা খরচে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118715" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমরা জানি, উন্নত জীবন আর শিক্ষামানের আশায় অনেকেই দেশের বাইরে যাচ্ছেন পড়াশোনার জন্য। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কানাডা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ আগ্রহ রয়েছে। এখন অনেক শিক্ষার্থীরা কানাডায় গিয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করছে। কানাডায় উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অন্টারিও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ (ওজিএস)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এ বৃত্তিতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অন্টারিও প্রদেশের অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য এ বৃত্তি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করছে। অন্টারিও প্রদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এ বৃত্তির মূল লক্ষ্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিক্ষাগত উৎকর্ষকে উৎসাহিত করা। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক পরিবেশে গবেষণার দক্ষতা বাড়ানো এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগও রয়েছে এতে।

বৃত্তির আওতায় যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে

অন্টারিও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপের আওতায় শিক্ষার্থীরা পাবেন&mdash;

পরপর দুই স্টাডি টার্মের জন্য ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার।

পরপর তিন স্টাডি টার্মের জন্য ১৫ হাজার কানাডিয়ান ডলার।

শিক্ষাগত কৃতিত্বের স্বীকৃতি।

গবেষণায় পূর্ণ মনোযোগ দেয়ার সুযোগ।

আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ।

একাডেমিক ও পেশাগত প্রোফাইল সমৃদ্ধ করার সুযোগ।

কানাডায় ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা বাড়ানোর সুযোগ।

বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের সুযোগ।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে

অন্টারিও প্রদেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বৃত্তির সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো&mdash;

১. ব্রক ইউনিভার্সিটি

২. কার্লটন ইউনিভার্সিটি

৩. ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলফ

৪. লেকহেড ইউনিভার্সিটি

৫. লরেনশিয়ান ইউনিভার্সিটি

৬. ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি

৭. নিপিসিং ইউনিভার্সিটি

৮. ওসিএডি ইউনিভার্সিটি

৯. অন্টারিও টেক ইউনিভার্সিটি

১০. ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া

১১. কুইন্স ইউনিভার্সিটি

১২. টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি

১৩. ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো

১৪. ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি

১৫. ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু

১৬. ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি

১৭. উইলফ্রিড লরিয়ার ইউনিভার্সিটি

১৮. ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর

১৯. ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।

শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আগ্রহীরা। এখানে সে কিছুর আবেদন করতে এসেছে। তাদের আবেদন। মহানগর। এখানে কীভাবে পাবে সেট ইয়েই চলছে এটার আবেদন। দেখা যাজ। লেখি। দেখা যায়। একাহ্নে আবেদন করার জন্য যেতে হনে।

আবেদনের যোগ্যতা

এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে অংশগ্রহণকারী কোনো অন্টারিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি থাকতে হবে অথবা ভর্তির পরিকল্পনা থাকতে হবে। বৃত্তি চলাকালে পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত থাকাও বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ এবং অন্যান্য একাডেমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে অতিরিক্ত শর্ত থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওজিএস-সংক্রান্ত নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।

আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে&mdash;

পূরণ করা অনলাইন আবেদনপত্র।

একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।

দুটি সুপারিশপত্র।

বৈধ পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র।

জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)।

মোটিভেশন লেটার বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপত্র।

স্বাস্থ্য সনদ।

আবেদন করবেন যেভাবে

প্রথমে পছন্দের বিষয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ ওয়েবপেজে যেতে হবে। সেখানে বৃত্তির আবেদনপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদনের শেষ সময় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আবেদনের সময়সীমা আলাদা হতে পারে। তাই আবেদন জমা দেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়সূচি দেখে নেয়া জরুরি।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 06:57:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118704" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118704</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালিত হবে। ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে জগন্নাথ হলে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোট ৪০জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ২৬জন শিক্ষার্থী এবং ১৪ জন অতিথি ও কর্মচারী ছিলেন। এ ঘটনায় অনেকে আহত হন। নিহত ছাত্র, কর্মচারী ও অতিথিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রতি বছর এই দিবসটি পালন করা হয়। এউপলক্ষ্যে আগামী ১৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান ভবন, সকল হল এবং হোস্টেলে কালো পতাকা উত্তোলন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো ব্যাজ ধারণ; সকাল সাড়ে ৭:৩০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোক র&zwnj;্যালি সহকারে জগন্নাথ হল স্মৃতিসৌধে গমন, পুস্পস্তবক অর্পণ এবং নীরবতা পালন; সকাল ৮টায় অক্টোবর স্মৃতি ভবনস্থ টিভি কক্ষে আলোচনা সভা; ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা সভা এবং বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ&rsquo;সহ সকল হল মসজিদে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত। এছাড়া, জগন্নাথ হল প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিহতদের তৈলচিত্র ও তৎসম্পর্কিত দ্রব্যাদি প্রদর্শন করা হবে।

ঐদিন সকালে জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে রক্তদান কর্মসূচি এবং সন্ধ্যা ৬:৩০টায় হল উপাসনালয়ে শোক সঙ্গীত ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হবে। এউপলক্ষ্যে জগন্নাথ হল প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় &lsquo;অক্টোবর স্মৃতি রচনা প্রতিযোগিতা ও &lsquo;অক্টোবর স্মৃতি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিত&rsquo; আয়োজন করা হবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 05:22:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গবেষণাগারের গণ্ডি পেরিয়ে এআই এখন দৈনন্দিন জীবনের অংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118684" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118684</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এআই মডেলগুলোতে বাংলা ভাষার সেবা ও উপস্থিতি বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, বাংলাদেশের মতো বদ্বীপীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও মাদকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈশ্বিক এআই মডেলগুলোতে আমাদের সমস্যাগুলো যথাযথভাবে স্থান পাওয়া দরকার। গতকাল শনিবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ আয়োজিত COMPAS ২০২৬- এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান এবং COMPAS ২০২৬-এর জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক স্বাগত বক্তব্য দেন। আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি-যখন কম্পিউটিং প্রযুক্তি প্রতিটি ক্ষেত্রকে আমূল বদলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এআই মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই গবেষণাগারের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। বিশাল আকারের ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো এখন খসড়া তৈরি, অনুবাদ এবং কোড লেখার কাজ করছে। এআই সিস্টেমগুলো মেডিকেল ইমেজ বিশ্লেষণ করছে, ফসলের পূর্বাভাস দিচ্ছে এবং কৃষকদের ফসল তোলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও এআই প্রোটিনের গঠন নির্ণয়, নতুন উপাদান আবিষ্কার এবং গবেষণার সময়কাল কমিয়ে আনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে। এছাড়া আমাদের কারখানা, বিদ্যুৎ গ্রিড এবং ঘরবাড়ির নেটওয়ার্কিং এআই-এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি কোনো দূরবর্তী বা কাল্পনিক ঘটনা নয়। আমরা ১৭-১৮ কোটি মানুষের জাতি; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের জন্য যেমন এক বিশাল সুযোগ বয়ে এনেছে, তেমনি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাস্তব ঝুঁকিও। তাই এআই যদি কেবল অন্য কোনো দেশে বা পরিবেশে তৈরি হয়, তবে তা মূলত সেই পরিবেশের প্রয়োজনেই গড়ে উঠবে&mdash;যেখানে প্রশিক্ষণ বা ডেটা হিসেবে ব্যবহৃত হবে অন্য ভাষা, অন্য হাসপাতাল, অন্য কৃষি-খামার ও অন্য নদ-নদীর তথ্য। অথচ বাংলা ভাষায় কথা বলেন ২৩ কোটিরও বেশি মানুষ; তা সত্ত্বেও বর্তমানের এআই ব্যবস্থাগুলোতে বাংলা ভাষার সেবা বা উপস্থিতি এখনো সীমিত। এ বিষয়ে কাজ করার জন্য তিনি গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং, অ্যাপ্লিকেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস সম্মেলনে ৩টি গ্রুপকে সেরা গবেষণা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 11 Oct 2026 08:27:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাকসু হল জিএসের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি শিক্ষার্থীদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118673" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/education/118673</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের মহড়া, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শিক্ষার্থীদের কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর জমা দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি তুলে ধরেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর অস্ত্রের মহড়া এবং দেশীয় অস্ত্রের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এর প্রতিবাদে হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে সেদিন সন্ধ্যায় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ জিয়াউর রহমান হলে প্রবেশ করে হামলা চালান। আরিফুল ইসলামকে না পেয়ে তাঁর কক্ষে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে আসা ৮ থেকে ১০ জন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। এতে কয়েকজন সাংবাদিক গুরুতর আহত হন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, অস্ত্রের মহড়া ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, তদন্ত কমিটি আরিফুল ইসলামকে উসকানিদাতা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করেছে। তবে এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে।

সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আহসান হাবিব ধারাবাহিকভাবে তাঁকে নিয়ে উসকানিমূলক পোস্ট করলেও তিনি বা অন্য কেউ এ বিষয়ে কোনো পোস্ট কিংবা মন্তব্য করেননি। পরে আরিফুল একটি পোস্ট দেন। এ কারণে তাঁকে সতর্ক করা বা তাঁর পরিবারের কাছে চিঠি পাঠানোর মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সরাসরি ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করা কোনোভাবেই যৌক্তিক বলে মনে করেন না তিনি।

শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহার এবং ক্যাম্পাসে অস্ত্রের মহড়া, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 11 Oct 2026 07:26:55 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
