<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.sunnews24x7.com/feed/international</id>
                                <link href="https://archive.sunnews24x7.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 23 Oct 2026 06:35:02 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সরকার বদলাতে চায় ইসরায়েল, বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119142" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও ইরানের সরকার পরিবর্তনের কথা সামনে এনেছেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই বক্তব্য নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভেতরে বড় ধরনের সামরিক ক্ষতি করার সক্ষমতা ইসরায়েলের থাকলেও, সেই শক্তিকে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ারে পরিণত করা অত্যন্ত কঠিন।

আকাশে শক্তির প্রদর্শন, কিন্তু লক্ষ্য অনেক দূরের : বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইসরায়েল চাইলে বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। দেশটির উন্নত যুদ্ধবিমান, দীর্ঘপাল্লার হামলা পরিচালনার সক্ষমতা এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এমন অভিযান পরিচালনা করা তাদের জন্য সম্ভব। তবে কেবল আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা যায় না। সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা গেলেও রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে, বিশেষ করে যখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও কার্যকর থাকে।

সরকার পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা : বিশ্লেষকদের মতে, সরকার উৎখাতের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শুধু বোমাবর্ষণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থল উপস্থিতিও প্রয়োজন হয়। ইতিহাস বলছে, রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য বহু সময় সেনা মোতায়েন, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দরকার হয়েছে।

ইরানের মতো বড় ও জনবহুল দেশে এমন অভিযান পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে সেখানে স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

গোপন অভিযান কতটা কার্যকর : ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অতীতে ইরানের ভেতরে বিভিন্ন গোপন অভিযান পরিচালনা করেছে বলে বহুবার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব নেটওয়ার্ক ও কৌশল বারবার ব্যবহার করলে সেগুলো উন্মোচিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।


ইসরায়েলের হাতে ইরানের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষতি করার সক্ষমতা থাকলেও, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানের ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে ফেলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


সাইবার হামলা কিংবা গোপন গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি করা সম্ভব হলেও, শুধুমাত্র এসব পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কার্যকর পথ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

ইরানও পুরোপুরি অসহায় নয়

সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোতে আঘাত পেলেও ইরান এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। দেশটির হাতে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হয়ে থাকতে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চল ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো ইরানের সামরিক সম্পদকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়। ফলে বড় ধরনের হামলার পরও দেশটি পাল্টা আঘাত হানার কিছু সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।

ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি চাপ

ইরানের তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইসরায়েলকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং অর্থনৈতিক ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ইসরায়েলের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র কি আবার সরাসরি যুক্ত হবে?

ইরানের গভীরে থাকা কিছু কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে যে ধরনের ভারী বাংকার-বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োজন, তার অনেকগুলোর সক্ষমতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের জন্য কিছু লক্ষ্যবস্তুতে কার্যকর হামলা চালানো কঠিন হতে পারে।

তবে মার্কিন রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় নতুন করে বড় সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সম্ভাব্য খরচ মার্কিন সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়া ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।

ইসরায়েলের কাছে ইরানে ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সামর্থ্য রয়েছে, এ বিষয়ে সন্দেহ কম। কিন্তু সামরিক সাফল্য আর রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন এক জিনিস নয়। ইরানের সরকার পরিবর্তনের মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু বিমান হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সামরিক-রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োজন হবে।

ফলে মূল প্রশ্নটি এখনও অমীমাংসিত: ইসরায়েল কি ইরানের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করতে পারবে, নাকি সত্যিই দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে? বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্লেষক দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিকেই বেশি অনিশ্চিত বলে মনে করছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 06:35:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে নতুন হামলার যৌথ পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119136" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119136</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্বাচন&mdash;একটিতে বসতে চলেছে মধ্যবর্তী ভোটের লড়াই, অন্যটিতে ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার আগে ইরানে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে ভোটপর্ব চুকলেই তেহরানের ওপর সর্বশক্তি দিয়ে চড়াও হওয়ার সুনির্দিষ্ট ছক কষে রেখেছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

সামরিক মহড়া ও গোপন পরিকল্পনার রূপরেখা : নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে দুই মিত্র দেশ। এই যৌথ কৌশলের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সামরিক মহড়ার পরিধি বাড়ানো হয়েছে এবং ইরাকি আকাশসীমা ব্যবহার করে আক্রমণের মহড়াও সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে পাড়ি জমিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন ও ইসরাইলি নেতৃত্ব আপাতত সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখলেও, তেহরানের কঠোর পাল্টা হুঁশিয়ারি এবং জ্বালানি বাজারের সম্ভাব্য অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বিকল্প এই আক্রমণ তালিকার মূল নিশানা হিসেবে রাখা হয়েছে ইরানের সংবেদনশীল জ্বালানি খাত, পারমাণবিক গবেষণাকেন্দ্র এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন গুদামগুলোকে।

সংশ্লিষ্ট নীতিপ্রণেতাদের একাংশের ধারণা, মাসকটে চলা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এমন একটি তীব্র আঘাত ইরানের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতে পারে এবং তেহরানকে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তহীনতা ও রাজনৈতিক সমীকরণ : তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কতটা সহজ হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির গবেষকরা। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত এই আগ্রাসনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এর আগেও চলতি বছরে বেশ কয়েকটি বড় মাপের সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকার পরও শেষ মুহূর্তে এসে তা আটকে দিয়েছিলেন তিনি।

চলতি মাসের শুরুর দিকেও বড় হামলার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।

আগামী নভেম্বরের গোড়ার দিকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তিনটি দৈত্যাকার বিমানবাহী রণতরী, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের বিশাল সমাবেশ ঘটাতে চলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে আগামী ২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ভোট পুরো পরিস্থিতির অঙ্ককে জটিল করে তুলেছে।

সাধারণ নির্বাচনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির রাজনৈতিক মাশুল এড়াতেই মূলত ভোটের আগে বড় কোনো সংঘাতে জড়াতে চাচ্ছেন না ট্রাম্প। তা সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথ থেকে সরাতে সমস্ত বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে।

তেহরানের পাল্টা আঘাতের ভয়ংকর হুঁশিয়ারি : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য এই আগ্রাসনের বিপরীতে তীব্র হুংকার ছেড়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, নতুন কোনো সামরিক ধকল তৈরি হলে তাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেল স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রয়োজনে শত্রুপক্ষের ডেটা সেন্টার এবং সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বয়ে চলা ইন্টারনেট কেবলগুলোকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

ইরানি নীতিনির্ধারকদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদির মতে, ওয়াশিংটন মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অভিযান শেষ করে ফেলবে&mdash;এমন ধারণা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও কাল্পনিক। এবারের প্রতিরোধ আগের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী ও ভিন্নধর্মী হবে।

তেহরানের কৌশলবিদদের আশঙ্কা, মাটির বহুতল গভীরে থাকা নাতানজ বা এজাতীয় পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হলে ইরান সরাসরি সৌদির বিশাল তেল শোধনাগুলোতে হামলা চালাবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা সরাসরি মার্কিন সাধারণ জনগণের পকেট ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করবে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:33:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যেভাবে ‘গ্রে জোন’ দিয়ে তাইওয়ানকে ঘেরাও করছে বেইজিং]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119133" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119133</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামরিক সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক ও সামুদ্রিক চাপ প্রয়োগের এই &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; কৌশল তাইওয়ানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে তোলার এক সুদূরপ্রসারী বেইজিংয়ের নীরব যুদ্ধ।

সরাসরি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাতের পথে না হেঁটে প্রতিপক্ষকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা করে ফেলার এক সুদূরপ্রসারী কৌশল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; বা ধূসর অঞ্চলের এই কূটনীতি এমন এক যুদ্ধবিহীন লড়াই, যেখানে কূটনীতি, সাইবার জগৎ, কোস্টগার্ডের উপস্থিতি এবং অর্থনৈতিক চাপকে একসঙ্গে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের সার্বভৌমত্বকে তিলে তিলে দুর্বল করে দেওয়া হয়।

ধূসর অঞ্চলের মূল দর্শন : বিশ্লেষকদের মতে, গ্রে জোন কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো এমন এক অদৃশ্য চাপ সৃষ্টি করা, যাকে সরাসরি কোনো আগ্রাসন বা যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ফলে আক্রান্ত রাষ্ট্রটি বুঝতে পারে না যে কখন তারা বড় কোনো সংকটের মুখে পড়ছে।

বেইজিং এই কৌশলের মাধ্যমে তাইওয়ানের চারপাশে নিয়মিত কোস্টগার্ডের উপস্থিতি, সাইবার তৎপরতা এবং কূটনৈতিক বয়কটকে একটি নিয়মে পরিণত করেছে। একেকটি ঘটনাকে আলাদা বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি ফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।

নজরদারি ও প্রশাসনিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চবক : তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলীয় জলসীমায় চীনা সরকারি জাহাজ ও কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কেবল সাধারণ নজরদারি নয়; এর নেপথ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য।

বারবার সমুদ্রসীমায় উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বেইজিং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে, ওই অঞ্চল তাদের কার্যকর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর ফলে তাইপের নিজস্ব জলসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কোণঠাসা অবস্থা : শুধু সামরিক বা সামুদ্রিক চাপই নয়, তাইওয়ানের বন্ধুরাষ্ট্র বা মিত্র দেশগুলোর ওপর কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক মাশুল গুনতে বাধ্য করার মতো ঘটনাগুলো এই কৌশলেরই অংশ। এর ফলে তাইপের পাশে দাঁড়াতে চাইলে তৃতীয় কোনো দেশও দ্বিধায় ভুগে থাকে।

বেইজিং মূলত এই ভীতির পরিবেশ তৈরি করেই তাইওয়ানকে বিশ্বমঞ্চে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে ফেলতে চায়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকদের মতে, এই নীরব ও বহুমুখী আগ্রাসন প্রতিহত করতে কেবল সামরিক প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়; এর জন্য সমমনা দেশগুলোর পারস্পরিক ঐক্য এবং দ্রুত ও যৌথ রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:22:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নভেম্বরে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119126" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119126</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নে বিরোধীদের এই আন্দোলন এবং ১ নভেম্বরের ঘোষিত কর্মসূচি আসন্ন শীতকালীন সংসদীয় অধিবেশনে বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে এবার আরও জোরালো ও দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে চলেছে বিরোধী দলগুলোর মঞ্চ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo;। উৎসবের মৌসুমে মাঠের কর্মসূচি কিছুটা শ্লথ হলেও বিরোধীরা যে তাদের অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। আগামী দিনে সরকারের ওপর চাপ দ্বিগুণ করতে বিশেষ কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সমমনা দলগুলো।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছেন জোটের শীর্ষ নেতারা : ছুটি ও উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই আন্দোলনের পরবর্তী অধ্যায় কেমন হবে, তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতাদের।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উদ্যোগে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে আগামী নভেম্বরের আন্দোলন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হতে পারে। নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেসব প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা, তা এদিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

পহেলা নভেম্বর দিল্লির রাজপথে বড় জমায়েত : নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগের দাবিকে সামনে রেখে আগামী পহেলা নভেম্বর রাজধানী দিল্লিতে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বিরোধী শিবির।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিল্লির ঐতিহ্যবাহী রামলীলা ময়দান থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের মূল কার্যালয় পর্যন্ত মার্চ করার কথা রয়েছে। আজকের বৈঠকে এই কর্মসূচি সফল করার পাশাপাশি দেশজুড়ে আন্দোলনের পরিধি কীভাবে বিস্তার লাভ করবে, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

অনড় অবস্থানে কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব : লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এর আগেই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, কাঙ্ক্ষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই থামবে না। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই আন্দোলনে তাদের অনমনীয় মনোভাব বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।

অন্যদিকে, সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবিও জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একাধিক বিকল্প কৌশল নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা চলছে। দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সফল মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আন্দোলনকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে এবং সরকারের ওপর বহুমুখী চাপ বজায় রাখতে সমমনা দলগুলো একসঙ্গেই পথ চলতে চায়।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে কেন্দ্র ও বিরোধীদের এই সংঘাত আগামী দিনে ভারতীয় রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সংসদের অন্দরের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলন&mdash;উভয় মাধ্যমকেই সমানভাবে কাজে লাগিয়ে বিরোধী জোট তাদের চাপ অব্যাহত রাখার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:03:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘আগামী তিন দশকেও দিল্লির মসনদে ফিরতে পারবে না কংগ্রেস’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119124" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119124</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের রাজনীতিতে আগামী ত্রিশ বছরও কংগ্রেস দলের পুনরুত্থানের কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি বিরোধীদের পক্ষ থেকে তোলা &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র অভিযোগকে একপ্রকার হারের গ্লানি ঢাকার খোঁড়া অজুহাত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার নিজের ৬২তম জন্মদিনে রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদী দূষণমুক্ত করার বিশাল অংকের এক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে একহাত নেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। একইসঙ্গে রাহুলের নিয়মিত বিদেশ সফর নিয়েও কড়া ভাষায় কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

দিল্লির যমুনা পরিচ্ছন্নতা মিশন উপলক্ষে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের সূচনা করেন অমিত শাহ। ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদেও কংগ্রেসের ক্ষমতার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসসহ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; জোটের আন্দোলনকে খুব একটা পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। উৎসবমুখর পরিবেশের কারণে বিরোধীদের মাঠের কর্মসূচি খানিকটা স্তিমিত হলেও এই সুযোগে রাহুল গান্ধীর বিদেশ ভ্রমণকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছেন শাহ।

কিছুদিন আগেই বিজেপির তরফ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছিল যে, আন্দোলন চলমান রেখেই রাহুল চার দিনের এক সফরে ভিয়েতনামে উড়ে গেছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে শাহ জন্মদিনের মঞ্চ থেকে মন্তব্য করেন, বিরোধী নেতার হয়তো এই বক্তব্য এখন শোনার সুযোগ নেই, কারণ তিনি আবারও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

তার ভাষায়, ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ না করলেও দিল্লি ফিরে আসার পর যেন এই রাজনৈতিক বাস্তবকথাটি মাথায় রাখেন রাহুল।

বিজেপির লাগাতার জয়ের ধারাকে হজম করতে না পেরেই বিরোধীরা এখন &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র বয়ান তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার দাবি, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই রাহুল গান্ধী ও তাঁর দল নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা নিয়ে অযৌক্তিক বিতর্ক তৈরি করছে।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ও জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে বলে পরিসংখ্যান টেনে মনে করিয়ে দেন শাহ। কেবল রাজপথে শোরগোল তুলে বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে জনমতের রায় বদলানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের মাটি কামড়ে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন বলেই তিনি রাজনৈতিক সমীকরণ ও নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে এত নিশ্চিত ভবিষ্যৎবাণী করতে পারেন, যার জন্য তাঁকে বারবার ভিনদেশে পাড়ি জমাতে হয় না। রাহুলের পাশাপাশি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির (আপ) কার্যপদ্ধতি নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:57:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘ইরান একটি প্রাচীন ও গর্বিত সভ্যতা, কোনো শক্তির কাছে কখনোই নতজানু হবে না’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119121" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119121</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমেরিকার সঙ্গে সম্মানজনক ও সমতার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এ প্রকাশিত এক মতামত কলামে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কূটনীতির পথ ছেড়ে তেহরানের ওপর নতুন করে কোনো সামরিক চাপ প্রয়োগ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

আব্বাস আরাকচি তার নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে, ওয়াশিংটনকে স্থায়ীভাবে শত্রুতা ও আগ্রাসী মনোভাব বাদ দিয়ে সত্যিকার সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে। প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ ইরান কোনো পরাশক্তির সামনে কখনো মাথা নত করবে না উল্লেখ করে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির এই কড়া বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে সামরিক আগ্রাসনের ক্ষেত্রে বড় বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি এবং অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার সাত দিনের প্রস্তাব&mdash;উভয় মিলিয়ে তেহরান কূটনৈতিক ও কঠোর অবস্থান&mdash;উভয় পথই একসঙ্গে খোলা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোলা রাখার কথা বলা হলেও যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার মতো সামরিক প্রস্তুতিও যে তাদের রয়েছে, সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মনোভাব প্রকাশ করেছেন দেশটির এই শীর্ষ কূটনীতিক।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে (জুন ২০২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং চলতি বছরের জুন মাস) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে যে হামলাগুলো চালিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন আরাকচি। বিশেষ করে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে সম্পূর্ণ ভুল মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে আগ্রাসন চালিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তেও হামলার ঘটনা ঘটার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এমন পরিস্থিতিতে তেহরান কীভাবে ওয়াশিংটনের নীতি বা প্রেসিডেন্টকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবে? মার্কিন প্রশাসনের শান্তি আলোচনার সদিচ্ছার ওপর যে তাদের গভীর অনাস্থা রয়েছে, তাও তিনি খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছেন।

এতসব তিক্ততা ও উদ্বেগের মধ্যেও আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়নি তেহরান। কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে শেষবারের মতো আরেকটি সুযোগ দিতে ইচ্ছুক ইরান। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে মধ্যস্থতাকারীদের মারফত ওয়াশিংটনের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন আরাকচি।

এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় সচল করা।

প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনার ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সপ্তম দিনে চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে গোটা অঞ্চলের দৈনন্দিন গতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী তেহরান।

তবে অঞ্চলটিতে নতুন করে যেকোনো সামরিক সংঘাত ঘটলে তা কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই নয়, বরং গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরম হুমকির মুখে ফেলে দেবে বলে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:32:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ড নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রশ্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119114" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119114</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধজুড়ে সৌদি আরবে কঠোর সাজার ধারাটি অত্যন্ত জোরালোভাবে বজায় রয়েছে। ইউরোপীয় সৌদি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস (ইএসওএইচআর)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসেই দেশটিতে ১০৮ জনের প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

বার্লিনভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের বার্ষিক পর্যবেক্ষণ বলছে, বৈশ্বিক পর্যায়ে এই শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সৌদি আরব বরাবরের মতো এবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে এবং বিশ্বজুড়ে এই পরিসংখ্যান ঊর্ধ্বমুখী রাখার পেছনে দেশটির বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে।

বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসনের সময়কাল হিসাব করলে দেখা যায়, চলতি বছরের শুরু পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা দুই হাজারে এসে ঠেকেছে। পূর্ববর্তী যেকোনো শাসনামলের তুলনায় এই সংখ্যা এক অভাবনীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

 


সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। &lsquo;তাআজির&rsquo; আইনের আওতায় দেওয়া এই শাস্তি বাস্তবায়নের ফলে সৌদি বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


জাতীয়তা এবং বিদেশি নাগরিকদের অনুপাত
ইএসওএইচআর-এর সংকলিত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সাজা কেবল স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং মোট ১৭টি ভিন্ন দেশের প্রবাসীরা এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রথম ছয় মাসে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৯ জন অর্থাৎ প্রায় ৫৪ শতাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, সৌদি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪৯ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ।

শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় সৌদি আরব ছাড়াও বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, সুদান, ইয়েমেন, সিরিয়া, জর্ডান, মিসর, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উগান্ডা, কেনিয়া, ইরাক, কুয়েত, বেনিন এবং আফগানিস্তানের নাম রয়েছে।

অপরাধের ধরন ও বিচারিক প্রক্রিয়া
সংস্থাটির প্রতিবেদন থেকে বিভিন্ন অপরাধের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়:

মাদক সংক্রান্ত অপরাধ: ৬৬ শতাংশ বা ৭১টি ক্ষেত্রে এই কারণ দেখিয়ে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের মামলা: ২৩ শতাংশ বা ২৫টি সাজা দেওয়া হয়েছে হত্যার দায়ে।

রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যু: ৮ শতাংশ বা ৯টি ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য কারণ: বাকি ৩ শতাংশ বা ৩টি ঘটনা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, বড় একটি অংশ অর্থাৎ প্রায় ৭৬ শতাংশের বেশি মৃত্যুদণ্ড এমন ঘটনায় দেওয়া হয়েছে যার সঙ্গে কোনো হত্যার ঘটনা যুক্ত ছিল না। এছাড়া, প্রায় ৭৭ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে বিচারকদের একক বিবেচনাভিত্তিক বা &#39;তাআজির&#39; আইনের অধীনে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি, প্রায় ৮৪ শতাংশ মামলার ক্ষেত্রেই ইএসওএইচআর কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার কাছে কোনো পূর্ব তথ্য ছিল না। এটি প্রমাণ করে যে বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা এখনও কাটেনি।

মাদক ও রাজনৈতিক মামলার প্রবণতা
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেও মাদক অপরাধের আধিক্য সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, সুদান ও ইয়েমেনের প্রবাসীরা এই ধারার শিকার হয়েছেন বেশি। অন্যদিকে, বিশেষায়িত আদালতের মাধ্যমে রাজনৈতিক বন্দীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে সৌদ আল-ফারাজ নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। এর আগে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ তার আটকাদেশকে নিয়মবহির্ভূত বলে ঘোষণা করেছিল। একইভাবে, গত এপ্রিল মাসে আলী আল-সুবাইতি নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যাঁর বিরুদ্ধে বয়সের বাল্যকালে মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বর্তমান বন্দীদের ওপর প্রভাব ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ইএসওএইচআর জানিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সের অপরাধের অভিযোগে এখনও অন্তত পাঁচজন তরুণ মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন। এ ছাড়া, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই কেবল চিন্তাভাবনা বা মতামত প্রকাশের জেরে আরও প্রায় ৪৯ জন একই হুমকির মুখে রয়েছেন। শেখ সালমান আল-আওদা এবং শেখ হাসান আল-মালিকির মতো পরিচিত ব্যক্তিত্বদের বিচার প্রক্রিয়াও বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে।

দেশের বিভিন্ন কারাগার যেমন&mdash;খামিস মুশাইত, নাজরান কিংবা তাবুকের ভেতরে ইথিওপীয়, সোমালীয় ও মিসরীয়সহ বহু বিদেশি বন্দি অত্যন্ত আতঙ্কজনক পরিবেশে দিন কাটাচ্ছেন। আইনি সহায়তা না পাওয়া, দোভাষীর অভাব এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

সবশেষে, সাম্প্রতিক সময়ে মক্কার একটি পবিত্র মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শরিয়াহ আইনের &#39;তাআজির&#39; নীতির আওতায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে আদালত এই চূড়ান্ত রায় দেন। আন্তর্জাতিক মহলের নানা আপত্তি এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন তাদের এই কঠোর বিচারিক ধারা থেকে সরে আসেনি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:46:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হুতিদের হামলার মুখে সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119108" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119108</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইয়েমেনে হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরবের বিমান চলাচল খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ভ্রমণে আগ্রহী ধনী ব্যক্তি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর প্রভাবে আকাশছোঁয়া হয়েছে উড়োজাহাজ ভাড়ার খরচ।

বিমান পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত জেটের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদার তুলনায় উড়োজাহাজের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ায় ভাড়ার হারও দ্রুত বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কয়েকটি আন্তর্জাতিক অপারেটর সৌদি আরবে তাদের কার্যক্রম সীমিত বা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে বাজারে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে এসেছে। প্রতিযোগিতা হ্রাস পাওয়ায় অবশিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বেশি ভাড়া নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে রিয়াদ থেকে সরাসরি যাত্রার সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেকে বিকল্প বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন। রাজধানী থেকে দূরে অবস্থিত বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে ইউরোপ, উপসাগরীয় অঞ্চল ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে যাতায়াতের চেষ্টা চলছে। ফলে এসব বিমানবন্দরে যাত্রীচাপও বেড়েছে।

বিমান চলাচল বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির পর সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্য থেকে নির্ধারিত হাজার হাজার বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে নিয়মিত যাত্রীদের অনেকেই বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

যাঁদের ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের সামর্থ্য নেই, তাঁদের মধ্যে অনেকে সড়কপথে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইন কিংবা কাতারে গিয়ে সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী যাত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বাড়ছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কয়েকটি কোম্পানি সৌদি আরবে কর্মরত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। এ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিভিন্ন করপোরেট গ্রুপ। অনেক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুবাই অথবা নিজ নিজ দেশে সাময়িকভাবে স্থানান্তর করা।

খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ভাড়া বৃদ্ধিই নয়, যুদ্ধঝুঁকি বিমার খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যয় যুক্ত হওয়ায় মোট খরচ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বড় আকারের উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ব্যয় কয়েক হাজার ডলার থেকে কয়েক দশ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করলেও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েনি। তুলনামূলক নিরাপদ গন্তব্যগুলোতে বিমান চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে এবং আঞ্চলিক ভ্রমণের চাহিদাও অনেকাংশে বজায় আছে। তবুও নিরাপত্তা শঙ্কা এবং অনিশ্চয়তার কারণে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যয় বেড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও ভ্রমণ খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

সার্বিকভাবে হুতি হামলার প্রভাব সৌদি আরবের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট সংকুচিত হওয়া, ব্যক্তিগত জেটের সীমিত প্রাপ্যতা এবং বাড়তি নিরাপত্তা ব্যয়ের কারণে যাত্রীদের এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি খরচ করে ভ্রমণ করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বদর চুক্তিতে এক হলো চার মুসলিম দেশ, জোরদার হচ্ছে প্রতিরক্ষা জোট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119106" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119106</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা এবং প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন এক সমঝোতায় পৌঁছেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। &lsquo;বদর সমঝোতা স্মারক&rsquo; নামে পরিচিত এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে চার দেশের প্রতিনিধিরা এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। উদ্যোগটির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলা।

চুক্তির আওতায় সামরিক উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি, উদ্ভাবনী সামরিক সরঞ্জাম এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিশ্বাস, এই সহযোগিতা সদস্য দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব সামরিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে জ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত সক্ষমতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

সামরিক শক্তির দিক থেকে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে। উত্তর আটলান্টিক জোট বা ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেশটির কৌশলগত গুরুত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষভাবে স্বীকৃত। উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কাতারে তুরস্কের একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিও পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বদর সমঝোতা শুধু প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের উদ্যোগ নতুন বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের আগস্ট মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা &lsquo;মক্কা চুক্তি&rsquo; নামে পরিচিত। ওই চুক্তিতে কোনো সদস্য রাষ্ট্র বাহ্যিক সামরিক আগ্রাসনের মুখে পড়লে অন্য সদস্যরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করে।

নতুন বদর সমঝোতা স্মারককে মুসলিম বিশ্বের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সামরিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

সান নিউজ/ রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেরা শুরু হচ্ছে ডিভি লটারি: কবে আবেদন, কারা পারবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119092" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119092</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন শুরু না হওয়ায় করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি প্রকাশ এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে হবে।

গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ নির্দেশ দেন। পরে সংশোধিত সময়সূচিতে নিবন্ধন শুরুর শেষ সময় ১ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়। নিবন্ধন অন্তত ৩০ দিন চালু রাখার নির্দেশও রয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি ও অভিবাসনবিষয়ক সূত্রের।

তবে ২০২৭ সালের ডিভি লটারির নিবন্ধন এখনো শুরু হয়নি। আবেদন শুরুর তারিখ, শেষ তারিখ, অংশগ্রহণকারী দেশের তালিকা এবং আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

কেন আদালতের নির্দেশ

ডিভি লটারির নিবন্ধন শুরু না হওয়ায় রেড ঈগল ল নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে মামলা করে। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে আবেদন গ্রহণ শুরু না করায় কংগ্রেস অনুমোদিত কর্মসূচিটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। এতে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের পাশাপাশি ডিভি লটারিসংক্রান্ত আইনি সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।

সরকারের পক্ষ থেকে সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর নিবন্ধন শুরু করলে কর্মসূচির বিধিবিধান নিয়ে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা তুলে ধরা হয়। তবে আদালতের নির্দেশে নিবন্ধন কার্যক্রম চালুর জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কারা আবেদন করতে পারবেন

ডিভি লটারিতে আবেদন করার সুযোগ মূলত যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলক কম অভিবাসী পাঠায় এমন দেশগুলোর যোগ্য নাগরিকদের জন্য। তবে কোন দেশের মানুষ আবেদন করতে পারবেন, তা সংশ্লিষ্ট বছরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনায় নির্ধারণ করা হয়। তাই ২০২৭ সালের লটারিতে কোন কোন দেশ যোগ্য হবে, তা নিশ্চিত হতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত তালিকা দেখতে হবে।

সাধারণত আবেদনকারীর জন্মদেশের ভিত্তিতে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রীর জন্মদেশ কিংবা বাবা-মায়ের জন্মদেশের ভিত্তিতেও যোগ্যতা বিবেচিত হতে পারে।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সাধারণত উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সম্পন্ন করতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় গত পাঁচ বছরের মধ্যে অন্তত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও যোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব হতে পারে।

আবেদন করবেন যেভাবে

ডিভি লটারির আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে জমা দিতে হয়। নিবন্ধন চালু হলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে।

আবেদনের জন্য কোনো এজেন্ট নিয়োগ বাধ্যতামূলক নয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন নিজেই সম্পন্ন করা যায়। একই ব্যক্তি এক নিবন্ধন পর্বে একাধিক আবেদন করলে অযোগ্য হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া নিশ্চিতকরণ নম্বর সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

লটারিতে নাম উঠলেই গ্রিন কার্ড নয়

ডিভি লটারিতে নির্বাচিত হওয়া মানেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়া নয়। নির্বাচিত ব্যক্তিকে শিক্ষাগত যোগ্যতা বা কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ, প্রয়োজনীয় নথি জমা, সাক্ষাৎকার এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইসহ নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। সব শর্ত পূরণ করলেই কেবল ভিসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ডিভি কর্মসূচির আওতায় আইন অনুযায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা বরাদ্দের বিধান রয়েছে। তবে নির্বাচন, ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা এবং শেষ পর্যন্ত ভিসা ইস্যু করা পৃথক ধাপ।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 11:12:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিসরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১৩ পর্যটক নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119067" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119067</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিসরের রাজধানী কায়রোর পশ্চিমাঞ্চলে একটি বড় ট্রাকের সঙ্গে পর্যটকবাহী বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৪ জন। হতাহতদের মধ্যে দেশি ও বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আল-আহরামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) কায়রো-আসিয়ুত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই প্রাণহানির পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হন।

এএফপির এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বাস ও ট্রাকের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ক্রেনের সাহায্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে ভাঙা ইস্পাত ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ।

সংবাদদাতার বর্ণনা অনুযায়ী, সড়কের পাশে যাত্রীদের আসন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল। এ ছাড়া ট্রাকের পেছনের অংশেও বাসের ভাঙা অংশ আটকে থাকতে দেখা যায়।

আল-আহরামের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আহতদের গিজার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মিসরে সড়ক দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যানবাহনের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং ট্রাফিক আইন প্রয়োগে দুর্বলতাকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মিসরজুড়ে প্রায় ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সিনাই অঞ্চলে একটি বাস দুর্ঘটনায় ১০ জন জর্ডানীয় পর্যটকসহ মোট ২২ জন নিহত হন। এ ছাড়া গত আগস্টে উত্তর মিসরে কৃষিশ্রমিক বহনকারী দুটি পিকআপ ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও ছিল।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:23:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119068" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119068</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি ইরানে যান।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঈসমাইল বাগেই সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে অসিম মুনিরের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পাকিস্তান ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা যখন কার্যত অচলাবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময়েই তেহরানে গেলেন অসিম মুনির। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অনিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন। তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান এই নৌপথ বন্ধ করে দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকে সেখানে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাঁচ থেকে সাতটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। গত জুনে ইসলামাবাদের উদ্যোগে দুই দেশ স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।

সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এবার পঞ্চমবারের মতো তেহরান সফরে গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। তার এই সফর দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় নতুন কোনো অগ্রগতি আনতে পারে কি না, সেদিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:23:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম : রুবিও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119069" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119069</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকার কট্টরপন্থি শিয়া ধর্মীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তেহরানের সঙ্গে সমঝোতা কিংবা স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ইরানের শাসকদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো বেশ কঠিন। তার ভাষ্য, ইরানি নেতৃত্ব দক্ষ আলোচক নয় এবং তারা কট্টরপন্থি শিয়া ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

রুবিও আরও বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা ধর্মীয় আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় দেশটির সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। সংঘাতের প্রথম দিন থেকেই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে ইরান। এর জবাবে ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের ফলে গত আট মাস ধরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংঘাত বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দফায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। গত জুনে &lsquo;ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক&rsquo; নামে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। তবে এসব উদ্যোগের কোনোটিই স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন রুবিও। তিনি এ ধরনের হামলাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন বলে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে ইরানের কৌশলের সঙ্গে নাৎসি জার্মানির সাবমেরিন হামলার তুলনা করেন তিনি।

রুবিও বলেন, ইরান প্রকাশ্যে বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিচ্ছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিরল ঘটনা। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে সম্প্রতি তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে ঘালিবাফ জানান, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ সাতটি শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরেছে তেহরান। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু করতে ইরান রাজি নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:22:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে সেনাসদস্য মোতায়েনের ঘোষণা ফ্রান্সের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119078" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119078</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনা মোকাবিলায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু।

মঙ্গলবার ফ্রান্সের পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে লেকর্নু জানান, আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরের দাঙ্গাপ্রবণ এলাকায় ব্যাপকভাবে সেনা মোতায়েন করা হবে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পরিসরে অভিযান চালানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ অক্টোবর প্যারিস, মার্সেই, লিওঁসহ বিভিন্ন শহরে সংঘটিত দাঙ্গা ও লুটপাটের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজও পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা জানান। শহরের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারায় সরকারের কৌশল পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কারফিউ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার

ফ্রান্সের চলমান পরিস্থিতিকে &lsquo;সহিংসতা বনাম প্রজাতন্ত্রের&rsquo; লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেছেন লেকর্নু। এ অস্থিরতার জন্য তিনি উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন। তবে এসব গোষ্ঠীর দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জনসেবার মান কমে যাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, সরকার তা যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।

বিভিন্ন শহরের অস্থিরতাপ্রবণ এলাকায় ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্যও প্রযোজ্য কারফিউ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

পার্লামেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী সপ্তাহান্তে নেওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেন। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি, পুলিশের অপর্যাপ্ত ও অকার্যকর মোতায়েন এবং পূর্বনির্ধারিত ছুটি বাতিল না করার মতো সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাধা সৃষ্টি করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজও এসব ব্যর্থতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে নিজের দায় স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘটে যাওয়া পরিস্থিতির জন্য তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত।

তদন্ত কমিশন গঠন, গোয়েন্দা নিয়োগ

অস্থিরতার কারণ অনুসন্ধানে পার্লামেন্ট একটি তদন্ত কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা জোরদার করতে ২০০ জন গোয়েন্দা নিয়োগ করেছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার লিমোজেস শহরের ঐতিহাসিক টাউন হলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দাঙ্গার সময় আগুনে ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি তালিকায় ছিলেন এবং একটি উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত।

এদিকে, প্যারিসের রেনেসাঁ দলের আইনপ্রণেতা সিলভেইন মেইলিয়ার্ড রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কিছু মোবাইল অ্যাপ দাঙ্গাকারী ও লুটপাটকারীদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, অ্যাপগুলো এক ধরনের &lsquo;ওয়াকি-টকি&rsquo; ব্যবস্থার মতো কাজ করছে।

অর্থনীতি ও ব্যবসায় প্রভাব

চলমান অস্থিরতার প্রভাব ফ্রান্সের অর্থনীতিতেও পড়ছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ায় দেশটির ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের ইল্ডও গত ২৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুপারমার্কেট প্রতিষ্ঠান ক্যারেফোর জানিয়েছে, চুরি ও ভাঙচুরের কারণে তাদের কয়েক কোটি ইউরো ক্ষতি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন বলেও বর্ণনা করেছে।

নতুন করে বিক্ষোভের ডাক

ফ্রান্সের প্রধান ছাত্র সংগঠন ইউএনইএফ আগামী শনিবার আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, দেশটির শিক্ষাব্যবস্থার মান কমছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়নের অভাব রয়েছে। এ কারণে তারা সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে &lsquo;হলুদ ভেস্ট&rsquo; আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি গোষ্ঠীও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রথম মেয়াদে পেট্রোলের ওপর কর বাড়ানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদে &lsquo;হলুদ ভেস্ট&rsquo; আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সে সময় মাসের পর মাস সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের মুখে সরকারকে বিভিন্ন আর্থিক ছাড় দিতে হয়েছিল।

বর্তমানে ফ্রান্সসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। ইতালি ও আলবেনিয়াতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাজেট সংকটের মধ্যে নতুন করে আর্থিক ছাড় দেওয়া ফরাসি সরকারের জন্য কঠিন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:20:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মণিপুরে ফের রক্তক্ষয়ী সহিংসতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119061" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119061</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে সহিংসতার বিস্ফোরণে আবারও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান জাতিগত উত্তেজনার মধ্যে সর্বশেষ রক্তক্ষয়ী ঘটনায় অন্তত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ মানুষের প্রতিবাদে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সরকারি এলাকা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার গভীর রাতে পৃথক দুটি ঘটনায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে এমন এক এলাকায়, যেখানে মেইতেই এবং পাঙ্গাল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস বেশি। সেখানকার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুরুতে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলেও পরে তা পাথর নিক্ষেপ ও গোলাগুলিতে রূপ নেয়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়।

একই রাতে দ্বিতীয় ও আরও প্রাণঘাতী ঘটনাটি ঘটে ইম্ফল পূর্ব জেলার খামেনলক এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পাহাড়ি এলাকায় যাওয়া কয়েকজন গ্রামবাসীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।

এছাড়া আরও কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। হামলার জন্য উপজাতীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা, যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংগঠনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়নি।

চারজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। শত শত মানুষ মরদেহ নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে গিয়ে জড়ো হন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, এলাকার নিরাপত্তা জোরদার এবং সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বিক্ষোভ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। কিছু সময়ের জন্য পুরো এলাকা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

 




ভারতের মণিপুর রাজ্যে সহিংসতায় একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় । ছবি এএনআই


 

এদিকে সহিংসতার খবর পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী এন. বীরেন সিং আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের দ্রুত ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ঘটনার পূর্ণ তদন্ত এবং দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একাধিক বিধায়ক ও রাজনৈতিক নেতা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার সমালোচনা করে বলেছেন, সহিংসতা-প্রবণ এলাকাগুলোতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। তারা দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত কিছু ক্যাম্প ও অবস্থান পুনর্বিবেচনারও দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে ভূমি, সংরক্ষণ সুবিধা এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বসহ বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে ভয়াবহ জাতিগত সহিংসতায় রূপ নেয়। এরপর থেকে মণিপুরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। দীর্ঘ এই সংঘাতে ইতোমধ্যে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই সহিংসতা রাজ্যে বিদ্যমান অবিশ্বাস ও বিভক্তিকে আরও গভীর করে তুলতে পারে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃত্বকেও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মণিপুরের সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনা, অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায়, সংঘাতের এই নতুন অধ্যায় রাজ্যটিকে আরও অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 15:54:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কানাডার সঙ্গেই থাকার পক্ষে রায় দিল অধিকাংশ মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119058" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119058</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কানাডার রাজনীতি ও জাতীয় ঐক্যের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় তৈরি করল আলবার্টা প্রদেশের সাম্প্রতিক গণভোট। প্রদেশটির ভবিষ্যৎ এবং কানাডা ফেডারেশনের সঙ্গে এর সম্পর্ক কেমন হবে&mdash;তা নির্ধারণে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে শেষ পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের রায় জানিয়েছেন আলবার্টাবাসী। প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক ফলাফল অনুযায়ী, উগ্র বিচ্ছিন্নতাবাদের পথ পরিহার করে সিংহভাগ মানুষ কানাডার সঙ্গেই থাকার পক্ষে তাদের স্পষ্ট এবং জোরালো অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

গণভোটের রায়: সংখ্যা কী বলছে

নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, আলবার্টার ভোটারদের একটি বিশাল অংশ দেশের অখণ্ডতার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
&bull; ফেডারেশনের পক্ষে রায়: প্রায় ৭৬.৪% থেকে ৭৭% ভোটার কানাডার অংশ হিসেবেই আলবার্টার ভবিষ্যৎ দেখতে চান বলে রায় দিয়েছেন।

&bull; বিচ্ছিন্নতার পক্ষে রায়: অন্যদিকে, প্রায় ২৩% থেকে ২৩.৬% ভোটার প্রদেশটির স্বাধীনতা বা ফেডারেশন থেকে আলাদা হওয়ার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
যদিও এই ফলাফল এখনও প্রাথমিক এবং অনানুষ্ঠানিক, তবে দুই পক্ষের ভোটের ব্যবধান এতই বেশি যে চূড়ান্ত ফলাফলে মূল ধারার কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী ২৯ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই গণভোটের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

কী ছিল এই গণভোটের মূল প্রশ্ন

অনেকেই মনে করতে পারেন এটি হয়তো সরাসরি কানাডা থেকে আলবার্টার সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের ভোট ছিল। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। এবারের গণভোটের মূল প্রশ্নটি ছিল মূলত একটি আইনি প্রক্রিয়ার সূচনা নিয়ে।

                                             

ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল&mdash;ভবিষ্যতে কানাডা থেকে আলবার্টার সম্পূর্ণ স্বাধীনতার বিষয়ে কোনো &#39;বাধ্যতামূলক বা চূড়ান্ত গণভোট&#39; আয়োজন করার জন্য প্রাদেশিক সরকার আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে কি না। ফলে, এটি ছিল মূলত বিচ্ছিন্নতার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জনগণের মনোভাব বোঝার একটি পরীক্ষা, যেখানে অধিকাংশ মানুষই &#39;না&#39; সূচক রায় দিয়েছেন।

কেন এই গণভোট এবং এর পেছনে মানুষের আবেগ

আলবার্টার এই গণভোট রাতারাতি কোনো আবেগের ফসল ছিল না। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন।

&bull; অর্থনৈতিক অসন্তোষ: আলবার্টা মূলত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ একটি প্রদেশ। বছরের পর বছর ধরে প্রদেশটির একটি বড় অংশের মানুষের মনে ক্ষোভ ছিল যে, তাদের উৎপাদিত সম্পদ থেকে কেন্দ্রীয় সরকার (ওটাওয়া) প্রচুর রাজস্ব পেলেও আলবার্টার স্বার্থ সুরক্ষায় বা তাদের অর্থনৈতিক সংকটে ফেডারেল সরকার সবসময় উদাসীন থেকেছে।

&bull; রাজনৈতিক দূরত্ব: ওটাওয়ার মূল ধারার দলগুলোর পরিবেশ নীতি এবং কার্বন ট্যাক্সের মতো বিষয়গুলো আলবার্টার জ্বালানি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে স্থানীয়রা মনে করেন। এই &#39;আঞ্চলিক অবহেলা&#39; বা &#39;ওয়েস্টার্ন অ্যালিয়েনেশন&#39; থেকেই মূলত বিচ্ছিন্নতাবাদী সুর চড়া হতে শুরু করে।
তবে ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ক্ষোভ বা অসন্তোষ থাকলেও আলবার্টার সিংহভাগ মানুষ মনে করেন যে, কানাডার ভেতরে থেকেই আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব, আলাদা হয়ে নয়।

ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে এর প্রভাব কী

এই গণভোটের ফলাফল আলবার্টার প্রাদেশিক রাজনীতি এবং সামগ্রিকভাবে কানাডার ফেডারেল রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে:

1. বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির ধাক্কা: যারা আলবার্টাকে কানাডা থেকে আলাদা করার এজেন্ডা নিয়ে রাজনীতি করছিলেন, এই ফলাফল তাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। জনগণ স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা অর্থনৈতিক সংস্কার চান, কিন্তু দেশের মানচিত্র ভাগ করতে চান না।

2. কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য বার্তা: যদিও বিচ্ছিন্নতার প্রস্তাব বিপুল ভোটে হেরে গেছে, তবুও ২৩ শতাংশের বেশি মানুষের আলাদা হওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়াটা ওটাওয়ার জন্য একটি সতর্কবার্তা। আলবার্টার মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসন্তোষকে কেন্দ্রীয় সরকার যদি গুরুত্ব না দেয়, তবে এই ক্ষোভ ভবিষ্যতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

3. ঐক্যের নতুন সুযোগ: এই রায়কে কানাডার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন ফেডারেশনকে আরও শক্তিশালী করার একটি সুযোগ হিসেবে। আলবার্টার মানুষের মনের ক্ষোভ দূর করতে এখন ওটাওয়া এবং এডমন্টন (আলবার্টার রাজধানী) কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে, সেটিই দেখার বিষয়।

ফেডারেশনের পক্ষে আসা এই বিপুল রায় প্রমাণ করে যে, দিনশেষে আলবার্টাবাসী নিজেদের পরিচয়ের ক্ষেত্রে কানাডিয়ান মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যকেই বেছে নিয়েছেন। তবে এই রায়ের পর কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল, যাতে আলবার্টার সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের অবহেলার অনুভূতিগুলো দ্রুত দূর করা সম্ভব হয়।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 10:02:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্যারিস শিগগিরই মুসলিম শহরে পরিণত হবে : ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119052" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119052</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান শিবির যখন তীব্র রাজনৈতিক চাপে রয়েছে, ঠিক সেই সুযোগেই ফ্রান্সের সাম্প্রতিক নাগরিক অস্থিরতাকে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গতকাল সোমবার ক্যানসাস অঙ্গরাজ্যের একটি জনসভায় ফরাসি পরিস্থিতির অত্যন্ত কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন হোয়াইট হাউসের এই প্রধান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, একদল অভিবাসী, উগ্রপন্থী এবং কমিউনিস্ট শক্তি যৌথভাবে ফ্রান্সজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। নিজের দেশের সীমানায় এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হতে দেবেন না বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ট্রুথ সোশ্যালে কড়া বার্তা ও পুরোনো কথোপকথনের অবতারণা : এদিন দিনের শুরুতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ দেওয়া এক পোস্টে ৮০ বছর বয়সি মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, অভিবাসীদের কারণে ফ্রান্সের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়েছে এবং দেশটির অবিলম্বে সীমান্ত সিল করা উচিত।

এছাড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে তাঁর পুরোনো একটি আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প জানান, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনিয়ন্ত্রিত মানুষজনকে দেশের ভেতরে ঢুকিয়ে ফরাসি প্রশাসন অনেক আগেই বড় ভুল করেছে বলে তিনি সতর্ক করেছিলেন।

উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে গত সপ্তাহের শেষে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে যে সাধারণ বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বেশ কিছু স্থানে লুটপাট ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে সোমবার ফরাসি কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু এলাকায় আংশিক কারফিউ জারি করতে বাধ্য হয়।

মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার সংকট থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও, পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যকার সেই সংঘর্ষের দৃশ্যগুলোকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক এজেন্ডা প্রমাণের মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন। উল্লেখ্য, এই কঠোর অভিবাসনবিরোধী নীতিকে পুঁজি করেই তিনি অতীতে নির্বাচনে জয়লাভ করে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতা দখল করেছিলেন।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, অভিবাসীদের কারণে  

ফ্রান্সের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়েছে এবং দেশটির অবিলম্বে সীমান্ত সিল করা উচিত।&rdquo;

অভ্যন্তরীণ ফায়দা হাসিলে ইউরোপকে ব্যবহারের কৌশল : জার্মান মার্শাল ফান্ডের জ্যেষ্ঠ গবেষক জে.সি. লিন্টজেনিখের মতে, মার্কিন রাজনীতিকরা ফরাসি এই সংকটের মুহূর্তটিকে নিজেদের নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার হাতিয়ার হিসেবে পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছেন। আগামী ৩ নভেম্বরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমত জরিপগুলোতে ডেমোক্রেটিক পার্টি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।

এই ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে। হাতে মাত্র দুই সপ্তাহ সময় থাকায় ভোটারদের মন জয় করতে রিপাবলিকান ও &lsquo;মাগা&rsquo; (মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন) আন্দোলনের পক্ষে সব ধরনের কৌশল আঁকড়ে ধরেছেন ট্রাম্প।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক জাস্টিন ভাইস মনে করেন, &lsquo;মাগা&rsquo; আন্দোলনের জন্মলগ্ন থেকেই ইউরোপীয় ভূখণ্ডের বিভিন্ন ঘটনাকে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক লড়াইয়ের বর্ধিত মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। ফলে ফরাসি জনপদে এই ধরণের আকস্মিক অস্থিরতা তৈরি হওয়া মানেই উগ্র-ডানপন্থী রাজনৈতিক যন্ত্রের চাকা আরও দ্রুত সচল হয়ে ওঠা।

ফরাসি সহিংসতার বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জে.ডি. ভ্যান্স এক্স হ্যান্ডলে মন্তব্য করেন যে, পশ্চিমা উদারপন্থী রাজনীতিকরাই তৃতীয় বিশ্বের লোকজনকে ফ্রান্সে আমন্ত্রণ জানিয়ে এনেছেন এবং মূলধারার সমাজব্যবস্থার সঙ্গে তাদের মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছেন।

এছাড়া গ্লেন বেক, বেনি জনসন কিংবা নিক সর্টরদের মতো প্রভাবশালী মার্কিন ডানপন্থী ব্যক্তিত্বরাও একই সুরে সুর মিলিয়ে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদেরই ইউরোপের বর্তমান আত্মপরিচয় সংকটের জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস-এর প্যারিস কার্যালয়ের প্রধান এবং জ্যেষ্ঠ নীতি গবেষক সিলিয়া বেলিনের মতে, হোয়াইট হাউসের এই ধরনের মন্তব্য মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিরই কদর্য বহিঃপ্রকাশ। ইউরোপের উগ্র-জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে প্রকাশ্যে সমর্থন জোগাতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর সহযোগীরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে এই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:05:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119055" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119055</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রক্ষমতায় সাবেক সেনাপ্রধান প্রাবোও সুবিয়ান্তোর দুই বছর পূর্ণ হওয়ার এই বিশেষ দিনে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার মেয়াদকাল দু&rsquo;বছর ছুঁইছুঁই করার এই মুহূর্তটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক জনমত সমীক্ষায় বর্তমান নেতার জনসমর্থন বা গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়ার পরপরই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নতুন করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। জাকার্তা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধ করতে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজপথে সাড়ে নয় হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

শেয়ার বাজারের ধস, দাবানল ও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি : জাকার্তা পুলিশের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিশ্চিত করেছেন যে, অন্তত দুটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। দেশের ঐতিহ্যবাহী ইউনিভার্সিটি অব ইন্দোনেশিয়ার শিক্ষার্থীরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ দাবানলের প্রকোপ এবং শেয়ার মার্কেটে লাগাতার পতনের প্রতিবাদে তারা রাজপথে নামছেন। তাদের সুনির্দিষ্ট অভিমত হলো&mdash;পুঁজিবাজারের এই ধস এবং জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন মূলত দেশীয় অর্থনীতির ভঙ্গুর ও দুর্বল কাঠামোরই স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।

যদিও এই বিক্ষোভ মিছিলে ঠিক কত সংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নিতে পারেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে শিক্ষাঙ্গনের পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ক্রমেই সোচ্চার হয়ে উঠছে।

এর অংশ হিসেবে দেশের অন্যতম প্রধান পরিবেশবাদী সংস্থা &lsquo;গ্রিনপিস&rsquo;-এর কর্মীরা জাকার্তার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে বিশাল আকৃতির একটি প্রতিবাদী ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ওই ব্যানারে বর্তমান প্রশাসনের উদ্দেশে পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, অবিলম্বে জলবায়ু সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।

জনপ্রিয়তার দ্রুত পতন ও অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে সংশয় : ২০২৪ সালের ঠিক এই দিনে অর্থাৎ ২০ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাষ্ট্রীয় শপথ গ্রহণ করেছিলেন প্রাবোও সুবিয়ান্তো। সশস্ত্র বাহিনীর এই অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল বিগত জাতীয় নির্বাচনে বেশ বড় ধরনের ব্যবধানে এবং নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।

তবে গত দুই বছরের কার্যকাল শেষে বর্তমানে তাকে সাধারণ জনগণ, শীর্ষ ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন করে আস্থা অর্জনের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তার বহুচর্চিত উচ্চাভিলাষী এবং জনতুষ্টিবাদী বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারের সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে এখন শুধু রাজনৈতিক বিরোধীরাই নন, বরং খোদ তার নিজ দল ও জোটের সমর্থকরাও গভীর দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্বাধীন গবেষণা ও জরিপ প্রতিষ্ঠান &lsquo;সাইফুল মুজানি রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিং&rsquo; (এসএমআরসি)-এর সদ্য প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের শেষ প্রান্তিক থেকেই প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর জনপ্রিয়তার গ্রাফ ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে।

গত বছরের নভেম্বরের দিকে যেখানে তার কাজের অনুমোদনের হার ছিল আকাশচুম্বী প্রায় ৮১ শতাংশের ওপরে, সেখানে সাম্প্রতিক অক্টোবরের জরিপে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে মাত্র সাড়ে চুয়াল্লিশ শতাংশে ঠেকেছে। বর্তমান প্রশাসনের পুরো মেয়াদে এটিই তাঁর সর্বনিম্ন জনসমর্থনের রেকর্ড।

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসেও ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বেশ বড় ধরনের নাগরিক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল, যে সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে কয়েকশ মানুষকে কারাবন্দি করা হয়েছিল। এছাড়া পূর্ববর্তী বছরগুলোতেও ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে এক মোটরচালকের মর্মান্তিক মৃত্যুর জেরে পুরো ইন্দোনেশিয়াজুড়ে তীব্র গণরোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। তৎকালীন সেই রক্তক্ষয়ী ও উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতি মাথায় রেখেই বর্তমান সরকার সম্ভাব্য যে কোনো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে।


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:04:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উগ্রপন্থী ও ইসলামবিদ্বেষী লো পেনের সামনে সুগম হচ্ছে ক্ষমতার পথ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119045" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119045</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফ্রান্সের ইতিহাসে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে ভয়াবহ নাগরিক অস্থিরতা ও তীব্র সামাজিক ক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। মেয়াদের অন্তিম পর্যায়ে এসে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব এবং জনশৃঙ্খলার ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। প্রায় এক দশক আগে ক্ষমতায় বসার সময় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ও সুদৃঢ় নেতৃত্বের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ফরাসি নেতা, বর্তমান বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ক্রমবর্ধমান আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং বিভক্ত সংসদের বাস্তবতায় মাখোঁ এখন কার্যত একজন ক্ষমতাহীন রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।

তিন ভাগে বিভক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ব্লকের অনড় অবস্থানের

ফলে দেশটি এখন এক গভীর রাজনৈতিক অচলাবস্থার মারপ্যাচে বন্দি।

রাজপথের সহিংসতা ও সরকারি কোষাগারের শূন্যতা
গত শনিবার ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া গণবিক্ষোভ রূপ নেয় ভয়াবহ সংঘাতে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নির্বিচার লুটপাট, সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুরের ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে পুরো দেশ। অথচ জনগণের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক রসদ কিংবা ভর্তুকি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ এখন আর ফরাসি সরকারের হাতে নেই।

স্মরণ করা যেতে পারে, ২০১৮-১৯ সালের উত্তাল &lsquo;ইয়েলো ভেস্ট&rsquo; আন্দোলনের সময় শত কোটি ইউরোর আর্থিক ছাড় ও করছাড় দিয়ে জনরোষ প্রশমিত করেছিলেন মাখোঁ। কিন্তু বর্তমানে সরকারি অর্থব্যবস্থার ওপর প্রবল চাপ এবং ২০২৪ সালের আগাম নির্বাচনের ফলে সৃষ্ট বিভক্ত পার্লামেন্টের কারণে তাঁর নীতিনির্ধারণের পরিধি অত্যন্ত সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তিন ভাগে বিভক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ব্লকের অনড় অবস্থানের ফলে দেশটি এখন এক গভীর রাজনৈতিক অচলাবস্থার মারপ্যাচে বন্দি।



 

সাবেক মিত্রদের কঠোর সমালোচনা ও আগাম নির্বাচনের ভুল চাল
মাখোঁর এমন রাজনৈতিক পতনের নেপথ্যে মূলত তার নিজ দলের অতীতের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষক ও সাবেক সহযোগীরা। ফরাসি নেতার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্ররাও এখন প্রকাশ্যে তার কড়া সমালোচনা করতে শুরু করেছেন।

মাখোঁর শিবিরের সাবেক সংসদ সদস্য লোয়িক কেরভ্রাঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন, বর্তমান শাসনকালের শেষ অধ্যায়টি যেন এক অন্তহীন যন্ত্রণা, যা ফরাসি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার গভীর দুর্বলতা ফুটিয়ে তুলছে। তার মতে, ২০২৪ সালে আকস্মিক ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্তে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার জুয়াড়ি পদক্ষেপটিই ফরাসি পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক রাজনৈতিক ভুল ছিল, যা গোটা দেশকে স্থবির করে দিয়েছে।

কট্টর ডানপন্থী নেত্রী মেরিন লো পেনের সুবর্ণ সুযোগ
বর্তমান প্রশাসনের এই চরম ব্যর্থতা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি কট্টর ডানপন্থী ও ইসলাম বিরোধী নেত্রী মেরিন লো পেনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। আগামী ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নেওয়া এই নেত্রী জনমত জরিপের দৌড়ে এখন অনেকখানি এগিয়ে আছেন। জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির জেরে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং সপ্তাহান্তে ঘটে যাওয়া তাণ্ডব&mdash;উভয় পরিস্থিতিকেই নিজের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন লো পেন।

মাখোঁর সাবেক আইনপ্রণেতা জ্যঁ-বাতিস্ত মোরো সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মূল্যায়ন করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মেরিন লো পেনের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নতুন করে কোনো বাড়তি অর্থ খরচ করার বা কৌশল পাল্টানোর প্রয়োজনই নেই। বিরোধীদের জন্য রাজনৈতিক মাঠ এমনিতেই উন্মুক্ত হয়ে গেছে।

সাম্প্রতিক এক ভিডিও বার্তায় লো পেন বর্তমান প্রশাসনকে ভেঙে পড়া এক দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং নিজেকে একমাত্র যোগ্য বিকল্প হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি দেশের বুকে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। ফরাসি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার বাকি কটি মাস এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 07:49:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জেলেনস্কি, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের শীর্ষ বৈঠকের দোরগোড়ায় ইউরোপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119047" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/international/119047</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউরোপীয় ভূরাজনীতিতে চলমান উত্তেজনা এবং ইউক্রেন সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার অসলোতে এসে পৌঁছেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

নরওয়ে সরকারের পাশাপাশি এই বৈঠকের অন্যতম সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ডও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই আলোচনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা।

অসলোতে ত্রিমুখী শীর্ষ বৈঠকের নেপথ্য প্রেক্ষাপট : আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধের সম্ভাব্য অবসানের উপায় খুঁজতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও চলতি সপ্তাহে নরওয়ে সফর করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই কূটনৈতিক ধারার অংশ হিসেবেই জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় শীর্ষ প্রতিনিধিরা একই মঞ্চে মতবিনিময় করবেন।

 


অসলোর এই কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর নতুন ছক কষা হচ্ছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূতের নরওয়ে সফর এবং নরওয়ে-ফিনল্যান্ডীয় শীর্ষ নেতৃত্বের এই যৌথ উদ্যোগ ইঙ্গিত দেয় যে, ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে কিয়েভ এবং তার ঘনিষ্ট মিত্ররা এক নতুন ও কঠোর কূটনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।


নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছেন যে, কিয়েভের জন্য বর্তমান সময়টি অত্যন্ত সংকটময় ও কঠিন। এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরালো করতে ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রপ্রধান স্বয়ং নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডকে এই বিশেষ বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানান।

ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের যৌথ ভূমিকা এবং নিরাপত্তাজনিত আলোচনা : নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব নরওয়েতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোর এবং ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মূলত রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের তীব্রতা এবং ইউরোপ মহাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

নরওয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মঙ্গলবার দিনের পরবর্তী সময়ে তিন দেশের শীর্ষ নেতারা একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন। সেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় মিত্রদের পরবর্তী যৌথ পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরা হতে পারে।

যদিও নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের প্রাথমিক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা অন্যান্য ইউরোপীয় প্রতিনিধিদলের উপস্থিতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু উল্লেখ করা হয়নি, তবুও ট্রাম্পের বিশেষদূতের উপস্থিতি পুরো সফরটিকে নতুন এক মাত্রা দিয়েছে। শীতের ঠিক প্রাক্কালে ইউরোপের নিরাপত্তা স্থাপত্য এবং ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অসলোর এই বৈঠক এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 07:49:22 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
