<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.sunnews24x7.com/feed/lifestyle</id>
                                <link href="https://archive.sunnews24x7.com/feed/lifestyle"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews lifestyle Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest lifestyle News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:05:35 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/119051" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/119051</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অফিসের কাজের চাপ, একের পর এক মিটিং আর ব্যস্ততার ভিড়ে একটু আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এক টুকরো চকলেটই যথেষ্ট। সহকর্মীদের সঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত ভাগাভাগি করে নেওয়ার উপলক্ষ হিসেবে আজ ২০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে &lsquo;সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন&rsquo;।

কর্মক্ষেত্রে একঘেয়েমি দূর করার পাশাপাশি সহকর্মীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্য বাড়ানোর প্রতীকী উপলক্ষ এই দিন। চকলেট উপহার দেওয়া, সবার সঙ্গে ভাগ করে খাওয়া কিংবা ছোট্ট কোনো আয়োজনের মধ্য দিয়ে কর্মব্যস্ত দিনটিকে আনন্দময় করে তোলা যায়।

অফিসের কাজের চাপ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার তাড়া, ই-মেইলের স্তূপ আর একের পর এক বৈঠক&mdash;সব মিলিয়ে অনেক সময় কর্মজীবন হয়ে ওঠে ক্লান্তিকর। এমন ব্যস্ত দিনে সহকর্মীর কাছ থেকে পাওয়া ছোট্ট একটি চকলেটও মুখে হাসি ফোটাতে পারে। একই সঙ্গে এটি সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিকতা প্রকাশের সহজ একটি মাধ্যম।

দিবসটি উদ্&zwnj;যাপনে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সহকর্মীদের জন্য এক বাক্স চকলেট, কয়েকটি মাফিন কিংবা একটি কেক নিয়ে গেলেই তৈরি হতে পারে আনন্দঘন পরিবেশ। চাইলে দুপুরের বিরতিতে সবাই মিলে পছন্দের চকলেট ভাগাভাগি করে খাওয়া ও আড্ডার আয়োজনও করা যেতে পারে।

যেসব সহকর্মীর সঙ্গে কাজের প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা কথা হয় না, তাঁদেরও চকলেট উপহার দিয়ে সম্পর্কের নতুন সূচনা করা সম্ভব। ছোট্ট একটি উপহার কখনো কখনো মানুষের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে সাহায্য করে। তবে এমন আয়োজনের ক্ষেত্রে যেন কেউ বাদ না পড়েন, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।

&lsquo;সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন&rsquo;-এর প্রবর্তক বা সূচনার ইতিহাস সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। বিভিন্ন অনলাইন দিবসপঞ্জিতে ২০ অক্টোবর দিনটি পালনের উল্লেখ থাকলেও এটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক দিবস নয়।

দিবসটির মূল বার্তা হলো, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব ও ব্যস্ততার পাশাপাশি আনন্দ, আন্তরিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতারও গুরুত্ব রয়েছে। সব সমস্যার সমাধান চকলেটে না হলেও, এক টুকরো চকলেট ব্যস্ত দিনের ক্লান্তি কিছুটা কমাতে পারে। সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া সামান্য আনন্দও কর্মদিবসকে করে তুলতে পারে আরও মধুর।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 09:05:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ ডেস্কটপের ফাইল গোছানোর দিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/119006" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/119006</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে প্রতিনিয়ত জমা হয় নানা অপ্রয়োজনীয় ফাইল, ছবি ও অ্যাপ্লিকেশন। এসব উপাদান ডিজিটাল কর্মপরিবেশকে বিশৃঙ্খল করে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতেও সমস্যা তৈরি করে। ডিজিটাল ডিভাইস পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিষ্কার দিবস।

প্রতি বছর অক্টোবরের তৃতীয় সোমবার দিবসটি পালন করা হয়। সেই হিসাবে ২০২৬ সালের ১৯ অক্টোবর, সোমবার পালিত হচ্ছে দিবসটি। কম্পিউটারের ডেস্কটপ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল সরিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য গুছিয়ে রাখার অভ্যাস গড়ে তোলাই এ দিবসের মূল লক্ষ্য।

নতুন কম্পিউটারের ডেস্কটপ সাধারণত বেশ গোছানো থাকে। কিন্তু ব্যবহারের সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে জমতে থাকে বিভিন্ন নথি, ছবি, শর্টকাট ও অন্যান্য ফাইল। একপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে এবং কাজের পরিবেশও হয়ে ওঠে এলোমেলো।

নিয়মিত ডিজিটাল ফাইল গুছিয়ে রাখলে কাজের সময় সাশ্রয় হয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। এ জন্য পুরোনো ফাইল নির্দিষ্ট ফোল্ডারে রাখা, অপ্রয়োজনীয় উপাদান মুছে ফেলা এবং নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলো সহজে পাওয়া যায় এমন স্থানে সাজিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

দিবসটি উপলক্ষে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন থেকে অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন সরিয়ে ফেলা, ছবি ও নথির নাম সঠিকভাবে নির্ধারণ এবং ই-মেইলের অপ্রয়োজনীয় বার্তা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পেনড্রাইভ বা অন্য কোনো নিরাপদ সংরক্ষণমাধ্যমে ব্যাকআপ রাখাও জরুরি।

ডিজিটাল ডিভাইসের নিরাপত্তা বজায় রাখতে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং নিয়মিত নিরাপত্তা পরীক্ষা করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুরোনো কিন্তু প্রয়োজনীয় নথি মুছে না ফেলে আলাদা আর্কাইভে সংরক্ষণ করলে ভবিষ্যতে সেগুলো সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

এ দিন প্রযুক্তি ব্যবহারে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের ডিজিটাল ফাইল ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ ভাগ করে নেওয়া যায় #CleanYourVirtualDesktopDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে।

উল্লেখ্য, কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ব্র্যান্টফোর্ডে অবস্থিত পারসোনাল কম্পিউটার জাদুঘর দিবসটি চালু করে। প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং কম্পিউটারকে কার্যকর ও সুশৃঙ্খল রাখার অভ্যাস গড়ে তোলাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 11:24:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইলিশের নামে বিক্রি হচ্ছে চন্দনা ও সুরমা, চিনবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118979" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118979</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইলিশের বাজারে বাড়তি দাম ও ক্রেতাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে আসল ইলিশের পরিবর্তে চন্দনা ও সুরমা মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দেখতে কিছুটা সাদৃশ্য থাকায় অনেক ক্রেতাই এসব মাছকে ইলিশ ভেবে কিনছেন। বিশেষ করে হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্না করা মাছ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আসল ইলিশের সঙ্গে অন্য মাছের পার্থক্য শনাক্ত করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চন্দনা ইলিশের কাছাকাছি প্রজাতির মাছ হলেও এটি প্রকৃত ইলিশ নয়। অন্যদিকে সুরমা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির মাছ। মাছের শারীরিক গঠন, গায়ের রং ও দাগের ধরন পর্যবেক্ষণ করে এদের মধ্যে পার্থক্য বোঝার চেষ্টা করতে পারেন ক্রেতারা।

ইলিশের বৈশিষ্ট্য কী?

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha। এটি মূলত সামুদ্রিক মাছ হলেও প্রজননের জন্য নদীতে চলে আসে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ দেশের বিভিন্ন নদীতে ইলিশের বিচরণ রয়েছে। ২০১৭ সালে ইলিশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

চন্দনা ইলিশ নয়, আলাদা প্রজাতির মাছ

চন্দনার বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa toli। উপকূলীয় অঞ্চল, নদীর মোহনা ও জোয়ার-ভাটাপ্রবণ এলাকায় এ মাছ পাওয়া যায়। অঞ্চলভেদে এটি &lsquo;চন্দনা ইলিশ&rsquo; বা &lsquo;ফুইট্টা ইলিশ&rsquo; নামে পরিচিত। ইংরেজিতে মাছটি টোলি শ্যাড নামে পরিচিত।

চন্দনার দেহ সাধারণত রুপালি রঙের হয়, কখনো তাতে হলদে আভাও দেখা যায়। ফুলকার পেছনে অস্পষ্ট কালচে ছাপ থাকতে পারে। এর ওপরের চোয়ালের মাঝামাঝি অংশে ছোট একটি খাঁজও রয়েছে। সাধারণত চন্দনা ইলিশের চেয়ে আকারে ছোট হয়। তবে শুধু আকারের ভিত্তিতে মাছ দুটি আলাদা করা সব সময় নির্ভরযোগ্য নয়।

চন্দনা নামটি নিয়েও রয়েছে কিছু বিভ্রান্তি। Sardinella melanura প্রজাতির আরেকটি সামুদ্রিক মাছও কোনো কোনো এলাকায় চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে এটি ব্ল্যাকটিপ সার্ডিনেলা নামে পরিচিত। বাংলায় কোথাও একে &lsquo;কালটিপ তাকিয়া&rsquo; বলা হয়। এর লেজের ডগায় কালচে রং থাকে। ফলে শুধু স্থানীয় নামের ওপর নির্ভর করে মাছের প্রকৃত প্রজাতি শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে।

সুরমা মাছ চেনার উপায়

সুরমা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Scomberomorus commerson। এটি ম্যাকেরেল পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং ইংরেজিতে কিং ম্যাকেরেল নামে পরিচিত। অঞ্চলভেদে মাছটি &lsquo;ডোরা মাইট্টা&rsquo; বা &lsquo;চম্পা&rsquo; নামেও পরিচিত।

সুরমার দেহ লম্বাটে এবং দুই পাশ কিছুটা চাপা। পিঠের রং নীলচে-রুপালি, আর পেটের অংশ সাদাটে। শরীরজুড়ে সারিবদ্ধ কালচে খাড়া দাগ থাকে। এ ছাড়া এর চোয়ালে শক্ত দাঁত রয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য সুরমাকে ইলিশ থেকে আলাদা করতে সহায়তা করে।

ইলিশের দাম বাড়লে বাড়ে প্রতারণার ঝুঁকি

ইলিশের উচ্চমূল্যকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চাঁদপুরের মাছঘাটে এ বছর প্রতি কেজি ইলিশের দাম ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে বলে জানা গেছে। সরবরাহ কমে যাওয়া ও দাম বেড়ে যাওয়ার সুযোগে কিছু অসাধু বিক্রেতা অন্য প্রজাতির মাছকে ইলিশ বলে বিক্রি করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সার্ডিন, চৌক্কা, চন্দনা, চকোরি ও টাকিয়াসহ বিভিন্ন মাছকে ইলিশ নামে বিক্রির অভিযোগ উঠে এসেছে। আস্ত মাছের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ক্রেতারা কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে পার্থক্য বুঝতে পারলেও কাটা কিংবা রান্না করা মাছের পরিচয় নির্ধারণ করা অনেক বেশি কঠিন।

জাটকা ও চন্দনা এক নয়

মাছের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে জাটকার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। জাটকা হলো ইলিশের কিশোর পর্যায়ের মাছ; এটি আলাদা কোনো প্রজাতি নয়। অন্যদিকে চন্দনা একটি স্বতন্ত্র প্রজাতির মাছ। তাই ছোট আকারের মাছ দেখেই সেটিকে জাটকা কিংবা চন্দনা বলে নিশ্চিত হওয়া ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছের বৈজ্ঞানিক নাম জানা থাকলে এ ধরনের বিভ্রান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। কারণ একই মাছ বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত হতে পারে। আবার একই স্থানীয় নামে একাধিক প্রজাতির মাছও বিক্রি হতে পারে।

মাছ কেনার সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

বাজার থেকে মাছ কেনার সময় সম্ভব হলে আস্ত মাছ বেছে নেওয়া ভালো। মাছের দেহের গঠন, রং, গায়ের দাগ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য খেয়াল করতে হবে। সুরমার শরীরে সাধারণত স্পষ্ট খাড়া কালচে দাগ দেখা যায়। অন্যদিকে চন্দনার দেহে রুপালি রঙের সঙ্গে হলদে আভা ও ফুলকার পেছনে কালচে ছাপ থাকতে পারে। তবে একটি বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে মাছের প্রজাতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

হোটেল বা রেস্তোরাঁয় ইলিশের পদ অর্ডার করার সময় মাছটির পরিচয় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যেতে পারে। দাম বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিক কম হলে কিংবা বিক্রেতা মাছের পরিচয় স্পষ্ট করতে না চাইলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ইলিশ বাংলাদেশের নদী, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। চন্দনা ও সুরমারও নিজস্ব খাদ্যগুণ ও পরিচয় রয়েছে। কিন্তু এসব মাছকে ইলিশ হিসেবে বিক্রি করা হলে তা ক্রেতার সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তাই মাছের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা, বিক্রেতাদের জবাবদিহি বাড়ানো এবং ভোক্তাদের সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 07:18:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঠাট্টার ছলে অপমান, প্রভাব পড়ে অন্যদের মনেও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118974" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118974</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাউকে নিয়ে ঠাট্টা করা কিংবা অপমানজনক মন্তব্য করার পর অনেকেই বলে থাকেন, &lsquo;আরে, মজা করছিলাম!&rsquo; কিন্তু হাসির ছলে বলা কোনো কথা কি সত্যিই অন্যের কষ্ট কমাতে পারে? মনোবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা বলছে, সব ক্ষেত্রে তা নয়। বরং এমন মন্তব্য মানুষের আত্মসম্মান ও মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে অন্যদের কাছেও অপমানজনক আচরণকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

মনোবিষয়ক সাময়িকী সাইকোলজি টুডে-তে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, কারও পরিচয়, চেহারা কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে কটূক্তি করলে তার মধ্যে লজ্জা, হীনম্মন্যতা ও নিজের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের চেহারা ও শরীর নিয়ে নিয়মিত বিদ্রূপ তাদের নিজেদের শারীরিক গঠন সম্পর্কে অসন্তুষ্টি বাড়াতে পারে।

অপমানের প্রভাব পড়ে আত্মসম্মানেও

কথার আঘাত কতটা গভীর হবে, তা নির্ভর করে কে কথাটি বলছেন, কী উদ্দেশ্যে বলছেন এবং যাকে বলা হচ্ছে, তিনি সেটিকে কীভাবে দেখছেন তার ওপর। বন্ধুদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া হাসি-ঠাট্টা আর কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে করা মন্তব্য এক নয়।

কোনো মন্তব্যকে একজন ব্যক্তি নিছক রসিকতা হিসেবে নিলেও অন্য কারও কাছে সেটি অপমানজনক মনে হতে পারে। তাই কেউ কষ্ট পাওয়ার কথা জানানোর পর &lsquo;মজা করছিলাম&rsquo; বললেই তার অনুভূতি অগ্রাহ্য করা যায় না। বরং এমন পরিস্থিতিতে অপর ব্যক্তির অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।

শৈশবে বারবার অপমানজনক কথা শোনার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও বিভিন্ন মানসিক সমস্যার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তবে প্রতিটি কটূক্তিই সরাসরি মানসিক অসুস্থতা সৃষ্টি করে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। অপমানের ধরন, কতবার এমন ঘটনা ঘটছে এবং ব্যক্তির পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রভাবশালীদের আচরণ সমাজেও প্রভাব ফেলে

অপমানজনক কথার প্রভাব শুধু যিনি এর শিকার হন, তাঁর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। আশপাশের মানুষও এমন আচরণ দেখে শিখতে পারে, কোন ধরনের কথা বা ব্যবহারকে সমাজে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়।

বিশেষ করে জনপ্রিয় ব্যক্তি, তারকা কিংবা ক্ষমতাবান কেউ প্রকাশ্যে অন্যকে হেয় করলে অনেকেই সেই আচরণকে স্বাভাবিক বলে ধরে নিতে পারেন। ফলে বিদ্রূপ ও অবমাননাকর মন্তব্য ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়।

মনোবিজ্ঞানে এমন কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যেখানে হাস্যরসের আড়ালে প্রচলিত কুসংস্কার ও পক্ষপাত প্রকাশের বিষয়টি উঠে এসেছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যকে নিছক কৌতুক হিসেবে উপস্থাপন করা হলে অন্যরাও একই ধরনের আচরণে উৎসাহিত হতে পারেন।

তাই কোনো মন্তব্যে সবাই হাসছেন বলেই সেটি নিরীহ, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না। হাসির পরিবেশ তৈরি হলেও সেই কথায় কেউ অপমানিত বা বিব্রত হচ্ছেন কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

সমালোচনা আর অপমানের মধ্যে পার্থক্য আছে

কারও ভুল ধরিয়ে দেওয়া কিংবা কোনো আচরণের সমালোচনা করা এবং ব্যক্তিগতভাবে কাউকে ছোট করা এক বিষয় নয়। কোনো কাজের ভুল নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরে সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে। কিন্তু সেই ভুলের কারণে কাউকে অযোগ্য, অপদার্থ কিংবা হেয় করে কথা বলা ব্যক্তিগত অপমানের পর্যায়ে পড়তে পারে।

তাই কাউকে নিয়ে রসিকতা করার আগে ভাবা দরকার, কথাটি তাঁর মনে আঘাত করতে পারে কি না। আর কেউ কোনো মন্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন জানালে, &lsquo;মজা করছিলাম&rsquo; বলে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

শেষ পর্যন্ত, হাস্যরস মানুষের সম্পর্ককে সহজ ও আনন্দময় করতে পারে। তবে সেই হাসি যদি অন্যের আত্মসম্মানে আঘাত করে, তাহলে তার প্রভাব উপেক্ষা করা যায় না। তাই কথার মাধ্যমে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখাও জরুরি।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 06:48:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রঙিন ও নজরকাড়া শার্ট পরার দিন আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118942" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118942</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাহারি রং, ব্যতিক্রমী নকশা আর নজরকাড়া পোশাকে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। তবে &lsquo;লাউড শার্ট ডে&rsquo; শুধু রঙিন পোশাক পরার আনন্দ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি মানবিক বার্তা। শ্রবণশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের সহায়তা এবং তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এই বিশেষ দিনের আয়োজন করা হয়।

দিনটিতে নানা রং ও নকশার শার্ট পরে উদযাপনে অংশ নেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। স্কুল, অফিস থেকে শুরু করে সামাজিক বিভিন্ন পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ। একই সঙ্গে এই আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, প্রত্যেক মানুষের স্বতন্ত্রতা রয়েছে, আর ভিন্নতাকে সম্মান জানানোই একটি সহমর্মী সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত।

রঙিন পোশাকের আড়ালে যে মানবিক উদ্দেশ্য

দেখতে আনন্দময় হলেও লাউড শার্ট ডে-র মূল লক্ষ্য শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো। এসব শিশুর শ্রবণ, কথা বলা এবং অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা বিকাশে প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রবণযন্ত্র, বাক্&zwnj;প্রশিক্ষণ ও প্রাথমিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সময়মতো উপযুক্ত সহায়তা পেলে শিশুদের যোগাযোগের দক্ষতা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। এতে তাদের পরিবারও পায় নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। তাই রঙিন পোশাকের মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিশুদের প্রয়োজন তুলে ধরা এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

যেভাবে শুরু হয়েছিল লাউড শার্ট ডে

লাউড শার্ট ডে-র সূচনা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়। বর্তমানে &lsquo;ক্যান:ডু ৪কিডস&rsquo; নামে পরিচিত কোরা বার্কলে কেন্দ্রে একদিন কর্মীদের অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় এই উদ্যোগের ধারণা আসে। সেখানে শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের সহায়তায় কাজ করা কর্মীরা এমন একটি আয়োজনের কথা ভাবছিলেন, যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি আনন্দও ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

সেই ভাবনা থেকেই ব্যতিক্রমী নকশা ও উজ্জ্বল রঙের শার্ট পরার ধারণা তৈরি হয়। নজরকাড়া পোশাকের মাধ্যমে মানুষের আগ্রহ তৈরি করে শিশুদের প্রয়োজন ও তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি সামনে আনাই ছিল মূল লক্ষ্য।

পরবর্তী সময়ে উদ্যোগটি দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য অঞ্চল এবং নিউজিল্যান্ডেও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন অঞ্চলের শিশুদের সহায়তায় কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

কীভাবে উদযাপন করবেন দিনটি

লাউড শার্ট ডে পালন করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। নিজের পছন্দের রঙিন শার্ট পরে বাড়ি, স্কুল কিংবা অফিস থেকেই অংশ নেওয়া যায়। উজ্জ্বল রং, মজার ছাপ, বড় নকশা কিংবা বিচিত্র নকশার পোশাক বেছে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো নিয়মের চেয়ে সৃজনশীলতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের পোশাকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে অন্যদেরও অংশ নিতে উৎসাহিত করা যায়। স্কুল কিংবা অফিসে আয়োজন করা যেতে পারে বিশেষ রঙিন পোশাকের দিন। পাশাপাশি সবচেয়ে আকর্ষণীয় পোশাকের জন্য ছোট পুরস্কার কিংবা ছবি তোলার আলাদা জায়গা রাখলে উদযাপনে যোগ হতে পারে বাড়তি আনন্দ।

আনন্দের পাশাপাশি ছড়িয়ে দিন সচেতনতা

শুধু রঙিন শার্ট পরার মধ্যেই এই দিনের তাৎপর্য সীমাবদ্ধ নয়। শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, তাদের প্রয়োজন নিয়ে আলোচনা করা এবং অন্যদের সচেতন করাও হতে পারে উদযাপনের অংশ।

সামর্থ্য অনুযায়ী বিশ্বস্ত কোনো সংস্থাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে। এ ধরনের সহযোগিতা শিশুদের প্রয়োজনীয় সেবা ও প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

এ ছাড়া বাড়ি, স্কুল কিংবা সামাজিক কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে সৃজনশীল আয়োজন করা যায়। তাদের পছন্দমতো রং ও নকশা দিয়ে নিজের স্বপ্নের শার্ট আঁকতে উৎসাহিত করা যেতে পারে। কেউ আঁকতে পারে উজ্জ্বল ফুল, কেউ বেছে নিতে পারে মজার ছবি কিংবা নানা রঙের জ্যামিতিক নকশা। এতে আনন্দের পাশাপাশি শিশুদের সৃজনশীলতাও বিকশিত হবে।

একটি শার্ট থেকেই ছড়িয়ে পড়ুক মানবিকতার বার্তা

লাউড শার্ট ডে-র মতো আয়োজনের মাধ্যমে মানুষ একদিকে যেমন আনন্দ ভাগ করে নেন, অন্যদিকে শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও ছড়িয়ে দেন। স্কুল, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এই উদ্যোগকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

একটি রঙিন শার্ট হয়তো একাই কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তবে সেটিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সচেতনতা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মনোভাব শিশুদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে পারে। তাই লাউড শার্ট ডে কেবল পোশাকের বৈচিত্র উদযাপনের দিন নয়, বরং ভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ারও একটি উপলক্ষ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 07:57:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুরুষ বন্ধ্যত্বের সমাধানে কার্যকর ৪ উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118896" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সন্তান না হলে অনেক ক্ষেত্রেই নারীর ওপর দায় চাপানো হয়। অথচ বন্ধ্যত্বের পেছনে পুরুষেরও শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে। শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া, গুণগত মানের ঘাটতি কিংবা শুক্রাণুর স্বাভাবিক চলাচলে সমস্যা দেখা দিলে সন্তান জন্মদানে জটিলতা তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ অবস্থাকে পুরুষ বন্ধ্যত্ব বলা হয়।

তবে পুরুষ বন্ধ্যত্ব মানেই বাবা হওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। সমস্যার কারণ ও ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত চিকিৎসা নিলে অনেক ক্ষেত্রেই সন্তান লাভের সুযোগ তৈরি হয়। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, ওষুধ, অস্ত্রোপচার এবং আধুনিক প্রজননপ্রযুক্তির মাধ্যমে এ সমস্যার চিকিৎসা করা যেতে পারে।

১. জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্য ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্ব রয়েছে। ধূমপান ও মাদক পরিহার, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকা, নিয়মিত শরীরচর্চা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। তবে মনে রাখতে হবে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলেই সব ধরনের বন্ধ্যত্বের সমাধান হয় না।

২. ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা নির্দিষ্ট কিছু সংক্রমণের কারণে প্রজননক্ষমতা কমে গেলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব। তবে পুরুষ বন্ধ্যত্বের সব ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকর নয়। তাই সমস্যার কারণ শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করা উচিত। নিজে থেকে ওষুধ সেবন করলে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে।

৩. অস্ত্রোপচার

পুরুষের প্রজননতন্ত্রের কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে বন্ধ্যত্ব দেখা দিতে পারে। যেমন, অণ্ডকোষের শিরা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়ার সমস্যা ভেরিকোসিল এবং শুক্রাণু চলাচলের পথে বাধা। এসব ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক অবস্থা, পরীক্ষার ফলাফল ও সন্তান লাভের সম্ভাবনা বিবেচনা করে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিতে পারেন। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না।

৪. আধুনিক প্রজননপ্রযুক্তি

কিছু ক্ষেত্রে স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান ধারণ সম্ভব না হলে সহায়ক প্রজননপ্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায়। সমস্যার ধরন অনুযায়ী চিকিৎসক নিচের পদ্ধতিগুলোর পরামর্শ দিতে পারেন।

আইইউআই (IUI): এ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত শুক্রাণু সরাসরি জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়। নির্দিষ্ট কিছু বন্ধ্যত্বের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।

ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ): পরীক্ষাগারে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর নিষেক ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়। এরপর উপযুক্ত ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপন করা হয়।

ইন্ট্রাসাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইনজেকশন (আইসিএসআই): এ পদ্ধতিতে একটি শুক্রাণু সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। শুক্রাণুর সংখ্যা খুব কম হলে কিংবা শুক্রাণুর কার্যকারিতায় গুরুতর সমস্যা থাকলে এ পদ্ধতি বিবেচনা করা হয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

পুরুষ বন্ধ্যত্ব নিয়ে সামাজিক সংকোচের কারণে অনেকেই চিকিৎসা নিতে দেরি করেন। কেউ কেউ আবার বৈজ্ঞানিক ভিত্তিহীন চিকিৎসা বা তথাকথিত টোটকার ওপর নির্ভর করেন। এতে সময় ও অর্থের অপচয় হতে পারে, পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করতেও দেরি হয়।

সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করার পরও প্রত্যাশিত সময়ে গর্ভধারণ না হলে নারী ও পুরুষ উভয়েরই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সাধারণভাবে, এক বছর নিয়মিত অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের পরও গর্ভধারণ না হলে বন্ধ্যত্বের মূল্যায়ন করা উচিত। নারীর বয়স ৩৫ বছর বা তার বেশি হলে ছয় মাস চেষ্টা করার পরই মূল্যায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে আগে থেকেই কোনো প্রজননস্বাস্থ্যজনিত সমস্যা জানা থাকলে আরও আগেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, বিশেষ করে বীর্য বিশ্লেষণ, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমস্যার ধরন অনুযায়ী ইউরোলজিস্ট, অ্যান্ড্রোলজিস্ট বা বন্ধ্যত্ব বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক দম্পতির সন্তান লাভের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই পুরুষ বন্ধ্যত্বকে লজ্জা বা হতাশার বিষয় হিসেবে না দেখে সচেতনভাবে চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Oct 2026 06:47:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ খিটখিটে মেজাজ দিবস, গোমড়ামুখোদের জন্যই বিশেষ দিন!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118841" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118841</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সব সময় হাসিমুখে থাকা কিংবা প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজেকে স্বাভাবিক রাখা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। কাজের চাপ, শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক অস্থিরতা কিংবা ব্যক্তিগত নানা কারণে কখনো কখনো মেজাজ খারাপ হতেই পারে। আর এমন বিরক্তি ও গোমড়ামুখো স্বভাবকে কেন্দ্র করেই প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর পালিত হয় &lsquo;খিটখিটে মেজাজ দিবস&rsquo;।

দিনটি বদমেজাজি আচরণ নিয়ে মজার ছলে হাসি-ঠাট্টা করার পাশাপাশি নিজের অনুভূতি বুঝতে শেখারও একটি উপলক্ষ। এ দিনে কেউ চাইলে পরিচিত খিটখিটে স্বভাবের মানুষদের নিয়ে মজা করতে পারেন, আবার নিজের গম্ভীর মেজাজ নিয়েও হাসতে পারেন। তবে এসবের উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের বিরক্তিকর মুহূর্তগুলোকে একটু ভিন্নভাবে দেখা।

খিটখিটে স্বভাবের জনপ্রিয় চরিত্র অস্কার

খিটখিটে মেজাজের কথা উঠলেই অনেকের মনে পড়ে শিশুদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান &lsquo;সেসামি স্ট্রিট&rsquo;-এর অস্কার দ্য গ্রাউচের কথা। ১৯৬৯ সালে এই অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা যায় চরিত্রটিকে। এরপর ধীরে ধীরে এটি শিশুদের পাশাপাশি বড়দের কাছেও পরিচিত হয়ে ওঠে।

সবুজ লোমশ এই পুতুলটি সব সময় গোমড়ামুখো থাকে। নানা বিষয়ে অভিযোগ করা, বিরক্তি প্রকাশ করা এবং আবর্জনার পাত্রে বসবাস করাই তার চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এমনকি আবর্জনার প্রতি তার ভালোবাসা নিয়ে তৈরি হয়েছে মজার গানও।

তবে অস্কারকে শুধু বদমেজাজি চরিত্র হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তার বিরক্তি আর অভিযোগের আড়ালে মাঝেমধ্যে কোমল মনের পরিচয়ও পাওয়া যায়। এ কারণেই চরিত্রটি দর্শকদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে।

এক ছাত্রীর মজার ভাবনা থেকে দিবসের প্রচলন

খিটখিটে মেজাজ দিবসের পেছনে রয়েছে বেশ মজার একটি গল্প। ১৯৭৬ সালে &lsquo;চেজেস ক্যালেন্ডার অব ইভেন্টস&rsquo;-এর প্রকাশক বিল ও হেলেন চেজ তাদের নাতনি মনিকার কাছ থেকে দিবসটি উদ্&zwnj;যাপনের ধারণা পান।

সে সময় মিশিগানের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মনিকার একজন শিক্ষক ছিলেন, যিনি বেশ খিটখিটে স্বভাবের বলে পরিচিত ছিলেন। ওই শিক্ষকের জন্মদিন ছিল ১৫ অক্টোবর। তাই বন্ধুদের সঙ্গে মিলে মজার ছলে দিনটিকে খিটখিটে মেজাজ দিবস হিসেবে চিহ্নিত করে মনিকা।

পরবর্তী সময়ে এই ভাবনা পরিচিতি পায় এবং দিবসটি পালনের প্রচলন ছড়িয়ে পড়ে। অস্কার দ্য গ্রাউচের মতো জনপ্রিয় চরিত্রও দিনটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় মানুষ নিজেদের মতো করে দিবসটি পালন করেন।

কীভাবে পালন করবেন দিনটি?

খিটখিটে মেজাজ দিবস পালনে বিশেষ কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। বন্ধুদের সঙ্গে বদমেজাজি স্বভাব নিয়ে মজার গল্প করা, নিজের গোমড়ামুখো মুহূর্তগুলো স্মরণ করা কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টায় সময় কাটানো যেতে পারে।

তবে মজা করতে গিয়ে কারও ব্যক্তিত্ব, চেহারা কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যাকে নিয়ে বিদ্রূপ করা উচিত নয়। কারণ, যে আচরণ একজনের কাছে নিছক কৌতুক, অন্য কারও কাছে তা কষ্টের কারণ হতে পারে।

দিনটি নিজের আবেগ বুঝে নেওয়ারও সুযোগ করে দেয়। সব সময় হাসিখুশি থাকার চাপ না নিয়ে মন খারাপ, রাগ কিংবা বিরক্তির মতো অনুভূতিগুলোকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা জরুরি। কী কারণে মেজাজ খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করলে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ হতে পারে।

অস্কারের পুরোনো পর্ব দেখেও কাটাতে পারেন সময়

দিনটিকে আরও আনন্দময় করতে পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে দেখে নিতে পারেন &lsquo;সেসামি স্ট্রিট&rsquo;-এর পুরোনো পর্বগুলো। বিশেষ করে অস্কার দ্য গ্রাউচকে ঘিরে তৈরি পর্বগুলোতে তার মজার অভিযোগ, গান এবং বিচিত্র কর্মকাণ্ড উপভোগ করতে পারবেন।

অস্কারকে নিয়ে রয়েছে আরও একটি মজার তথ্য। অনুষ্ঠানের প্রথম মৌসুমে চরিত্রটির গায়ের লোমের রং ছিল কমলা। দ্বিতীয় মৌসুমে সে সবুজ রঙে ফিরে আসে। অনুষ্ঠানের গল্পে বলা হয়, ছুটিতে গিয়ে কাদামাখা জলাভূমিতে থাকার কারণেই তার গায়ের রং বদলে গিয়েছিল।

সব সময় হাসিখুশি থাকতেই হবে, এমন নয়

খিটখিটে মেজাজ দিবসের তাৎপর্য শুধু বদমেজাজ নিয়ে হাসি-ঠাট্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া, দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে হাসতে শেখা এবং অন্যের আচরণের পেছনের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টাও এ দিনের গুরুত্বপূর্ণ দিক।

তাই আজ মন ভালো না থাকলে নিজেকে জোর করে হাসিখুশি রাখার প্রয়োজন নেই। বরং নিজের অনুভূতিকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন।

মনে রাখতে হবে, সব সময় হাসিমুখে থাকা সম্ভব নয়। রাগ, বিরক্তি কিংবা মন খারাপ মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। তবে এসব অনুভূতি প্রকাশের সময় নিজের ও অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 08:17:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাথরুমে কেন হয় স্ট্রোক, কী বলছে চিকিৎসাবিজ্ঞান?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118838" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118838</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গোসলের সময় কিংবা শৌচকর্ম করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা মাঝেমধ্যেই সামনে আসে। কখনো এসব পরিস্থিতিতে স্ট্রোকের খবরও পাওয়া যায়। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, বাথরুমের সঙ্গে স্ট্রোকের কোনো বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে কি না।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাথরুমে গেলেই স্ট্রোক হবে, এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে গোসলের সময় তাপমাত্রার পরিবর্তন, মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া কিংবা হঠাৎ উঠে দাঁড়ানোর কারণে রক্তচাপের পরিবর্তন হতে পারে। এর ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে আগে থেকে শারীরিক সমস্যা থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

গোসল ও শৌচকর্মের সময় কেন অসুস্থতা দেখা দেয়?
অতিরিক্ত ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এলে শরীরের রক্তনালি সংকুচিত হয়ে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। আবার খুব গরম পানিতে দীর্ঘক্ষণ গোসল করলে রক্তনালি প্রসারিত হয়ে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। এর ফলে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বয়স্ক ব্যক্তি এবং উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্&zwnj;রোগে আক্রান্তদের এ বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করলে রক্তচাপ ও হৃদ্&zwnj;স্পন্দনে সাময়িক পরিবর্তন ঘটতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে এর ফলে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ ধরনের অজ্ঞান হয়ে যাওয়াকে ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ বলা হতে পারে।

রাতে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ দাঁড়িয়ে বাথরুমে গেলেও বিপত্তি ঘটতে পারে। দ্রুত উঠে দাঁড়ানোর কারণে রক্তচাপ সাময়িকভাবে কমে চোখে অন্ধকার দেখা, মাথা ঘোরা কিংবা ভারসাম্য হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রস্রাব করার সময় বা এর পরপরও কারও কারও রক্তচাপ কমে অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

কারা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে বেশি?
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকা, ধূমপান, হৃদ্&zwnj;রোগ এবং আগে স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। এসব ঝুঁকির মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ অন্যতম, যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

তবে বাথরুমে কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেই সেটিকে স্ট্রোক হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদ্&zwnj;যন্ত্রের সমস্যা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা পিছলে পড়ে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি।

বাথরুমে দুর্ঘটনা এড়াতে কী করবেন?
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পানি পান এবং আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া উপকারী। শৌচকর্মের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘুম থেকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে না গিয়ে কিছুক্ষণ বসে থেকে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ানো ভালো।

গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা, বাথরুমের মেঝে পিচ্ছিলমুক্ত রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হাতল ব্যবহার করা উচিত। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হৃদ্&zwnj;রোগ থাকলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নির্ধারিত ওষুধ সঠিকভাবে সেবন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে করণীয়
হঠাৎ মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া, শরীরের এক পাশের হাত বা পা দুর্বল হয়ে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, ভারসাম্য হারানো কিংবা আকস্মিক তীব্র মাথাব্যথা স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে। লক্ষণ কয়েক মিনিটের মধ্যে সেরে গেলেও অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, এটি সাময়িক স্ট্রোকের সতর্কসংকেতও হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা মস্তিষ্কের ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে, বাথরুমে স্ট্রোকের ঘটনা ঘটতে পারে, তবে বাথরুমে যাওয়া নিজেই স্ট্রোকের নির্দিষ্ট কারণ নয়। গোসল বা শৌচকর্মের সময় রক্তচাপের ওঠানামায় মাথা ঘোরা কিংবা অজ্ঞান হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তাই বাথরুমে কেউ হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে কারণ অনুমান করে অপেক্ষা না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 07:52:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118791" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118791</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড গরম ও তীব্র রোদে সুস্থ থাকা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে জনজীবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট এক্সহস্টশন এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তবে কিছু সতর্কতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চললে সহজেই গরমের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি হারায়। ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যা। তাই তৃষ্ণা পাওয়ার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন। অতিরিক্ত ঘাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওরস্যালাইন বা উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানীয় গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

প্রখর রোদ এড়িয়ে চলুন

সাধারণত দিনের মধ্যভাগে, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে ছায়াযুক্ত পথ ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে কাজের সময় সকাল বা বিকেলের দিকে নির্ধারণ করুন।

পোশাক নির্বাচনে সতর্ক থাকুন

গরমে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক পরুন। সুতি বা ঘাম শোষণকারী কাপড় শরীরকে তুলনামূলক আরামদায়ক রাখতে সাহায্য করে। বাইরে বের হওয়ার সময় টুপি বা ক্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে মাথা ও মুখ সরাসরি রোদ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পায়।

ছাতা, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

প্রচণ্ড রোদে বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করলে সরাসরি সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমে। পাশাপাশি অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে সুরক্ষিত রাখতে ইউভি-প্রটেকশনযুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের সুরক্ষায় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। বাইরে যাওয়ার আগে এটি লাগান এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় ব্যবহার করুন।

খাদ্যতালিকায় রাখুন হালকা ও পানিসমৃদ্ধ খাবার

গরমের সময় সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ডাল, মৌসুমি ফল ও পানিসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। তরমুজ, শসা, পেঁপে ও কমলাজাতীয় ফল শরীরে পানি সরবরাহে সহায়তা করে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে অস্বস্তি হতে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন। পাশাপাশি খাবার পরিষ্কার ও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি।

অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন

তীব্র গরমে ভারী কাজ বা কঠোর ব্যায়াম করলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। বাইরে কাজ করতে হলে নিয়মিত বিরতি নিন, ছায়ায় বিশ্রাম করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি ভাব বা পেশিতে টান ধরলে কাজ বন্ধ করে ঠান্ডা জায়গায় চলে যান।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকে অস্বস্তি ও ঘামাচির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত গোসল করুন, পরিষ্কার ও শুকনো পোশাক পরুন এবং ঘামে ভেজা কাপড় দ্রুত পরিবর্তন করুন। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি খাবার ও পানির নিরাপত্তার দিকেও খেয়াল রাখুন।

ঘর রাখুন যতটা সম্ভব ঠান্ডা

দিনের বেলায় জানালার পর্দা টেনে সরাসরি রোদ প্রবেশ কমান। ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন এবং সম্ভব হলে ফ্যান বা শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করুন। তবে অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শুধু ফ্যানের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শীতল স্থানে অবস্থান করা জরুরি।

শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিন

শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষ গরমের কারণে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। তাদের নিয়মিত পানি পান করতে উৎসাহিত করুন, রোদে যাওয়া সীমিত রাখুন এবং ঠান্ডা পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করুন। শিশু বা বয়স্কদের শরীরে অস্বাভাবিক দুর্বলতা কিংবা অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন

অতিরিক্ত গরমে বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক আচরণ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা শরীরের তাপমাত্রা অত্যধিক বেড়ে যাওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এটি একটি জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থা। এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ভেজা কাপড়, ঠান্ডা পানি বা অন্যান্য উপযুক্ত পদ্ধতিতে দ্রুত শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করুন। ব্যক্তি অচেতন বা বিভ্রান্ত থাকলে মুখে পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেবেন না।

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে খুব জটিল কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত পানি পান, রোদ এড়িয়ে চলা, উপযুক্ত পোশাক পরা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরের সংকেত সম্পর্কে সচেতন থাকাই হতে পারে বড় সুরক্ষা। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রতিও যত্নশীল হোন। সামান্য সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে গরমের দিনগুলোতেও সুস্থ ও নিরাপদ থাকা সম্ভব।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Oct 2026 07:05:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118790" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118790</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড গরম ও তীব্র রোদে সুস্থ থাকা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে জনজীবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট এক্সহস্টশন এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তবে কিছু সতর্কতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চললে সহজেই গরমের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি হারায়। ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যা। তাই তৃষ্ণা পাওয়ার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন। অতিরিক্ত ঘাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওরস্যালাইন বা উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানীয় গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

প্রখর রোদ এড়িয়ে চলুন

সাধারণত দিনের মধ্যভাগে, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে ছায়াযুক্ত পথ ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে কাজের সময় সকাল বা বিকেলের দিকে নির্ধারণ করুন।

পোশাক নির্বাচনে সতর্ক থাকুন

গরমে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক পরুন। সুতি বা ঘাম শোষণকারী কাপড় শরীরকে তুলনামূলক আরামদায়ক রাখতে সাহায্য করে। বাইরে বের হওয়ার সময় টুপি বা ক্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে মাথা ও মুখ সরাসরি রোদ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পায়।

ছাতা, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

প্রচণ্ড রোদে বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করলে সরাসরি সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমে। পাশাপাশি অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে সুরক্ষিত রাখতে ইউভি-প্রটেকশনযুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের সুরক্ষায় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। বাইরে যাওয়ার আগে এটি লাগান এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় ব্যবহার করুন।

খাদ্যতালিকায় রাখুন হালকা ও পানিসমৃদ্ধ খাবার

গরমের সময় সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ডাল, মৌসুমি ফল ও পানিসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। তরমুজ, শসা, পেঁপে ও কমলাজাতীয় ফল শরীরে পানি সরবরাহে সহায়তা করে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে অস্বস্তি হতে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন। পাশাপাশি খাবার পরিষ্কার ও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি।

অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন

তীব্র গরমে ভারী কাজ বা কঠোর ব্যায়াম করলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। বাইরে কাজ করতে হলে নিয়মিত বিরতি নিন, ছায়ায় বিশ্রাম করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি ভাব বা পেশিতে টান ধরলে কাজ বন্ধ করে ঠান্ডা জায়গায় চলে যান।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকে অস্বস্তি ও ঘামাচির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত গোসল করুন, পরিষ্কার ও শুকনো পোশাক পরুন এবং ঘামে ভেজা কাপড় দ্রুত পরিবর্তন করুন। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি খাবার ও পানির নিরাপত্তার দিকেও খেয়াল রাখুন।

ঘর রাখুন যতটা সম্ভব ঠান্ডা

দিনের বেলায় জানালার পর্দা টেনে সরাসরি রোদ প্রবেশ কমান। ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন এবং সম্ভব হলে ফ্যান বা শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করুন। তবে অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শুধু ফ্যানের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শীতল স্থানে অবস্থান করা জরুরি।

শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিন

শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষ গরমের কারণে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। তাদের নিয়মিত পানি পান করতে উৎসাহিত করুন, রোদে যাওয়া সীমিত রাখুন এবং ঠান্ডা পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করুন। শিশু বা বয়স্কদের শরীরে অস্বাভাবিক দুর্বলতা কিংবা অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন

অতিরিক্ত গরমে বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক আচরণ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা শরীরের তাপমাত্রা অত্যধিক বেড়ে যাওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এটি একটি জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থা। এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ভেজা কাপড়, ঠান্ডা পানি বা অন্যান্য উপযুক্ত পদ্ধতিতে দ্রুত শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করুন। ব্যক্তি অচেতন বা বিভ্রান্ত থাকলে মুখে পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেবেন না।

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে খুব জটিল কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত পানি পান, রোদ এড়িয়ে চলা, উপযুক্ত পোশাক পরা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরের সংকেত সম্পর্কে সচেতন থাকাই হতে পারে বড় সুরক্ষা। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রতিও যত্নশীল হোন। সামান্য সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে গরমের দিনগুলোতেও সুস্থ ও নিরাপদ থাকা সম্ভব।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Oct 2026 07:05:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118789" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118789</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড গরম ও তীব্র রোদে সুস্থ থাকা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে জনজীবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট এক্সহস্টশন এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তবে কিছু সতর্কতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চললে সহজেই গরমের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি হারায়। ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যা। তাই তৃষ্ণা পাওয়ার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন। অতিরিক্ত ঘাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওরস্যালাইন বা উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানীয় গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

প্রখর রোদ এড়িয়ে চলুন

সাধারণত দিনের মধ্যভাগে, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে ছায়াযুক্ত পথ ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে কাজের সময় সকাল বা বিকেলের দিকে নির্ধারণ করুন।

পোশাক নির্বাচনে সতর্ক থাকুন

গরমে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক পরুন। সুতি বা ঘাম শোষণকারী কাপড় শরীরকে তুলনামূলক আরামদায়ক রাখতে সাহায্য করে। বাইরে বের হওয়ার সময় টুপি বা ক্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে মাথা ও মুখ সরাসরি রোদ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পায়।

ছাতা, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

প্রচণ্ড রোদে বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করলে সরাসরি সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমে। পাশাপাশি অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে সুরক্ষিত রাখতে ইউভি-প্রটেকশনযুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের সুরক্ষায় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। বাইরে যাওয়ার আগে এটি লাগান এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় ব্যবহার করুন।

খাদ্যতালিকায় রাখুন হালকা ও পানিসমৃদ্ধ খাবার

গরমের সময় সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ডাল, মৌসুমি ফল ও পানিসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। তরমুজ, শসা, পেঁপে ও কমলাজাতীয় ফল শরীরে পানি সরবরাহে সহায়তা করে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে অস্বস্তি হতে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন। পাশাপাশি খাবার পরিষ্কার ও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি।

অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন

তীব্র গরমে ভারী কাজ বা কঠোর ব্যায়াম করলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। বাইরে কাজ করতে হলে নিয়মিত বিরতি নিন, ছায়ায় বিশ্রাম করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি ভাব বা পেশিতে টান ধরলে কাজ বন্ধ করে ঠান্ডা জায়গায় চলে যান।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকে অস্বস্তি ও ঘামাচির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত গোসল করুন, পরিষ্কার ও শুকনো পোশাক পরুন এবং ঘামে ভেজা কাপড় দ্রুত পরিবর্তন করুন। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি খাবার ও পানির নিরাপত্তার দিকেও খেয়াল রাখুন।

ঘর রাখুন যতটা সম্ভব ঠান্ডা

দিনের বেলায় জানালার পর্দা টেনে সরাসরি রোদ প্রবেশ কমান। ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন এবং সম্ভব হলে ফ্যান বা শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করুন। তবে অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে শুধু ফ্যানের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শীতল স্থানে অবস্থান করা জরুরি।

শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিন

শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষ গরমের কারণে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। তাদের নিয়মিত পানি পান করতে উৎসাহিত করুন, রোদে যাওয়া সীমিত রাখুন এবং ঠান্ডা পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করুন। শিশু বা বয়স্কদের শরীরে অস্বাভাবিক দুর্বলতা কিংবা অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন

অতিরিক্ত গরমে বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক আচরণ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা শরীরের তাপমাত্রা অত্যধিক বেড়ে যাওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এটি একটি জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থা। এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ভেজা কাপড়, ঠান্ডা পানি বা অন্যান্য উপযুক্ত পদ্ধতিতে দ্রুত শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করুন। ব্যক্তি অচেতন বা বিভ্রান্ত থাকলে মুখে পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেবেন না।

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে খুব জটিল কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত পানি পান, রোদ এড়িয়ে চলা, উপযুক্ত পোশাক পরা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরের সংকেত সম্পর্কে সচেতন থাকাই হতে পারে বড় সুরক্ষা। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রতিও যত্নশীল হোন। সামান্য সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে গরমের দিনগুলোতেও সুস্থ ও নিরাপদ থাকা সম্ভব।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Oct 2026 07:04:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবিবাহিত বন্ধুদের যে ৬ কথা না বলাই ভালো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118768" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118768</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বয়স বিশের কোটা পেরোতেই বন্ধুমহলে একে একে বিয়ের আয়োজন শুরু হয়। কেউ নতুন সংসার গড়েন, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নেন যুগল ছবি। এর মধ্যে কেউ কেউ অবিবাহিত থেকে গেলে আড্ডায় কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাকে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।

অনেক সময় নিছক কৌতূহল বা মজার ছলে বলা কথাও অবিবাহিত বন্ধুকে বিব্রত করতে পারে। এমনকি এসব মন্তব্য থেকে বন্ধুত্বে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তাই বন্ধুর মানসিক স্বস্তি ও সম্পর্কের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে কিছু কথা বলা থেকে বিরত থাকা জরুরি।


১. &lsquo;তোমার বিয়ের বয়স তো পার হয়ে যাচ্ছে&rsquo;

প্রত্যেক মানুষের জীবনযাপনের ধরন ও অগ্রাধিকার আলাদা। কেউ আগে নিজের কর্মজীবন গুছিয়ে নিতে চান, কেউ মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। আবার কেউ হয়তো নিজের পছন্দের মানুষটিকে এখনো খুঁজে পাননি।

তাই বয়সের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্তকে মিলিয়ে কাউকে চাপ দেওয়া ঠিক নয়। এমন মন্তব্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অস্বস্তিতে পড়তে পারেন এবং বিয়ে নিয়ে বাড়তি মানসিক চাপে ভুগতে পারেন।


২. &lsquo;আর কত বাছবিচার করবে?&rsquo;


জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের নিজস্ব পছন্দ ও চাহিদা থাকে। সারা জীবন একসঙ্গে কাটানোর জন্য উপযুক্ত মানুষ খুঁজতে সময় নেওয়া অস্বাভাবিক নয়।


কিন্তু কেউ পছন্দের মানুষ খুঁজতে সময় নিলেই তাকে অতিরিক্ত বাছবিচার করছেন বলে মন্তব্য করা উচিত নয়। এমন কথা তার সিদ্ধান্ত ও আত্মবিশ্বাসকে আঘাত করতে পারে।


৩. &lsquo;বিয়ে না করলে একা হয়ে যাবে&rsquo;


বিয়ে না করলেই মানুষ একাকী হয়ে পড়বেন, এমন ধারণা ঠিক নয়। অনেকেই অবিবাহিত থেকেও পরিবার, বন্ধু ও নিজের পছন্দের কাজ নিয়ে পরিপূর্ণ জীবন কাটান।


আবার বিয়ে করলেই যে একাকিত্ব থাকবে না, তারও নিশ্চয়তা নেই। তাই বন্ধুর ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করে তার বর্তমান জীবন ও সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই ভালো।


৪. &lsquo;বিয়ে করলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে&rsquo;


বিবাহিত জীবনে ভালো লাগা ও আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্ব এবং নানা চ্যালেঞ্জও থাকে। বিয়ে করলেই জীবনের সব সমস্যা দূর হয়ে যায় না।


কেউ মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলে কিংবা উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে না পেলে শুধু অন্যের কথায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই বিয়ের ভালো দিক তুলে ধরতে গিয়ে এর দায়িত্ব ও বাস্তবতাগুলো উপেক্ষা করা উচিত নয়।


৫. &lsquo;তোমার কি কোনো সমস্যা আছে?&rsquo;


নির্দিষ্ট বয়সে বিয়ে না করলে অনেক সময় মানুষকে নিয়ে নানা ধরনের অনুমান শুরু হয়। এমনকি বন্ধুরাও কখনো কখনো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করে বসেন।


কিন্তু কেউ অবিবাহিত কেন, তা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়। এমন প্রশ্নে তিনি বিব্রত বা অপমানিত বোধ করতে পারেন। তাই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অযাচিত মন্তব্য না করাই ভালো।


৬. &lsquo;তোমার তো কোনো দায়িত্বই নেই&rsquo;


অবিবাহিত মানুষের জীবনে দায়িত্ব বা মানসিক চাপ নেই, এমন ধারণাও ভুল। পরিবার, কর্মক্ষেত্র, আর্থিক অবস্থা কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদেরও নানা চিন্তা ও দায়িত্ব থাকতে পারে।


বিয়ে না করার কারণে কারও জীবনকে সহজ বা দায়িত্বহীন বলে ধরে নেওয়া তার ব্যক্তিগত সংগ্রামকে ছোট করে দেখার শামিল। তাই অন্যের পরিস্থিতি না জেনে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত।


বিয়ের সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত


বিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত। কখন বিয়ে করবেন, কাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন কিংবা আদৌ বিয়ে করবেন কি না&mdash;এটি প্রত্যেকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।


বন্ধুত্বের অর্থ শুধু একসঙ্গে আনন্দ করা নয়, বরং একে অপরের পছন্দ, সিদ্ধান্ত ও অনুভূতির প্রতিও শ্রদ্ধাশীল থাকা। তাই অবিবাহিত বন্ধুকে বারবার বিয়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার বদলে তার পাশে থাকা, কথা শোনা এবং সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।\

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Oct 2026 08:32:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118677" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118677</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারীদের দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনও কিডনির স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। উদ্বেগের বিষয় হলো, রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় তেমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাঁদের কিডনির কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। তাই সম্ভাব্য কিছু লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করালে এসব সমস্যা অজানা থেকে যেতে পারে। এতে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়, যা ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার সংক্রমণ এবং পানিশূন্যতার মতো সমস্যাও কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কিডনি রোগের ৫টি লক্ষণ, যেগুলো অবহেলা করবেন না

১. সকালে চোখ ও মুখ ফুলে যাওয়া

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের চারপাশ কিংবা মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। আবার প্রস্রাবের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া

পায়ের পাতা, গোড়ালি কিংবা পা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও পানি বের হতে অসুবিধা হয়। ফলে শরীরে তরল জমে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা ও হৃদ্&zwnj;রোগের কারণেও এমন হতে পারে।

৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি

শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও অন্যান্য খনিজের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা কিংবা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। এমন সমস্যা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৪. শ্বাসকষ্ট কিংবা বুকে চাপ অনুভব করা

কিডনির গুরুতর সমস্যার কারণে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। আবার কিডনি রোগের সঙ্গে হৃদ্&zwnj;যন্ত্রের সমস্যাও সম্পর্কিত হতে পারে। শ্বাসকষ্টের সঙ্গে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন

প্রস্রাবের পরিমাণ, রং কিংবা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। যেমন&mdash;

তবে এসব পরিবর্তনের পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে কিংবা প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ অনেক কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কিডনি সুস্থ রাখতে করণীয়

কিডনির রোগের ঝুঁকি কমাতে দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

চোখ-মুখ বা পা নিয়মিত ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন কিংবা অস্বাভাবিক ক্লান্তির মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা এবং প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

তবে মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে&mdash;এমন নয়। অন্য অনেক শারীরিক সমস্যার কারণেও একই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আবার দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে।

তাই শুধু উপসর্গের ওপর নির্ভর না করে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই কিডনির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 11 Oct 2026 07:45:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118621" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118621</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে দাঁত হারানোর চিকিৎসায় আসতে পারে নতুন সম্ভাবনা। জাপানের একদল গবেষক এমন একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ নিয়ে কাজ করছেন, যা মানুষের শরীরে নতুন দাঁত গজাতে সাহায্য করতে পারে।

গবেষকদের তৈরি এই ওষুধের নাম &lsquo;টিআরজি০৩৫&rsquo;। এর লক্ষ্য &lsquo;ইউএসএজি-১&rsquo; নামের একটি প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা। গবেষকদের ধারণা, এই প্রোটিন দাঁতের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে প্রোটিনটিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারলে শরীরে নতুন দাঁত গজানোর প্রক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে।


এর আগে প্রাণীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় ইউএসএজি-১ প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে নতুন দাঁত গজানোর সম্ভাবনাময় ফল পাওয়া যায়। সেই গবেষণার ভিত্তিতেই মানুষের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেন বিজ্ঞানীরা।

মানবদেহে ওষুধটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় মূলত ওষুধটির নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে মানুষের হারানো দাঁত নতুন করে গজানোর ক্ষেত্রে ওষুধটি কতটা কার্যকর, তা নিশ্চিত হতে আরও গবেষণা ও পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।

গবেষকদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, ভবিষ্যতে এই চিকিৎসাপদ্ধতি মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল, ওষুধটির নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর।

গবেষণাটি সফল হলে দাঁতের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। বিশেষ করে জন্মগতভাবে দাঁতের ঘাটতি রয়েছে কিংবা দাঁত হারিয়েছেন এমন মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এখনই দাঁত পড়ে গেলে ওষুধ খেয়ে নতুন দাঁত গজানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না। চিকিৎসাটি এখনো গবেষণাধীন এবং এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Oct 2026 08:01:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118549" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118549</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি &lsquo;নকল&rsquo; বা &lsquo;প্লাস্টিকের ডিম&rsquo; নিয়ে নানা ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্রেতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। বাজার থেকে ডিম কেনার পর সেটি আসল নাকি নকল&mdash;তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে ডিমের খোসার অবস্থা, সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ, রং ও চেহারা পর্যবেক্ষণ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ডিম কেনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এমন ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। খুচরা বিক্রির ক্ষেত্রে ডিম যথাযথ ঠান্ডা তাপমাত্রায় রাখা হয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

ডিম কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল করবেন

১. খোসা ভালোভাবে দেখুন ডিমের খোসা সাধারণত পুরোপুরি মসৃণ হয় না; এতে সামান্য খসখসে ভাব বা প্রাকৃতিক দাগ থাকতে পারে। তবে শুধু খোসার মসৃণতা বা রুক্ষতা দেখে কোনো ডিমকে নকল বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না। খোসায় ফাটল, ময়লা বা অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন আছে কি না, সেটিই আগে দেখা উচিত।

২. ঝাঁকিয়ে দেখার পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায় না ডিম কানের কাছে নিয়ে হালকা ঝাঁকালে তাজা ডিমে সাধারণত ভেতরে তরল নড়াচড়ার শব্দ শোনা যায় না। পুরোনো ডিমে কিছুটা শব্দ হতে পারে। তবে এই পরীক্ষার মাধ্যমে ডিম &lsquo;প্লাস্টিকের&rsquo; কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

৩. ওজন নিয়ে সতর্ক থাকুন একই আকারের ডিমের ওজনে সামান্য পার্থক্য থাকতেই পারে। তাই শুধু ডিম তুলনামূলক হালকা বা ভারী মনে হচ্ছে কি না, তার ভিত্তিতে আসল-নকল নির্ধারণ করা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নয়।

৪. পানিতে ডুবিয়ে পরীক্ষা পানিতে ডিম ভাসা বা ডোবার বিষয়টি মূলত ডিমের বয়স ও ভেতরে তৈরি হওয়া বায়ুথলির সঙ্গে সম্পর্কিত। পুরোনো ডিম পানিতে ভাসতে পারে, আর তুলনামূলক তাজা ডিম ডুবে যেতে পারে। তাই পানিতে ডোবা বা ভাসার ওপর ভিত্তি করে ডিমকে &lsquo;আসল&rsquo; বা &lsquo;নকল&rsquo; বলা ঠিক নয়।

৫. ডিম ভাঙার পর গন্ধ ও চেহারা দেখুন ডিম ভাঙার পর অস্বাভাবিক বা তীব্র দুর্গন্ধ পাওয়া গেলে সেটি না খাওয়াই নিরাপদ। কুসুম ও সাদা অংশের রং, গঠন বা চেহারায় অস্বাভাবিকতা দেখা গেলেও সতর্ক হওয়া উচিত। তবে সামান্য রং বা গঠনের পার্থক্য সবসময় ডিম নষ্ট হওয়ার প্রমাণ নয়।

ভালোভাবে রান্না করাও গুরুত্বপূর্ণ

ডিম নিরাপদে খাওয়ার জন্য সঠিকভাবে রান্না করা গুরুত্বপূর্ণ। ইউএসডিএর পরামর্শ অনুযায়ী, ডিম এমনভাবে রান্না করা উচিত যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিম দিয়ে তৈরি খাবারের ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত তাপমাত্রায় রান্না নিশ্চিত করা জরুরি।

তাই বাজার থেকে ডিম কেনার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজবে আতঙ্কিত না হয়ে কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন। ডিমের খোসা অক্ষত কি না, কোথায় ও কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না&mdash;এসব বিষয়ই আগে যাচাই করুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শুধু খোসা, ওজন, ঝাঁকানোর শব্দ বা পানিতে ডোবা-ভাসার মতো ঘরোয়া পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো ডিমকে &lsquo;প্লাস্টিকের&rsquo; বা &lsquo;নকল&rsquo; বলে নিশ্চিত করা যায় না।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 08 Oct 2026 07:51:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118489" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118489</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্&zwnj;রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে অনেক ক্ষেত্রেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে মাংসের পরিমাণ কমিয়ে শাকসবজি, ফলমূল ও পূর্ণ শস্যের মতো উদ্ভিদজাত খাবার বেশি খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

তবে শুধু একটি বা দুটি খাবার বাদ দেওয়াই যথেষ্ট নয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি, দ্রবণীয় আঁশ এবং উদ্ভিদজাত উপাদান বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাসে যেসব পরিবর্তন আনা যেতে পারে, সেগুলো হলো&mdash;

খাবারে রাখুন স্বাস্থ্যকর চর্বি

সব ধরনের চর্বি শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। উদ্ভিজ্জ তেল ও বিভিন্ন উদ্ভিদজাত খাবারে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো। তাই খাবারের তালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস রাখা যেতে পারে।

তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, বিভিন্ন বীজ ও কিছু উদ্ভিদজাত খাবারে স্বাস্থ্যকর চর্বি পাওয়া যায়। বিপরীতে সম্পৃক্ত চর্বি বেশি থাকা খাবার যতটা সম্ভব সীমিত রাখা ভালো।

স্বাস্থ্যকর চর্বির কিছু ভালো উৎস হলো&mdash;


	
	অ্যাভোকাডো: এতে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ওলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
	
	
	তৈলাক্ত মাছ: স্যামন, ম্যাকেরেল ও সার্ডিনের মতো মাছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এগুলো হৃদ্&zwnj;যন্ত্র ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
	
	
	বাদাম ও বীজ: আখরোট, আমন্ড, চিয়া বীজ ও তিসির বীজে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পাশাপাশি ফাইবার ও প্রোটিনও পাওয়া যায়।
	
	
	অলিভ অয়েল: এতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
	
	
	ডার্ক চকোলেট: ৭০ শতাংশ বা তার বেশি কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও কিছু স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। তবে এটি পরিমিত খাওয়া উচিত।
	
	
	ডিম: কুসুমসহ ডিমে উচ্চমানের প্রোটিনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
	
	
	পূর্ণ চর্বিযুক্ত দই: এতে প্রোবায়োটিক ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। তবে মোট খাদ্যতালিকার ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
	


বাড়ান দ্রবণীয় আঁশের পরিমাণ

দ্রবণীয় আঁশ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করতে পারে। ওটস, ফলমূল, শাকসবজি এবং বিভিন্ন ডালজাতীয় খাবারে এই ধরনের আঁশ পাওয়া যায়।

দ্রবণীয় আঁশের ভালো উৎস হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন&mdash;


	
	ওটস ও ওটমিল
	
	
	বার্লি বা যব
	
	
	চিয়া বীজ ও তিসির বীজ
	
	
	মসুর ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি ও শিম
	
	
	আপেল, নাশপাতি, কমলা ও অন্যান্য সাইট্রাস ফল
	
	
	কলা ও অ্যাভোকাডো
	
	
	গাজর, মিষ্টি আলু ও ব্রকলি
	


স্বাস্থ্যকর চর্বির পাশাপাশি নিয়মিত দ্রবণীয় আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

খাদ্যতালিকায় রাখুন উদ্ভিদ স্টেরল ও স্ট্যানল

উদ্ভিদে প্রাকৃতিকভাবে থাকা কিছু উপাদান শরীরে কোলেস্টেরল শোষণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো উদ্ভিদ স্টেরল ও স্ট্যানল নামে পরিচিত।

গঠনের দিক থেকে কোলেস্টেরলের সঙ্গে মিল থাকায় এসব উপাদান অন্ত্রে কোলেস্টেরল শোষণে কিছুটা বাধা দিতে পারে। বর্তমানে কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবারেও উদ্ভিদ স্টেরল ও স্ট্যানল যোগ করা হয়।

সবার জন্য একই খাদ্যতালিকা নয়

একজনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর হলেও সেটি সবার জন্য সমান ফল দেবে&mdash;এমনটা নয়। মানুষের শারীরিক গঠন, জীবনযাপন ও বংশগত বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যের কারণে একই খাবারে শরীরের প্রতিক্রিয়াও ভিন্ন হতে পারে।

তাই একটি নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা অনুসরণ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। নিজের শরীর ও প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস তৈরি করতে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন অনেকের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে এর প্রভাব একই রকম নাও হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও যদি কোলেস্টেরল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না আসে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 07 Oct 2026 07:48:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118442" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118442</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রিয় পারফিউমটি কিছুদিন ব্যবহারের পর আগের মতো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে না&mdash;এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। এর জন্য সবসময় সুগন্ধির মান বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যায় না। ভুলভাবে সংরক্ষণ করলেও সময়ের সঙ্গে পারফিউমের ঘ্রাণ ও কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

তাপ, আলো, আর্দ্রতা এবং বাতাসের সংস্পর্শে পারফিউমের সুগন্ধি উপাদানের রাসায়নিক গঠনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসে। তবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন এর ঘ্রাণ ভালো রাখা সম্ভব।

কোথায় রাখবেন পারফিউম?

পারফিউম রাখার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো ঠান্ডা, অন্ধকার ও শুষ্ক স্থান। শোবার ঘরের ড্রয়ার বা আলমারির ভেতর এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত। পারফিউম কেনার সময় যে বাক্সটি পাওয়া যায়, সেটিও ফেলে না দিয়ে ব্যবহার করা ভালো। এতে বোতলটি আলো থেকে সুরক্ষিত থাকে।

অনেকে পারফিউম দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য ফ্রিজে রাখেন। তবে নিয়মিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত এর প্রয়োজন নেই। বরং বাথরুমে পারফিউম রাখা এড়িয়ে চলাই ভালো। গোসলের সময় তৈরি হওয়া তাপ ও আর্দ্রতার কারণে বাথরুমের তাপমাত্রা বারবার পরিবর্তিত হয়, যা পারফিউমের উপাদানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া জানালার পাশে বা সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে এমন জায়গায়ও পারফিউম রাখা উচিত নয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সুগন্ধি তেলের রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন আনতে পারে। এতে সময়ের সঙ্গে পারফিউমের স্বাভাবিক ঘ্রাণ নষ্ট হতে পারে।

ব্যবহারের পর ঢাকনা বন্ধ রাখুন

পারফিউম ব্যবহারের পর বোতলের ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ করে রাখা জরুরি। বোতল খোলা থাকলে বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে দীর্ঘদিনে সুগন্ধির উপাদানে পরিবর্তন ঘটতে পারে।

এ কারণে স্প্রে বোতলের পারফিউম ব্যবহার করা তুলনামূলক সুবিধাজনক। ব্যবহারের পর দ্রুত ঢাকনা লাগিয়ে দিলে বাতাসের সংস্পর্শও কম হয়।

শরীরে ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়

পারফিউম শুধু ভালোভাবে সংরক্ষণ করলেই হবে না, শরীরে এর সুবাস দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখার জন্যও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার।

শুষ্ক ত্বকের তুলনায় আর্দ্র ত্বকে পারফিউমের ঘ্রাণ সাধারণত বেশি সময় স্থায়ী হয়। তাই পারফিউম ব্যবহারের আগে সুগন্ধিহীন ময়েশ্চারাইজার বা বডি লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে।

পারফিউম স্প্রে করার পর কবজি দুটো পরস্পরের সঙ্গে ঘষা উচিত নয়। এতে ঘর্ষণ ও তাপের কারণে সুগন্ধির ওপরের স্তরের ঘ্রাণ দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। স্প্রে করার পর সেটিকে স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে যেতে দেওয়া ভালো।

ঘাড়, কবজি, কানের পেছনে এবং কনুইয়ের ভাঁজের মতো পালস পয়েন্টে পারফিউম ব্যবহার করলে শরীরের উষ্ণতার কারণে সুবাস ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

পারফিউম নষ্ট হওয়ার লক্ষণ

পারফিউম নষ্ট হয়ে গেলে সাধারণত কিছু পরিবর্তন চোখে পড়ে। যেমন&mdash;রং অস্বাভাবিকভাবে গাঢ় বা বাদামি হয়ে যাওয়া, তরল ঘন হয়ে যাওয়া কিংবা ভিনেগারের মতো অস্বাভাবিক গন্ধ পাওয়া।

এসব লক্ষণ দেখা দিলে ধরে নেওয়া যায়, পারফিউমের গুণগত মানে পরিবর্তন এসেছে এবং এর মূল সুবাস আর আগের মতো নেই।

তাই প্রিয় পারফিউম দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শুষ্ক জায়গায় সংরক্ষণ করা, সরাসরি রোদ ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা এড়িয়ে চলা এবং প্রতিবার ব্যবহারের পর বোতলের ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Oct 2026 06:40:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পরীক্ষার আগেই কুকুর শনাক্ত করবে ক্যানসার!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118390" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118390</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

রক্ত পরীক্ষা, বায়োপসি কিংবা স্ক্যানের আগেই মানুষের নিঃশ্বাসের গন্ধ শনাক্ত করে ক্যানসারের সম্ভাবনা বুঝতে পারবে কুকুর&mdash;এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে নতুন এক গবেষণায়। কুকুরের অসাধারণ ঘ্রাণশক্তির সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যুক্ত করে এই পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন ভারতের একদল গবেষক।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি ও গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বেঙ্গালুরুর উপকণ্ঠের কেম্পোহাল্লি গ্রামের একটি গবেষণাগারে &lsquo;ডগনোসিস&rsquo; নামের একটি বায়োটেক স্টার্টআপ এ নিয়ে কাজ করছে।

গবেষকদের মতে, মানবদেহে কোনো রোগের উপস্থিতি তৈরি হলে শরীরের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে। এর প্রভাব পড়ে নিঃশ্বাসেও। সেখানে তৈরি হওয়া কিছু রাসায়নিক উপাদান ও গন্ধ মানুষের পক্ষে শনাক্ত করা কঠিন হলেও প্রশিক্ষিত কুকুর তা ধরতে পারে।

মানুষের নাকে যেখানে প্রায় ৫০ লাখ ঘ্রাণগ্রাহী রিসেপ্টর রয়েছে, সেখানে কুকুরের নাকে এর সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি। এই বিশেষ ক্ষমতাকেই প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষায় কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন গবেষকেরা।

পদ্ধতিটি বেশ সহজ। প্রথমে একজন রোগীকে একটি সুতি মাস্কে প্রায় ১০ মিনিট স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে হবে। পরে মাস্কটি একটি ব্যাগে সংরক্ষণ করে গবেষণাগারে পাঠানো হবে। ফলে নমুনা পরীক্ষা করার সময় রোগীর সঙ্গে কুকুরের সরাসরি কোনো সংস্পর্শের প্রয়োজন হবে না।

এরপর প্রশিক্ষিত কুকুর নমুনাটির গন্ধ শনাক্ত করবে। কুকুরের আচরণ, শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি ও মস্তিষ্কের তরঙ্গসহ বিভিন্ন তথ্য সেন্সরের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। পরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ফলাফল নির্ধারণে সহায়তা করবে।

ডগনোসিসের সহপ্রতিষ্ঠাতা আকাশ কুলগোদ ও ইসরায়েলি স্পেশাল ফোর্সের ক্যানাইন ইউনিটের সাবেক সদস্য ইতামার বিতান যৌথভাবে উদ্যোগটি গড়ে তুলেছেন। কুকুরদের জন্য সেন্সরযুক্ত বিশেষ পোশাক ও থ্রিডি-প্রিন্টেড হেলমেটও তৈরি করা হয়েছে। আকাশ কুলগোদ মজা করে এই সরঞ্জামকে &lsquo;ডগি আয়রন ম্যান&rsquo; স্যুট নামে অভিহিত করেছেন।

গবেষকদের দাবি, প্রশিক্ষিত একটি কুকুর এক ঘণ্টায় হাজার হাজার নমুনা পরীক্ষা করতে পারে। ডগনোসিসের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় কর্ণাটকের ছয়টি হাসপাতাল থেকে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গবেষকদের দাবি, সাত ধরনের প্রধান ক্যানসার শনাক্তে এই পদ্ধতি ৯০ শতাংশের বেশি নির্ভুলতা দেখিয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলেও গবেষণাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সাধারণ চিকিৎসাব্যবস্থায় এই পদ্ধতি ব্যবহারের আগে আরও বড় পরিসরে ও স্বাধীনভাবে গবেষণা প্রয়োজন।

বেঙ্গালুরুর রামাইয়া মেমোরিয়াল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. সন্তোষ কুমার দেবদাস গবেষণাটিকে আশাব্যঞ্জক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে মনিপাল হাসপাতালের অনকোলজিস্ট ডা. নীলেশ রেড্ডি বৃহত্তর পরিসরে পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

গবেষণাগারে ল্যাব্রাডর মিক্স, বিগল, ম্যালিনয়েস ও শেফার্ডসহ প্রায় ১৫টি কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। &lsquo;স্নিফস্পেস&rsquo; নামের কেন্দ্রে ইতিবাচক প্রশিক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের নির্দিষ্ট গন্ধ শনাক্ত করতে শেখানো হয়।

কুকুরগুলোকে প্রতিদিন মাত্র ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট কাজ করানো হয়। সঠিকভাবে নমুনা শনাক্ত করতে পারলে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে তাদের খাবার বা পুরস্কার দেওয়া হয়।

গবেষকদের আশা, ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক অনুমোদন পেলে কম খরচের এই অ-আক্রমণাত্মক পদ্ধতি ক্যানসারের প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশে ক্যানসার শনাক্তকরণে দেরি হয়, সেখানে এটি দ্রুত রোগ শনাক্তের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Oct 2026 07:46:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বয়ফ্রেন্ড দিবস আজ, প্রিয়জনকে দিন ছোট্ট চমক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118284" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118284</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রিয় মানুষকে ভালোবাসা ও গুরুত্ব জানানোর জন্য বিশ্বজুড়ে নানা বিশেষ দিবস পালিত হয়। তেমনই একটি দিন &lsquo;বয়ফ্রেন্ড দিবস&rsquo;। প্রতি বছর ৩ অক্টোবর দিবসটি পালন করা হয়। প্রেমিককে ভালোবাসা, গুরুত্ব ও কৃতজ্ঞতা জানানোর একটি উপলক্ষ হিসেবেই দিনটি উদযাপন করা হয়।

বয়ফ্রেন্ড দিবসে প্রেমিকের সঙ্গে সময় কাটানো, তার পছন্দের কোনো কাজ করা কিংবা ছোট্ট উপহার দিয়ে তাকে বিশেষ অনুভব করানো যেতে পারে। সম্পর্ক নতুন হোক কিংবা দীর্ঘদিনের&mdash;এ দিনটি দুজনের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধন আরও গভীর করার একটি সুযোগ হতে পারে।

কেন পালিত হয় বয়ফ্রেন্ড দিবস?

গার্লফ্রেন্ড দিবস ১ আগস্ট পালনের জনপ্রিয়তা বাড়ার পর প্রেমিকদের জন্যও একটি বিশেষ দিন উদযাপনের চল শুরু হয়। যদিও গার্লফ্রেন্ড দিবসের প্রাথমিক ধারণার সঙ্গে নারী বন্ধুদের বন্ধুত্ব উদযাপনের বিষয়টি জড়িত ছিল, সময়ের সঙ্গে এটি প্রেমের সম্পর্ক উদযাপনের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে বয়ফ্রেন্ড দিবস মূলত প্রেমের সম্পর্ক উদযাপনকে কেন্দ্র করেই পালিত হয়। তবে দিনটিকে পুরুষ বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও বন্ধুত্ব প্রকাশের উপলক্ষ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

কীভাবে উদযাপন করবেন দিনটি?

প্রেমিককে খুশি করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। তার পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যাওয়া, একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়া কিংবা প্রিয় সিনেমা দেখা&mdash;এসব ছোট আয়োজনেই দিনটি হয়ে উঠতে পারে বিশেষ।

তার শখ বা পছন্দের কাজেও সঙ্গী হতে পারেন। যেমন&mdash;একসঙ্গে খেলাধুলা দেখা, কোথাও ঘুরতে যাওয়া কিংবা পছন্দের কোনো কাজে সময় কাটানো।

প্রেমিকের পছন্দের খাবার নিজ হাতে তৈরি করেও দিতে পারেন। চাইলে দুজনের প্রথম দেখা বা প্রথম ঘোরার জায়গায় আবার গিয়ে পুরোনো স্মৃতিগুলোও ফিরে দেখা যেতে পারে।

ছোট চমকেই বড় আনন্দ

প্রিয় মানুষকে চমকে দিতে দামি উপহারের প্রয়োজন নেই। তার পছন্দের ছোট কোনো জিনিস উপহার দিতে পারেন। চাইলে কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে গিয়ে আগে থেকেই তার জন্য ছোট্ট আয়োজন করে রাখতে পারেন।

ঘরেই উদযাপন করতে চাইলে তার পছন্দের খাবার, সিনেমা ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে একসঙ্গে সময় কাটানো যেতে পারে। মূল বিষয় হলো, তাকে বোঝানো&mdash;আপনার জীবনে তার গুরুত্ব কতটা।

ফিরিয়ে আনুন প্রথম দিনের স্মৃতি

বয়ফ্রেন্ড দিবস উদযাপনের সুন্দর একটি উপায় হতে পারে সম্পর্কের শুরুর দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা। প্রথম যেদিন দেখা হয়েছিল, সম্ভব হলে সেই জায়গায় আবার যেতে পারেন। কিংবা প্রথম দেখা, প্রথম ঘোরাঘুরি বা সম্পর্কের শুরুর কোনো বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে গল্প করতে পারেন।

এতে পুরোনো স্মৃতিগুলো নতুন করে মনে পড়ার পাশাপাশি সম্পর্কেও আসতে পারে বাড়তি উষ্ণতা।

শুধু প্রেম নয়, উদযাপন হোক বন্ধুত্বেরও

বয়ফ্রেন্ড দিবসকে শুধু প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব উদযাপনের উপলক্ষ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

দীর্ঘদিন কথা হয়নি এমন কোনো বন্ধুকে ফোন করে খোঁজ নেওয়া, একটি বার্তা পাঠানো কিংবা একসঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো&mdash;ছোট এসব উদ্যোগও বন্ধুত্বকে আরও গভীর করতে পারে।

বয়ফ্রেন্ড দিবসের শুরু কীভাবে?

বয়ফ্রেন্ড দিবসের সঠিক সূচনা বা প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য খুব বেশি পাওয়া যায় না। দিবসটি কবে বা কার উদ্যোগে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়টিও স্পষ্ট নয়। তবে এর মূল উদ্দেশ্য হিসেবে প্রেমিকের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং সম্পর্কের আনন্দ উদযাপনকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তাই ৩ অক্টোবর বড় কোনো আয়োজনের চেয়ে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো, তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং জীবনে তার গুরুত্ব বোঝানোই হতে পারে বয়ফ্রেন্ড দিবস উদযাপনের সবচেয়ে সুন্দর উপায়।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Oct 2026 07:26:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীদের শরীরে অতিরিক্ত লোমের কারণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118033" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/118033</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারীদের শরীরের কিছু অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি লোম দেখা দিলে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন চর্মরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেরয়েডযুক্ত মলম থেকে শুরু করে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা&mdash;বিভিন্ন কারণেই শরীরে অতিরিক্ত লোম গজাতে পারে।

তবে লোম কোন কোন অংশে বাড়ছে এবং সেগুলোর ধরন কেমন&mdash;এগুলো কারণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

স্টেরয়েডের মলমেও বাড়তে পারে লোম

একজিমার মতো চর্মরোগে আক্রান্ত স্থানে দীর্ঘদিন স্টেরয়েডযুক্ত মলম ব্যবহার করলে সেখানে অতিরিক্ত লোম দেখা দিতে পারে। একে অতিরিক্ত লোম গজানো বা হাইপারট্রাইকোসিস বলা হয়।

এ ধরনের লোম সাধারণত সূক্ষ্ম, নরম, হালকা ও ছোট হয়। দেখতে অনেকটা ত্বকের স্বাভাবিক সূক্ষ্ম লোমের মতোই হয়ে থাকে।

নিয়মিত স্টেরয়েডের মলম ব্যবহারের জায়গাতেই যদি লোমের বৃদ্ধি বেশি দেখা যায়, তাহলে মলমটি এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।

মলম ব্যবহার বন্ধ করার পর ধীরে ধীরে লোমের বৃদ্ধি কমে আসতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এ সমস্যা দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। একজিমার চিকিৎসায় স্টেরয়েডের পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ পরিবর্তন করলে সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত লোমের সমস্যাও কমে আসতে পারে।

শুধু মলম নয়, থাকতে পারে অন্য কারণ

শরীরের বড় একটি অংশজুড়ে অতিরিক্ত লোম দেখা দিলে এর পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।

দীর্ঘদিন মুখে খাওয়ার স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করলেও শরীরে অতিরিক্ত লোম গজাতে পারে। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে গেলেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরে বৃদ্ধির হরমোন অতিরিক্ত পরিমাণে তৈরি হলেও শরীরের বিভিন্ন অংশে লোমের বৃদ্ধি বেড়ে যেতে পারে।

নারীদের মুখে মোটা লোম কেন হয়

নারীদের মুখ বা শরীরের এমন জায়গায় যদি স্বাভাবিকের তুলনায় মোটা ও কালো লোম গজায়, যেখানে সাধারণত খুব বেশি লোম থাকে না, তাকে হিরসুটিজম বলা হয়।

এ ধরনের লোম সাধারণত ওপরের ঠোঁট, থুতনি, বুক এবং স্তনবৃন্তের আশপাশে দেখা যেতে পারে। এগুলো সাধারণ সূক্ষ্ম লোমের মতো নয়; বরং তুলনামূলকভাবে মোটা ও গাঢ় রঙের হয়ে থাকে।

অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের অন্য নারীদের মধ্যেও একই ধরনের প্রবণতা থাকলে এটি বংশগত কারণেও হতে পারে।

হরমোনের সমস্যাও দায়ী হতে পারে

নারীর শরীরে পুরুষ হরমোন বা অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলেও মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশে অতিরিক্ত মোটা লোম গজাতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা অনেক সময় ডিম্বাশয়ের হরমোন ও বিপাকীয় সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। তুলনামূলকভাবে কম ক্ষেত্রে অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির সমস্যাও এর কারণ হতে পারে।

এ ছাড়া স্থূলতার কারণেও শরীরে অ্যান্ড্রোজেনের কার্যকারিতা বেড়ে গিয়ে মোটা ও গাঢ় লোমের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হতে পারে।

কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

শরীরে অতিরিক্ত লোম গজানোর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তাই শুধু লোমের ধরন দেখে নিজে থেকে কোনো রোগ বা হরমোনজনিত সমস্যা ধরে নেওয়া উচিত নয়।

শরীরের কোন অংশে লোম বাড়ছে, লোমের ধরন কেমন এবং দীর্ঘদিন কোনো ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না&mdash;এসব বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারেন।

প্রয়োজনে অতিরিক্ত লোম কমানো বা অপসারণের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়েও চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা যেতে পারে। তাই হঠাৎ করে বা অস্বাভাবিকভাবে লোমের বৃদ্ধি চোখে পড়লে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 24 Sep 2026 07:43:24 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
