<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.sunnews24x7.com/feed/sodesh</id>
                                <link href="https://archive.sunnews24x7.com/feed/sodesh"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews sodesh Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest sodesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 23 Oct 2026 07:14:00 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[আজ থেকে আগের সময়সূচিতে ফিরল মার্কেট ও শপিং মল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119144" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119144</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দোকানপাট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার যে সাময়িক সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আবারও আগের নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে। এর ফলে দোকানপাট ও বিপণিবিতানের কার্যক্রম দুই ঘণ্টা কমে গেল।

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও বন্ধের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ৫ অক্টোবর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, ওই বিশেষ সুবিধার সময়সীমা শেষ হওয়ায় ২৩ অক্টোবর থেকে আবারও রাত ৮টার মধ্যে দোকান, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ আগের নির্ধারিত সময়সূচিই ফের কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বছরের শুরু থেকেই খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিতে একাধিকবার পরিবর্তন আনা হয়। প্রথমদিকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলেও ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে পরে সময় বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

এরপর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে জুনে বন্ধের সময় রাত ৯টা নির্ধারণ করা হয়। পরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে আগস্টে সময় আরও এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হয়। সেই সিদ্ধান্তই এখন পুনরায় কার্যকর হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সূচি সমন্বয় করে আসছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 07:14:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ দেশে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119143" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119143</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশি প্রবাসী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, নিহত শাহেদের পরিবারের পাশে সরকার থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে। পরে নিহতের স্বজনদের হাতে সরকারি আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত ১১ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতদের মধ্যে ছিলেন বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আহম্মদ।

শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, সংঘাতের কারণে সৌদি আরবে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরকার কাজ করছে।

এদিকে, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত অবস্থা জানতে রায়ের অনুলিপি চেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 07:04:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইনের শাসনে দুই ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119132" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119132</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের (ডব্লিউজেপি) প্রকাশিত &lsquo;আইনের শাসন সূচক ২০২৬&rsquo; অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশের সার্বিক স্কোরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এর ফলে সূচকে দেশের অবস্থান দুই ধাপ এগিয়ে ১২৫তম থেকে ১২৩তম স্থানে উঠে এসেছে। তবে উন্নতি সত্ত্বেও আইনের শাসনে বেশ কয়েকটি আফ্রিকান অর্থনীতির দেশের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

ডব্লিউজেপির এই সূচকে ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম। বাংলাদেশের সামনে রয়েছে জিম্বাবুয়ে (১২২তম), নাইজেরিয়া (১২০তম), সিয়েরা লিওন (১১০তম), লাইবেরিয়া (১০৩তম), কেনিয়া (১০০তম) এবং ঘানা (৬২তম)।

২০২৫ সালের ০.৩৯১ স্কোরের তুলনায় এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ০.৬ শতাংশ বেড়ে ১-এর মধ্যে ০.৩৯৩ হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫তম শীর্ষ অগ্রগতি অর্জনকারী এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অগ্রগতি অর্জনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ উন্নতি হয়ে ১২৫তম থেকে ১২৩তম স্থানে উঠলেও প্রাপ্ত স্কোর বৈশ্বিক গড় ০.৫৫-এর নিচেই রয়ে গেছে।

এই সূচকটি আটটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে দেশগুলোকে মূল্যায়ন করে। এগুলো হলো- সরকারি ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতিমুক্ত অবস্থা, উন্মুক্ত সরকার, মৌলিক অধিকার, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, বিধি-বিধানের প্রয়োগ, দেওয়ানি বিচার এবং ফৌজদারি বিচার। আটটি মানদণ্ডের মধ্যে বাংলাদেশ কেবল তিনটিতে&mdash;সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতির অনুপস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োগ&mdash;উন্নতি করেছে। অন্যদিকে বাকি পাঁচটি মানদণ্ডে দেশটির পারফরম্যান্স বা অবস্থানের অবনতি হয়েছে।

দেশের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দেখা গেছে মৌলিক অধিকার রক্ষায়। এই খাতে বাংলাদেশ ১৪৩টি দেশের মধ্যে ১৩৩তম স্থানে রয়েছে, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন তালিকায় পড়ে০.৩০ স্কোর নিয়ে ১৪৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। একইভাবে দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থাতেও বাংলাদেশের অবস্থান বেশ দুর্বল, যা দেশটির দ্বিতীয় সর্বনিম্ন খাত। ০.৩৬ স্কোর নিয়ে এখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩২তম। এই মানদণ্ডটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার চিত্র মূল্যায়ন করে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োগ বা কার্যকরতায় ০.৪০ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১২৪তম এবং ফৌজদারি বিচারে ০.৩২ স্কোর নিয়ে ১১৭তম স্থানে রয়েছে। ঘুষ, অনুচিত প্রভাব ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের মাত্রা পরিমাপক &#39;দুর্নীতির অনুপস্থিতি&#39; মানদণ্ডে ০.৩৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩তম। আইনি জবাবদিহিতা পরিমাপক &#39;সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা&#39; মানদণ্ডে ০.৩৮ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১১১তম স্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো অবস্থান &#39;মুক্ত সরকার&#39; মানদণ্ডে। ০.৪১ স্কোর নিয়ে এখানে অবস্থান ১০৬তম। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা মানদণ্ডে ০.৬৩ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭তম। সমাজ কতটা কার্যকরভাবে ব্যক্তি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান করে&mdash;তা এই মানদণ্ডের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:41:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদায়ের অশ্রু আর ঢাকের সুরে শেষ হলো দুর্গোৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119107" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119107</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আনন্দ, ভক্তি আর আবেগঘন বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় এবারের দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গার বিদায়কে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সৃষ্টি হয় এক আবেগময় পরিবেশ, যেখানে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি বিদায়ের বিষণ্নতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

দশমীর দিনের শুরু হয় ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমে। সকালে নিয়ম অনুযায়ী দর্পণ-বিসর্জন সম্পন্ন করেন ভক্তরা। পরবর্তী সময়ে দেবীকে বরণ, প্রার্থনা এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন শুরু হয়। বিসর্জনের মুহূর্ত ঘিরে অনেক স্থানে ভক্তদের আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন দেবী দুর্গা মর্ত্যধাম থেকে কৈলাসে ফিরে যান এবং আগামী বছরের শরৎকালে পুনরায় আগমন করেন।

সনাতন ধর্মমতে, বিজয়া দশমী কেবল প্রতিমা বিসর্জনের দিন নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করারও একটি বিশেষ উপলক্ষ। মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা হিংসা, ক্রোধ, লোভ ও অহংকারের মতো নেতিবাচক প্রবৃত্তি পরিহার করে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার শিক্ষাই এই দিনের মূল বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর বোধন ও চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এবারের দুর্গোৎসব। পরবর্তী কয়েক দিনে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমীর নানা ধর্মীয় আচার ও পূজার মাধ্যমে ভক্তরা দেবীর আরাধনায় অংশ নেন। দেশের বিভিন্ন মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। নারী, পুরুষ, শিশু ও তরুণসহ সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত হয় এক বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা নির্ধারিত স্থানে সমবেত হন। পরে শত শত যানবাহনে করে প্রতিমা বহন করে একটি বিশাল শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করে বিসর্জনস্থলের দিকে অগ্রসর হয়। শোভাযাত্রাজুড়ে ছিল ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, ধর্মীয় সঙ্গীত এবং উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি।

শহরের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে অসংখ্য মানুষ শোভাযাত্রা উপভোগ করেন। জনসমাগমকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। বিসর্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নদীপথ ও স্থলপথে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করেন।

বিসর্জনের সময় ঢাকের করুণ সুর, উলুধ্বনি এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে একে একে প্রতিমা জলে নিমজ্জিত করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এটি বিদায় নয়; বরং আগামী বছরে দেবীর পুনরাগমনের প্রতিশ্রুতির প্রতীক। তাই অনেকের কণ্ঠে শোনা যায়, &quot;আসছে বছর আবার হবে&quot;।

তবে কিছু ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে প্রতিমা সম্পূর্ণ বিসর্জনের পরিবর্তে নির্দিষ্ট উপাচার বিসর্জনের রীতি অনুসরণ করা হয়। সেখানে পূজার বিভিন্ন উপাদান নির্ধারিত নিয়মে বিসর্জন দেওয়ার পর শান্তিজল সংগ্রহ করা হয়, যা ভবিষ্যৎ পূজার সঙ্গে আধ্যাত্মিকভাবে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

এ বছর সারা দেশে কয়েক হাজার মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটিগুলোও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। অধিকাংশ মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং নিরাপত্তা তদারকির বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। আনন্দ ও আবেগমাখা বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলেও ভক্তদের হৃদয়ে রয়ে গেছে আগামী বছরের অপেক্ষা এবং শান্তি, সম্প্রীতি ও মঙ্গলময় ভবিষ্যতের প্রত্যাশা।

সান নিউজ / রাজীব

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119105" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119105</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাঁচ দিনের বর্ণিল আয়োজন, ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং আনন্দ-উৎসবের পর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। দেবী দুর্গার বিদায়কে ঘিরে চট্টগ্রামে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। আগামী বছর পুনরায় দেবীর আগমনের প্রত্যাশায় ভক্তদের চোখে ছিল অশ্রু, কণ্ঠে ছিল শুভকামনা আর হৃদয়ে ছিল বিচ্ছেদের বেদনামিশ্রিত অনুভূতি।

আজ বুধবার দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন শুরু হয়। নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ এবং আশপাশের এলাকা থেকে ট্রাক, মিনি ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনে করে প্রতিমা আনা হয় সৈকতে। উৎসবের আমেজে শত শত ভক্ত শোভাযাত্রার সঙ্গে অংশ নেন। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে একে একে সাগরে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমা।

সকালের দিকে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ দেবীর শেষ দর্শনের জন্য মণ্ডপে উপস্থিত হন। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তেল, সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিবেদনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। অনেকের চোখে তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে বিদায়ের বেদনা। উৎসবের আনন্দের মধ্যেও দেবীকে বিদায় জানানোর মুহূর্ত আবেগাপ্লুত করে তোলে উপস্থিত সবার মন।

মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করার সময়ও ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নাচ-গান, ঢোল ও ঢাকের বাদ্যে মুখর হয়ে ওঠে নগরীর বিভিন্ন সড়ক। বিজয়া দশমীর এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং মিলনের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে সর্বত্র।



প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে মানুষের ঢল নামে। শিশু, কিশোর, তরুণ, প্রবীণসহ নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সৈকত এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের আবহ। দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বিসর্জন অনুষ্ঠানকে ঘিরে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতে আসেন। ফলে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি এটি পরিণত হয় এক বৃহৎ সামাজিক মিলনমেলায়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় থাকায় এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের সহযোগিতার ফলে উৎসব সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিসর্জন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। সৈকত এলাকা এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়, যাতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।



পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় মোট ২ হাজার ২৭৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া দুর্গোৎসব কয়েক দিনের নানা আয়োজন শেষে বিজয়া দশমীতে এসে পরিসমাপ্তি পায়। তবে আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি হলেও ভক্তদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা এখন আগামী বছরের দিকে। দেবী দুর্গার পুনরাগমনের আশায় বিদায়ের ক্ষণকে বরণ করে নিয়েছেন সবাই, রেখে গেছেন শুভশক্তির জয় এবং অশুভ শক্তির পরাজয়ের চিরন্তন বার্তা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:06:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদিতে ফের ফ্লাইট চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119103" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119103</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিভিন্ন রুটে আবারও ফ্লাইট চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে দাম্মামগামী ফ্লাইট চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে বিমানের রিয়াদগামী ফ্লাইট।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানিয়েছে, বুধবার থেকেই দাম্মামগামী ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টায় বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইটটি পরিচালিত হবে। এ ছাড়া ঢাকা-রিয়াদ রুটে আগামী ২৫ অক্টোবর রাত ১টা ২৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর রিয়াদের পরবর্তী ফ্লাইটের বিষয়ে জানানো হবে।

এদিকে জেদ্দা রুটে আগামী ২২ অক্টোবর দু&rsquo;টি এবং ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এ ছাড়া মদিনা রুটে গত ১৮ অক্টোবর থেকে বোয়িং ৭৮৭ দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে এবং এই সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।

উল্লিখিত রুটগুলোয় ফ্লাইট পরিচালনা ও সময়সূচি সংক্রান্ত পরবর্তী হালনাগাদ তথ্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে যথাসময়ে জানানো হবে। এ ক্ষেত্রে টিকিট ক্রয়, বুকিং ও ভ্রমণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিক্রয় কেন্দ্রে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 13:13:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৭ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তরা লাখ টাকা করে পাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119101" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্যান্সার ও কিডনি রোগসহ সাতটি জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এককালীন এক লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৬৫ হাজার রোগীকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো অসচ্ছল ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো এবং তাদের পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ কমানো। এ বছর কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা।

সরকারের এই আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত সাতটি জটিল রোগ হলো: ১. ক্যান্সার ২. কিডনি রোগ ৩. লিভার সিরোসিস ৪. প্যারালাইসিস ৫. হৃদরোগ ৬. লিউকেমিয়া ৭. থ্যালাসেমিয়া।

চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রতিটি রোগী চিকিৎসার জন্য এককালীন ১ লাখ টাকা করে পাবেন। নিয়ম অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই অর্থবছরে একবার এবং পুরো জীবনে সর্বোচ্চ তিনবার এই অনুদান নিতে পারবেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ২ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যার আওতায় সহায় পেয়েছিলেন ৫৬১ জন রোগী। পর্যায়ক্রমে এর পরিধি বৃদ্ধি পায়। বিগত ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩০০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা একলাফে বাড়িয়ে ৬৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। রোগী নির্বাচনে দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, জীবন সংকটাপন্ন এবং যারা প্রতিবন্ধী, শিশু, নারী বা বয়স্ক&mdash;তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

তবে কোনো আবেদনকারী অসত্য তথ্য বা ভুয়া সনদপত্র জমা দিলে কিংবা ইতিপূর্বে এ বিষয়ে অন্য কোনো সরকারি অর্থ পেয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁর আবেদন বাতিল করতে পারবে।

অনলাইনে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র


	রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা শিশুর জন্মসনদ
	আবেদনকারী, অভিভাবক বা প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
	মনোনীত নমিনির তথ্য এবং রোগী বা অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য (চেকবইয়ের কভার পাতার ফটোকপি)
	চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্র ও রোগ শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট (ক্যান্সার রোগীদের ক্ষেত্রে টিস্যু ডায়াগনস্টিক, বায়োপসি বা বোন ম্যারো রিপোর্ট)


যেভাবে আবেদন করবেন

রোগী নিজে অথবা তার পরিবারের কোনো সদস্য, অভিভাবক বা আইনগত প্রতিনিধি সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 13:12:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুটপাতের দোকানেরও করতে হবে নিবন্ধন, আবেদনের তারিখ ঘোষণা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119100" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পেঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। বিধান অনুযায়ী, যেসব ব্যবসার নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক, সেগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত &lsquo;নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬&rsquo;-এ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের বিষয়ে এসব বিধান রাখা হয়েছে। নতুন প্রবিধানমালার আওতায় খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, স্থাপনার লাইসেন্স, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানির লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত খাদ্যপণ্যের নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রবিধানমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনাকে নিবন্ধন নিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক। পাশাপাশি পাইকারি মুদি ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসাও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজু বিক্রির দোকানও এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবে না।

শুধু সাধারণ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধনই নয়, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে। স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিশুদের ফর্মুলা দুধের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান প্রযোজ্য হবে।

এ ছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং অভিনব খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসারে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে হবে। কোনো খাদ্যপণ্য বাজারজাত করার সময় স্বাস্থ্যগত উপকার বা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা হলে সে ক্ষেত্রে &lsquo;নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫&rsquo; অনুসরণ করতে হবে।

নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে। তবে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে।

অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হবে ৬০ হাজার টাকা।

নতুন ব্যবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করার বিধানও রাখা হয়েছে। এর ফলে প্যাকেটে থাকা নম্বরের মাধ্যমে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে কোনো খাদ্যপণ্য বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করেও তা জানানো যাবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন জমা দেয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিএফএসএ বলছে, নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক হলেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 13:12:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীর সড়কে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, ছাত্রলীগ নেতা আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119099" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119099</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণের অভিযোগে তানভীর জোমাদ্দার নামে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ওই ছাত্রলীগ নেতাও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে তার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ঘটনার ৩৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই ছাত্রলীগ নেতাকে খুঁজতে থাকেন। পরে মিরপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় ওই ছাত্রলীগ নেতা পুলিশ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ডিঙিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে অন্যদের পেছনে ফেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি পৌঁছে যান তানভীর।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত শনিবার মিরপুরে ফুটপাত পরিদর্শনে আসেন। এ সময় এক ছাত্রলীগ নেতা তাকে অনুসরণ করেন। ঘটনার ভিডিও যাচাই-বাছাই করে তানভীরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 13:12:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ছয় বছরে সড়কে প্রাণ হারিয়েছে ৭৯৬৩ শিশু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119098" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119098</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে সাত হাজার ৯৬৩ শিশু। বুধবার (২১ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, দেশের ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজপোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, সবচেয়ে বেশি শিশুর প্রাণ ঝরেছে গ্রামীণ সড়কে। শহরে যেখানে প্রাণহানি শতকরা ১৫ শতাংশ, সেখানে গ্রামীণ সড়কে তা দ্বিগুণেরও বেশি।

এ সময়ে আঞ্চলিক সড়কে দুই হাজার ৮২ শিশু প্রাণ হারিয়েছে, অর্থাৎ ২৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। মহাসড়কে ২৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ, অর্থাৎ এক হাজার ৯৭৪ জন।

মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে বা আরোহী হিসেবে নিহত হয়েছে দুই হাজার ৯৫৮ শিশু, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।

রাস্তা পার হতে গিয়ে ও রাস্তায় হাঁটার সময় যানবাহনের ধাক্কায় ৩৫ দশমিক ৩১ শতাংশ বা দুই হাজার ৮১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী হিসেবে নিহত হয়েছে দুই হাজার ১৯৩ শিশু, অর্থাৎ ২৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

যানবাহনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণ গেছে থ্রি-হুইলারের (সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, ভটভটি ইত্যাদি) ধাক্কায়। ছয় বছরে নিহত হয়েছে এক হাজার ২৭১ শিশু, অর্থাৎ মোট দুর্ঘটনার ৪৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ভ্যান। এসব যানবাহনে পিষ্ট/চাপা বা ধাক্কায় এক হাজার ১২৬ শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য ফোর হুইলার দুর্ঘটনায় ১১ দশমিক ২৭ শতাংশ শিশুর প্রাণ গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানায়, বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৯৮ শিশু, অর্থাৎ মোট দুর্ঘটনার ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এসব দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশই হয়েছে বিকেলে। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাঁচ বছর বয়সী এক হাজার ৫৩২ জন; ছয় থেকে ১২ বছর বয়সী দুই হাজার ৮৮৪ ও ১৩ বছর থেকে ১৭ বছর বয়সী তিন হাজার ৫৪৭ শিশু নিহত হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, দুই হাজার ৫১৩ শিশু, অর্থাৎ ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় শিশুরা প্রাণ হারিয়েছে।

এছাড়া বাড়ির আশে-পাশের সড়কে খেলার সময় নিহত হয়েছে ৯৬২ শিশু, অর্থাৎ ১২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 12:04:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাল দেশে ফিরছেন মিয়ানমার থেকে পালানো ৩ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119094" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119094</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেয়া তিন বাংলাদেশি আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দেশে ফিরছেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের BS-218 ফ্লাইটে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশে ফিরতে যাওয়া তিন বাংলাদেশি হলেন- মো. সাইদুর রহমান, রবিউল ও মো. সোহেল রানা। তারা মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন। এ লক্ষ্যে গত ২৪ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়ে আবেদন করে সংগঠনটি।

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বাংলাদেশ দূতাবাস, ব্যাংককের প্রথম সচিব (শ্রম)-এর কাছে পাঠানো হয়। চিঠিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

চিঠিতে থাইল্যান্ডের মায়ে সট ইমিগ্রেশনের রেফারেল মেকানিজমের আওতাধীন সেফ হোমে অবস্থানরত আট বাংলাদেশিকে মুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। ওই আটজনের মধ্যে তিনজন আগামীকাল দেশে ফিরছেন।

অন্যদিকে, সেফ হোমে অবস্থানরত বাকি বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 11:42:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিমা বিসর্জন হবে রাজধানীর ৩৩ পয়েন্টে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119091" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119091</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে ঢাকা মহানগরীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) মো. শহীদুল্লাহ। বিসর্জন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এবার ঢাকা মহানগরীর ৩৩টি পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিসর্জন হবে ওয়াইজঘাট এলাকায়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি নিয়ে পলাশী মোড়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের প্রায় ১৬ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। মহানগরীর ৩৩টি পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এসব স্থানের মধ্যে ওয়াইজঘাট এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিমা বিসর্জন হবে।

মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ওয়াইজঘাটে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ইতোমধ্যে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়ার জন্য প্রতিমাগুলো নির্ধারিত স্থানে রাখা হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শোভাযাত্রা শুরু হবে।

বিসর্জন ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), এসআরইউ, সোয়াট ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং এসআরবির সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা মহানগরীতে এবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাকি সময়েও নেতিবাচক কোনো ঘটনা ঘটবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তা মোকাবিলায় পুলিশের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় ঢাকা মহানগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মো. শহীদুল্লাহ বলেন, সবাই যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ করার পুরো প্রক্রিয়ায় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 11:02:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রানা-বারী প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119080" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119080</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনে (২০২৬) রানা-বারী পরিষদের প্যানেল পরিচিতি, ইশতেহার ঘোষণা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় আব্দূস সালাম হলে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি প্রার্থী জহিরুল হক রানা। ইশতেহার পাঠ করেন সম্পাদক প্রার্থী জামালউদ্দিন বারী। বক্তব্য রাখেন সাবেক সহ-সভাপতি তারিফ রহমান, শাহীন চৌধুরী, শাহাদত হোসেন খান, ফারুক আহমেদ,আবুল হোসেন খান মোহন, বেলায়েত হোসেন, মিসেস আলী মামুদ প্রমুখ।

রানা-বারী পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন; সহ-সভাপতি- আব্দুস সেলিম, যুগ্ম সম্পাদক- মো: মোস্তফা কামাল, কোষাধ্যক্ষ- এস.এম. জাহাঙ্গীর, আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক- মো: আলী হোসেন, সদস্য- হাসনাত করিম পিন্টু, মাহমুদুল হক জাহাঙ্গীর, মুহ: আরিফ-উদ -দৌলা, গোলাম শাহনী, এমরান হোসেন ও লিপিকা সরকার।

অপর প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন; সভাপতি- সদরুল হাসান, সম্পাদক- শহীদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি- মোরশেদুল আলম ভুঁইয়া, যুগ্ম-সম্পাদক- মো: অব্দুল বাসেদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ- মুহাম্মদ নুরুল হুদা, আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক- ইদ্রিস মাদ্রাজী, সদস্য- আবুল কালাম আজাদ, এস.এম. জিয়াউর রহমান মধু, কাজী তাজিম উদ্দিন, নুরুন নবী রবি, মো: মাসুম বিল্লাহ ও মো: সোহরাব আসাদ।

এছাড়া, প্যানেলের বাইরেও প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন সভাপতি প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।

আগামী ২৪ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 09:26:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, দূষণে শীর্ষে লাহোর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119070" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119070</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) স্কোর পাওয়া গেছে ১৬৭। এই স্কোর অনুযায়ী, রাজধানীর বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

আইকিউ এয়ারের তালিকায় ২৬৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতের দিল্লির স্কোর ২৫৭। এ ছাড়া ১৮২ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। ভারতের মুম্বাই ১৮১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ১৭৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

আইকিউ এয়ারের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। বায়ুমান সূচকের স্কোরের ভিত্তিতে বাতাসের গুণগত মান এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান মাঝারি বা সহনীয় হিসেবে গণ্য করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে বাতাস অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি স্কোরকে দুর্যোগপূর্ণ বায়ুমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সেই হিসাবে ঢাকার বর্তমান ১৬৭ স্কোর রাজধানীর বাসিন্দাদের জন্য উদ্বেগজনক। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভোগা মানুষের বায়ুদূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:22:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119072" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119072</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিনি বলেন, দেশকে হৃদয়ে ধারণ করে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থ রক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি। বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ, এখানে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু বলে আলাদা কোনো পরিচয় নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। বিএনপির আদর্শও হলো সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন এবং সরকার তাদের পাশে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের তিন বিভাগের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে এবারও গুরুত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গত বছরের তুলনায় বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে।

রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণের দ্বারা দেশ থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। তবে সবাই সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না। দেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মাদক নির্মূলের বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলকে মাদকমুক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই জেলা থেকেই মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করে সারা দেশে মাদক নির্মূলের প্রচেষ্টা চালাতে চান তারা। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি নিজ দলের কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে দলের নেতারাও সোচ্চার রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভা শেষে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালীবাড়ি, বড় কালীবাড়িসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পূজার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:22:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল মিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119074" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119074</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের একটি অংশ একত্র হয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo;&mdash;এই স্লোগান ও আদর্শে যারা বিশ্বাস করে না, তারাই এখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের কয়েকটি স্থানে কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের বাইরে থেকে একটি রাজনৈতিক দলকে অর্থায়ন করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। তার অভিযোগ, একটি পক্ষ জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, অন্য পক্ষও নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে যুক্ত হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনই সবাইকে সচেতন হতে হবে, যাতে কেউ আর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বন্ধ কলকারখানা চালু ও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ

বেকারত্ব কমাতে বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর রাজশাহী জেলার বন্ধ কারখানার মালিক, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কারখানাগুলো চালুর জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। গত সাত মাসে ছয়টি কলকারখানা চালু করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধ কারখানা চালুর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। আগামী জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে সারা দেশে আরও প্রায় ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

উপজেলা হাসপাতালে বাড়বে শয্যাসংখ্যা

স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করার সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোতে শিশু ও নারীদের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিস সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে গ্রামীণ এলাকার মানুষকে সাধারণ রোগের চিকিৎসার জন্যও শহরমুখী হতে হবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আখচাষিদের জন্য ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা

জনসভার শুরুতে রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। কম্পিউটারে বোতাম চেপে চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। এ সময় ১৫ জন আখচাষির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ রাজশাহী জেলার সংসদ সদস্যরা।

সমাবেশে জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে উপস্থিত ছিলেন।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:21:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এবার পূজায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ-সর্বোচ্চ ছুটি বাস্তবায়ন করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119077" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119077</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকার গঠনের মাত্র আট মাসের মধ্যেই এবারের দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ও সর্বোচ্চ ছুটি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের রহমতগঞ্জে জেএম সেন হল পূজামণ্ডপে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হলে তাঁরা নিয়মিত আসেন। তবে অতীতেও অনেকে এখানে এসে আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁরা বলেছিলেন, প্রতিবেশী একটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষমতায় থাকার বিষয়ে সমর্থন পেয়েছেন। কিন্তু তাঁরা এ ধরনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাঁরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। স্বাধীনতার শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারাও এমন একটি দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকবে এবং সব মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে।

তিনি আরও বলেন, &lsquo;সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি&rsquo; শব্দটি তিনি সচেতনভাবেই এড়িয়ে চলেন। কারণ, আইনগতভাবে কোথাও সম্প্রদায়কে আলাদা পরিচয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি তাঁরা সমর্থন করেন না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস রয়েছে এবং কোথাও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীও থাকে। তবে কাউকে সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না তাঁরা।

সবার সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 06:21:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিজয়া দশমী আজ, প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119065" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119065</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘটছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চলছে শেষ দিনের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা।

সকালে বিভিন্ন মণ্ডপে বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা দেবীর চরণে শেষ অঞ্জলি নিবেদন করে বিদায় জানাচ্ছেন। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে পূজামণ্ডপগুলো। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি ভক্তদের মনে বিরাজ করছে বিদায়ের বিষাদ।

দশমীর আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে সিঁদুর খেলা ও অন্যান্য ধর্মীয় রীতি পালনের পর দুপুর থেকে শুরু হবে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন। প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে ভক্তরা যাবেন নির্ধারিত বিসর্জন ঘাটে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়েই শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

দশমীর সব আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ বছরের শারদীয় উৎসব।

প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গা নৌকায় চড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন। দেবীর বিদায়ের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও ভক্তদের মনে থেকে যাবে আগামী বছরের দুর্গোৎসবের অপেক্ষা।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 03:10:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর স‌ঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119064" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119064</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সিফি ঘরিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। এ সময় প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং আলজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, সার, শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে জ্বালানি খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে এ খাতের প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জ্ঞান বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনে আলজেরিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতে সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ সমঝোতার ফলে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশে এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কয়লা ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে উন্নত ও কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

অন্যদিকে, আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সিফি ঘরিব বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান। তিনি বলেন, দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 03:06:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিজয়া দশমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে বিষাদের সুর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119063" />
            <id>https://archive.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119063</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী আজ (২১ অক্টোবর)। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিদায়ের সুর, ঢাকের বাদ্য আর ভক্তদের আবেগঘন পরিবেশে মণ্ডপে মণ্ডপে বিরাজ করছে বিষাদের আবহ।

ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। পরে স্থানীয় আয়োজন ও সুবিধাজনক সময়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোকের পূজার পর্ব শেষ করে দেবী দুর্গা কৈলাসে ফিরে যাবেন বলে বিশ্বাস করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

দেবীর বিদায়কে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে যেমন আনন্দময় উৎসবের স্মৃতি, তেমনি রয়েছে বিচ্ছেদের বেদনা। ঢাকের বাদ্য ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রিয় দেবীকে বিদায় জানাবেন তারা। অনেক ভক্তের চোখে থাকবে অশ্রু, আর মনে থাকবে আগামী বছরের শারদীয় উৎসবের অপেক্ষা।

বিজয়া দশমীর তাৎপর্য শুধু দেবীকে বিদায় জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের অসুরিক প্রবৃত্তি&mdash;কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসা বিসর্জন দেওয়ার মধ্যেই এ দিনের প্রকৃত শিক্ষা নিহিত। পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে দিনটি উদ্&zwnj;যাপন করেন তারা।

এদিকে, বিজয়া দশমী উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে আয়োজন করা হবে সিঁদুর খেলার। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বিবাহিত নারীরা দেবী দুর্গার সিঁথিতে সিঁদুর অর্পণের পর একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করবেন। পান ও মিষ্টি নিবেদনের মধ্য দিয়ে দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষবারের মতো প্রার্থনায় অংশ নেবেন তারা। সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি ফুটে উঠবে বিদায়ের আবেগও।

ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন হয়েছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন করবেন নৌকায়। দেবীর আগমন ও গমনকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে রয়েছে নানা ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও বিশ্বাস।

বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটলেও ভক্তদের মনে রয়ে যাবে দেবী দুর্গার আগমনের স্মৃতি, সম্প্রীতির বার্তা এবং আগামী বছরের পূজার প্রতীক্ষা।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 03:02:37 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
