ফাইল ছবি
শিক্ষা

নারীশিক্ষা বাড়লে কমবে জন্মহার

সান নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষিত নারীরা বিয়ে করতে ও বেশি সংখ্যক সন্তানধারণে অনিচ্ছুক। তাই কমে যাচ্ছে দেশের জনসংখ্যা। পাশাপাশি, উচ্চশিক্ষায় নারীর সংখ্যা বেড়ে গেলে বৈষম্যের শিকার হবেন পুরুষরা। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের অর্থনীতি।

আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম বাড়ছে ৮০ শতাংশ

সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করল হাঙ্গেরি প্রশাসন। শনিবার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি ও আনন্দবাজার।

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সম্প্রতি শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থা নিয়ে সমীক্ষা চালায় একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে। তবে এত দিন গোপনেই ছিল সেই রিপোর্ট। বৃহস্পতিবার হাঙ্গেরির নেপজাভা সংবাদপত্রে ফাঁস হয়ে যায় সেটি।

বলা হয়েছে, দেশের উচ্চ শিক্ষায় ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে নারীদের সংখ্যা। শিক্ষাব্যবস্থায় নারীর সংখ্যাবৃদ্ধিকে কটাক্ষ করা হয়েছে ‘গোলাপি শিক্ষাব্যবস্থা’ বলেও। বিতর্কিত ওই রিপোর্টে এ কথাও বলা হয়েছে, নারী শিক্ষায়নের ফলে ‘মেয়েলি’ ভাবনাচিন্তার প্রভাব বেড়ে যেতে পারে সমাজে।

সমীক্ষা অনুসারে, উচ্চ শিক্ষিত মহিলারা তাদের জীবনসঙ্গীর শিক্ষাগত অবস্থা সম্পর্কে পুরুষদের তুলনায় বেশি পছন্দ করেন।

আরও পড়ুন: ধর্মশিক্ষা বাদ দেওয়ার তথ্য গুজব

গবেষকরা লিখেছেন, যেখানে বিবাহিত দম্পতির শিক্ষাগত অর্জনে পার্থক্য রয়েছে, সেখানে কনে সাধারণত বরের চেয়ে বেশি শিক্ষিত হয়। যদি এই প্রবণতা চলতে থাকে, তাহলে উচ্চশিক্ষায় বৈষম্যের কারণে নারীদের বিয়ে করা এবং সন্তান ধারণের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার কারণে জন্মের হার কমে যেতে পারে। অনেক ইউরোপীয় দেশের মতো, হাঙ্গেরিও কম জন্মহারে ভুগছে, যা দেশের ভবিষ্যত হুমকিস্বরূপ।

যদিও রিপোর্টে দেখা গেছে যে ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কম। পড়াশোনার বিপরীতে তারা অনান্য ক্রিয়াকলাপে নিজেদের ফোকাস করে।

বুদাপেস্ট ইউনিভার্সিটি অফ ইকোনমিক্সের বিট্রিক্স ফুজির নেতৃত্বে গবেষকদের মতে, পুরুষের বৈশিষ্ট্য এবং দক্ষতার অপর্যাপ্ত বিকাশের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় এবং তা দেশের প্রতিযোগিতার জন্য ক্ষতিকর। তারা সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা মনোভাবকে ‘পুরুষ বৈশিষ্ট্য’ হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। গবেষণায় অন্য কোথাও লিঙ্গ বৈষম্যের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ধর্মশিক্ষা বাদ দেওয়ার তথ্য গুজব

রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এর আগেও ইউরোপের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তোপের মুখে পড়েছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। সমালোচনার মুখেও অবশ্য নিজের অবস্থানে অনড় এই নেতা। উল্টে ঘোষণা করেন, হাঙ্গেরিকে ‘অনুদার গণতন্ত্র’ হিসাবে গড়ে তুলতে চান তিনি। ২০১০ সালে ক্ষমতায় আসার পরই দেশের সংবিধানে একাধিক পরিবর্তন এনেছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, ধর্মের নামে হরেক রকমের নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিচ্ছেন অরবান। পুরুষতান্ত্রিকতার কট্টর সমর্থক বলেও সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে।

পরিসংখ্যান বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নারী রাজনীতিবিদের সংখ্যার নিরিখে হাঙ্গেরি নীচের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। অরবানের ১৫-সদস্যের মন্ত্রিসভায় মাত্র একজন নারী রয়েছেন এবং হাঙ্গেরির আইন প্রণেতাদের প্রায় ১৩ শতাংশ নারী রয়েছে।

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মুন্সীগঞ্জে সাবেক যুবলীগ নেতা খাইরুদ্দিন গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি সাবেক যুবলীগ...

মুন্সীগঞ্জে বন্দুক, গুলি, ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার খাসকান্দি এলাকায় অভিযান চাল...

৮ শতাধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিলো সেনাজোন 

পাহাড়ে নিম্ম আয়ের ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্...

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে বিসিবি একাদশ

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির (এবিজি স্পোর্টস সিটি) আধুনিক আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম...

নুসরাত ফারিয়ার ‘লাপাত্তা’ ও ‘লজ্জা’ আসছে

চলতি বছর ‘লোকে বলে’ গান দিয়ে সংগীতাঙ্গনে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছি...

ইনানীর ট্র্যাজেডির ছয় দিন পর ফের আতঙ্ক

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা...

গিটারের সুর থামিয়ে না ফেরার দেশে রাসেল খান

বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের পরিচিত গিটারবাদক রাসেল খান আর নেই। দীর্ঘ তিন দশকেরও...

জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজায় প্রশংসা, সামনে নতুন পরীক্ষার মুখে সরকার

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সরকারি সহযোগিতার মধ্য দি...

এএফসির সমর্থনে শক্ত অবস্থানে ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতির আসনে আরও এক মেয়াদ থাকার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেলেন জিয়ান্ন...

পদোন্নতি পেলেন হাসনাত-সারজিস-আসিফ-নাসীরুদ্দীন

সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে জাতীয় ন...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা