আন্তর্জাতিক

সংক্রমণ বাড়ায় লকডাউন থাকবে জার্মানি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার ঠেকাতে জার্মানিতে আগামী বসন্ত পর্যন্ত আংশিক লকডাউন চালিয়ে যেতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী পিটার অল্টমেয়ার।

জার্মানির একটি সংবাদপত্রে দেয়া সাক্ষাতকারে শনিবার(২৮নভেম্বর) তিনি বলেন, ‘এখনই স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা সম্ভব না। বড় বড় অঞ্চলগুলোতে এখনও প্রতি লাখে কোভিড-১৯ রোগে সংক্রমিত হচ্ছেন ৫০ জনেরও বেশি মানুষ।’

জার্মানির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ রবার্ট কচ ইনস্টিটিউটের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত জার্মানিতে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৯ জন।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) করোনায় রেকর্ড সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিনে জার্মানিতে মহামারি কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত মানুষের সংখ্যা দশ লাখ ছাড়ায়। শনিবারই আরও ২১ হাজার ৬৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া শুক্রবার নতুন করে আরও ৪২৬ জন কোভিড-১৯ রোগী মারা গেছেন জানিয়ে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আরকেআই বলছে, প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এর আগে করোনায় একদিনে এত মৃত্যু দেখেনি জার্মানি।

শীতে সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে বহু দিন থেকে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে শীতপ্রধান জার্মানিতে এখনই আংশিক লকডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সঠিক হবে না বলে মত অর্থমন্ত্রী পিটার অল্টমেয়ারের।

তার মতে, ‘সামনে এখন ৩/৪ মাসের টানা শীতকাল। তাই আগামী বছরের প্রথম কয়েকটা মাস করোনাবিধির কড়াকড়ি থাকবে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, আংশিক লকডাউনের নিয়মকানুন শিথিল হলেই বিপদ বাড়বে।’

কড়াকড়ি অন্তত ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকুক; এমনটাই চাইছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও। বুধবার তার সঙ্গে বৈঠকে ১৬ প্রদেশের প্রধানদের বেশিরভাগ কড়াকড়ি বাড়ানোর পক্ষে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, চলতি নভেম্বরেই লকডাউন কিছুটা শিথিল করে জার্মানি তার নাম দিয়েছে ‘লকডাউন লাইট’। যাতে রেস্তোরাঁ ও বার বন্ধ রাখতে বলা হলেও স্কুল, কলেজ ও দোকানগুলো খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

সান নিউজ/পিডিকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই

মুখস্থনির্ভর পড়াশোনা থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভি...

চারতলা ভবন থেকে নিচে পড়ে নারীর মৃত্যু

মৌলভীবাজার শহরে অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আসবাবপত্রসহ...

গর্ভবতী নারীকে অবহেলা স্বজনদের, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত সন্তান প্রসব

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চ...

রাজধানীর বাজারে ছুটির আমেজ, মুরগির দামে ঝাঁজ, ডিমে মিলছে স্বস্তি

পূজার ছুটির আবহ এখনো কাটেনি রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। অনেক স্থানে ক্রেতার উপস্...

লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের ফ্ল্যাট জব্দ

লন্ডনে দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাট বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন যুক্ত...

ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতির নির্বাচনে রানা-বারী পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়ী

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জা...

রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকা চায় বাংলাদেশ

মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজস্ব মাতৃভূমিতে...

জাপানি বিদ্রোহী ঔপন্যাসিক রিউ মুরাকামি আর নেই

এক নজরে রিউ মুরাকামি ও তার সাহিত্যিক অবদান

সরকারের ভুলে নীরব থাকবে না বিরোধী দল : ডা. শফিকুর রহমান

বর্তমান সরকারের একের পর এক অনিয়ম, ভুল পদক্ষেপ ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে...

কলা কি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে!

এক নজরে কলা চাষের বর্তমান সংকট ও নতুন সম্ভাবনা

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা