সারাদেশ

কসবায় নির্মিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ প্রকল্প 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে গৃহহীনদের জন্য নির্মিত হচ্ছে আরও ১ হাজার ৮৬৭টি পাকা ঘর। এর মধ্যে একসঙ্গে এক জায়গাতেই ৫০০ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে কসবা উপজেলা প্রশাসন।

ইতোমধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। মাটির কম্প্যাকশান শেষ হলেই শুরু হবে একসঙ্গে ৫০০ ঘর তৈরির মহাযজ্ঞ। আর এ নির্মাণযজ্ঞ শেষ হলে এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে কসবা উপজেলার ১০৪ গৃহহীন পরিবারের মাঝে পাকা ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘর নির্মাণ কাজ। এর মধ্যে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের মাদলা মৌজায় ১২০টি ঘরের নির্মাণ কাজ ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ ঈদুল আজহার পর পই শেষ হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দৃষ্টিনন্দন ছোট ছোট টিলার পাদদেশে ঘরগুলো করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা নির্মাণ কাজের তদারকি করছেন। আর প্রকল্পের সার্বিক দিক তদারকি করছেন কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম। আসন্ন ঈদুল আজহার পর পরই ঘরগুলো হস্তান্তর করা যাবে বলে আশা করছে উপজেলা প্রশাসন।

এ ছাড়া কসবা উপজেলার খাড়েড়া ইউনিয়নের মনকশাইর মৌজায় প্রায় সাড়ে ১২ একর জায়গাজুড়ে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প। একসঙ্গে ৫০০ গৃহহীন পরিবারের ঠিকানা হবে জায়গাটিতে। ইতোমধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। মাটির কম্প্যাকশান সম্পন্ন হলে চলতি বর্ষা মৌসুমের পর পরই শুরু হবে ঘরের নির্মাণ কাজ।

প্রতিটি ঘরেই দুইটি করে শয়ন কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট ও বারান্দা থাকবে। এ ছাড়া ঘরের সামনে সবজি অথবা ফুল বাগান করার জন্য ফাঁকা জায়গাও রাখা হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য সুপেয় পানি এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থাও থাকবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণাধীন ঘরগুলোর মধ্যে ১২০টি ঘরের নির্মাণ কাজ ঈদুল আজহার পর পরই সম্পন্ন হবে। এরপরই ঘরগুলো গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

এ ছাড়াও মনকশাইর মৌজায় ৫০০ ঘর নির্মাণের জন্য মাটি ভরাট কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাটির কম্প্যাকশান শেষ হলেই গুণগত মান বজায় রেখে ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। দেশের অন্য কোথাও আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় একসঙ্গে এতগুলো ঘর নির্মাণ হয়নি। এর ফলে এটি হবে দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প’।

সাননিউজ/ জেআই

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

৩ নভেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে রংপুরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রস্তুতি সভা

সারাদেশের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে আগামী ৩ নভেম্বর ঢাক...

স্কুলের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই স্কুলের ৪টি গাছ কেটে ফেলা...

অটিজম-ডাউন সিনড্রোম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন ডা. মুছা

একটি শিশু যখন কথা বলতে পারে না, নিজের পায়ে হাঁটতে...

মুন্সীগঞ্জে ৩ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জের পদ্মা সেতু উত্তর থানার খানবাড়ি বাসস্ট...

সেনা মোতায়েন করে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ রাখতে সফল ইতালি

ইতালির মিলান, রোম ও তুরিনসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে শনিবার হাজার হাজার তরুণ-তরুণী...

দানা বাঁধছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ইতোমধ্...

ফিটনেসবিহীন বাস বন্ধ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন...

সবজি আনতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু, মেয়ে আহত

নোয়াখালীর সেনবাগে বাড়ির পাশের খেত থেকে সবজি আনতে গ...

রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার না হলে নতুন শাসকও শেখ হাসিনা হয়ে উঠবেন: নাহিদ

রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক সংস্কার না হলে ক্ষমতায় যিনিই...

চাইলেই রাখতে পারতেন টাকা, সততার পথ বেছে নিলেন অটোচালক

অটোরিকশায় যাত্রীর ফেলে যাওয়া টাকাসহ ব্যাগ পেয়ে তা...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা