মুন্সীগঞ্জে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। শতভাগ অকৃতকার্যের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে জেলার সিরাজদীখান উপজেলার রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লৌহজং উপজেলার মেদিনীপুর মন্ডল গার্লস কলেজ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেননি। হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র পরীক্ষার্থীও অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। অন্যদিকে, মেদিনীপুর মন্ডল গার্লস কলেজ থেকে দুইজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
এদিকে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় সামগ্রিক পাসের হার ৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ। জেলায় মোট ৮ হাজার ৬১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ৩৬১ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ২৫৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৫ জন শিক্ষার্থী।
জেলার ছয়টি উপজেলার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে লৌহজং উপজেলা। এ উপজেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। বিপরীতে সবচেয়ে কম পাসের হার গজারিয়া উপজেলায়, ৩২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
জেলায় সামগ্রিক পাসের হার ৫০ শতাংশের বেশি হলেও তিনটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীর অনুত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনা উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ জন এবং অন্য দুটি প্রতিষ্ঠানে তিনজন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমের মান নিয়ে মূল্যায়নের দাবি উঠেছে।
সাননিউজ/বান্না