জাতীয়

ভোর ছটার আগেই আসতে হবে ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেক: সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া লডাউন আগের যেকোন সময়ের চেয়ে কঠোর হবে। তাই ঈদে গ্রামে যাওয়া কর্মজীবী বা ঢাকায় ফেরার তাড়া থাকা মানুষরা যে করেই হোক শুক্রবার ভোর ৬টার আগেই ফিরতে চান। এ সময়ের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে না পারলে ফেঁসে যেতে হবে লকডাউনে।

ঈদের আগে সর্বশেষ কঠোর লকডাউনে দেখা গেছে, রাজধানীসহ সারাদেশে মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত কঠোর ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বাইরে বের হওয়া প্রায় সব যানবাহন ও মানুষ রাজধানীসহ সারাদেশের চেকপোস্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর সদস্যদের মুখোমুখি হয়েছে। এসময় বাইরে বের হওয়ার জরুরি কারণ দেখাতে হয়েছে। যারা জরুরি কারণ দেখাতে পারেননি তাদের জরিমানা, মামলা, আটক এবং তাৎক্ষণিক শান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এবারের লকডাউন এর চেয়েও কঠোর হবে বলে জানিয়েছে সরকার পক্ষ। তাই কর্মস্থলে বা অন্য কোন কারণে ঢাকায় আসতে চাইলে ভোর ৬টার মধ্যেই আসবে হবে।

ঈদের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকাল থেকেই সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকাগামী যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তুলনামূলকভাবে রাতেও যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে। ফেরি ঘাটগুলো ছিল খুবই ব্যস্ত; গাড়ির লাইন ছিল কয়েক কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এবারের কঠোর লকডাউন পূর্বের লকডাউনগুলোর চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, অফিস-আদালত, গার্মেন্টস-কলকারখানা ও রফতানিমুখী সব কিছুই বন্ধ থাকবে। এটা এ যাবতকালের সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ হতে যাচ্ছে। এ সময়ে মানুষের বাইরে আসার প্রয়োজনই হবে না। কারণ অফিসে যাওয়ার বিষয় নেই। যারা গ্রামে গেছেন, তারা জানেন যে অফিস বন্ধ। তাদের ৫ তারিখের পরে আসতে হবে।

সংক্রমণ কমাতে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে আসা যাবে না। বাইরে আসলে ডাবল মাস্ক পরতে হবে। আমরা যদি এই ১৪ দিন সফল করতে পারি তাহলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারবো। না হলে এটা (করোনা সংক্রমণ) বাড়তে থাকবে। হাসপাতালে যে চাপ তা ম্যানেজ করতে অসুবিধা হবে। তাই সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। এই ১৪ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সবকিছু বন্ধ থাকলেও খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত মিল-কারখানা এবং কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন ও সংক্রমণ এবং ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম কঠোর বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে।

সান নিউজ/ এমএইচআর/এমআর

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

গর্ভবতী নারীকে অবহেলা স্বজনদের, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত সন্তান প্রসব

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চ...

চারতলা ভবন থেকে নিচে পড়ে নারীর মৃত্যু

মৌলভীবাজার শহরে অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আসবাবপত্রসহ...

রাজধানীর বাজারে ছুটির আমেজ, মুরগির দামে ঝাঁজ, ডিমে মিলছে স্বস্তি

পূজার ছুটির আবহ এখনো কাটেনি রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। অনেক স্থানে ক্রেতার উপস্...

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই

মুখস্থনির্ভর পড়াশোনা থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভি...

১৫ নভেম্বর ‘অভিষেক’ ম্যাচে নামছেন ৪৬ বছরের রোনালদিনহো

অবসরের প্রায় এক যুগ পর আবারও পেশাদার ফুটবলের মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্ত...

রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকা চায় বাংলাদেশ

মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজস্ব মাতৃভূমিতে...

জাপানি বিদ্রোহী ঔপন্যাসিক রিউ মুরাকামি আর নেই

এক নজরে রিউ মুরাকামি ও তার সাহিত্যিক অবদান

সরকারের ভুলে নীরব থাকবে না বিরোধী দল : ডা. শফিকুর রহমান

বর্তমান সরকারের একের পর এক অনিয়ম, ভুল পদক্ষেপ ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে...

কলা কি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে!

এক নজরে কলা চাষের বর্তমান সংকট ও নতুন সম্ভাবনা

ক্যানসারের কাছে হেরে গেলেন তরুণ পেসার মেহেদী হাসান হৃদয়

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা