সারাদেশ

এশিয়ার প্রথম পানি জাদুঘর, অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যের অনন্য উদ্যোগ

আবিদ হাসান সাইমুম, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী, পানি ও পরিবেশের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পানিসম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গড়ে তোলা হয়েছিল পানি জাদুঘর। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের অষ্টম পানি জাদুঘর হিসেবে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটি একসময় দেশি-বিদেশি পর্যটক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার এক দশক পেরিয়ে গেলেও প্রত্যাশিত প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা, সরকারি সহায়তা ও প্রচারণার অভাবে এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ। দর্শনার্থীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক মাত্র ৩ থেকে ৫ জনে। আয় দিয়ে ব্যয় মেটানো তো দূরের কথা, বছরের পর বছর লোকসান গুনে প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে হচ্ছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের অর্থায়নে ‘আভাস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১৫ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় পানি জাদুঘরটি। স্থানীয় পাঁচ গ্রামের ৪৮৫ জন নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত আত্মনির্ভরশীল সমাজসেবা সংগঠন ‘উপকূলীয় জনকল্যাণ সংঘ’-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে এটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদের সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহায়তায় জাদুঘরটির নকশাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল নদী ও পানির ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নদীকেন্দ্রিক গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি এবং নতুন প্রজন্মকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করা। বর্তমানে জাদুঘরটিতে দেশ-বিদেশের ৮৭টি নদীর পানির নমুনা সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের পাঁচটি, বিদেশের ১২টি এবং নেপাল, ভারত, ভুটান ও মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা আন্তঃসীমান্ত প্রায় ৭০টি নদীর পানির নমুনা রয়েছে। এত সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকা সত্ত্বেও যথাযথ প্রচার, গবেষণা ও দর্শনার্থী ব্যবস্থাপনার অভাবে জাদুঘরটির সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

দর্শনার্থী কমেছে, থমকে যাচ্ছে কার্যক্রম

একসময় দেশি-বিদেশি পর্যটক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকত জাদুঘর প্রাঙ্গণ। বর্তমানে সেখানে দর্শনার্থীর উপস্থিতি অত্যন্ত সীমিত।

জাদুঘরের কিউরেটর ও উপকূলীয় জনকল্যাণ সংঘের ক্যাশিয়ার লিপি মিত্র জানান, আগে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক এলেও বর্তমানে গড়ে মাত্র ৩ থেকে ৫ জন দর্শনার্থী আসেন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সীমিত আয় ও পর্যাপ্ত সহযোগিতার অভাবে অবকাঠামো সংস্কার, প্রদর্শনী উপকরণ সংরক্ষণ এবং প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকারি পর্যায় থেকেও কোনো আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না।

অথচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষা সফর, নিয়মিত প্রচারণা, গবেষণা কার্যক্রম এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের মাধ্যমে জাদুঘরটিকে নতুন করে পরিচিত করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি প্রতিষ্ঠানটির দর্শনার্থী ও আয় বৃদ্ধির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আয়-ব্যয়ের হিসাবে বছরের পর বছর লোকসান

জাদুঘরের হিসাবের খাতা বিশ্লেষণে দেখা যায়, আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়মিত লোকসান গুনতে হচ্ছে। ২০২৫ সালে জাদুঘরের মোট আয় ছিল ২৬ হাজার ৩৩০ টাকা, বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৩৭ হাজার ৬২২ টাকা। অর্থাৎ ওই বছরে আয়-ব্যয়ের হিসাবে ঘাটতি ছিল ১১ হাজার ২৯২ টাকা।

একই চিত্র দেখা গেছে ২০২৬ সালেও। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আয় হয়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৪০ টাকা, বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৮৮ টাকা। এতে আয়-ব্যয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৩৪৮ টাকা।

অর্থাৎ, ২০২৫ সালের পুরো বছর এবং ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই সময়ের হিসাব মিলিয়ে মোট আয় হয়েছে ৩৯ হাজার ৩৭০ টাকা। বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৭১ হাজার ১০ টাকা। এ হিসাবে দুই সময়ের মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৬৪০ টাকা।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই ভর্তুকির ওপর নির্ভর করে চলছে জাদুঘরটি। কার্যক্রম পরিচালনায় অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এ ছাড়া ক্যাপ, টি-শার্ট ও মগ বিক্রি করে কিছু অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এসব পণ্যের দাম যথাক্রমে ১৫০, ২০০ ও ২৫০ টাকা।

তবে এত সীমিত নিজস্ব আয় দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক পরিচিতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মীদের ব্যয় নির্বাহ এবং নতুন কার্যক্রম সম্প্রসারণ সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিবছর বরাদ্দ পাওয়া সত্ত্বেও কেন প্রতিষ্ঠানটি আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনায় এগোতে পারছে না, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।

নদী রক্ষার প্রতীক, অথচ নিজের অস্তিত্বই হুমকিতে

জাদুঘরের সামনে অর্ধেক বালুর মধ্যে ডুবিয়ে রাখা হয়েছে একটি নৌকা। এটি নদী মরে যাওয়ার প্রতীক। নৌকার বুকে বিঁধে থাকা দুটি গজাল নদীমাতৃক দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার প্রতীকী বার্তা বহন করে। নদী ও পানিসম্পদ রক্ষার এমন শক্তিশালী বার্তা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরটিকেই এখন নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এখানে শুধু নদীর পানির নমুনাই নয়, নদী, পরিবেশ, মুক্তিযুদ্ধ এবং মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে পানির সম্পর্ক তুলে ধরতে রয়েছে বিভিন্ন বই ও তথ্যসমৃদ্ধ উপকরণ। অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদের ‘People of Many Rivers’ বইয়ের দাম ৭০০ টাকা এবং কায়সার আহমেদের ‘মুক্তিযুদ্ধে নদী’ বইয়ের দাম ৪০০ টাকা। এসব সংগ্রহ শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রয়োজন নিয়মিত পাঠচক্র, আলোচনা, গবেষণা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ। কিন্তু আর্থিক সংকট ও প্রচারণার ঘাটতিতে এসব সম্ভাবনাও পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

সামাজিক উদ্যোগ আছে, নেই পর্যাপ্ত সম্প্রসারণ

জাদুঘরটির কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দিক হলো স্থানীয় মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্থাপন করা পানির ট্যাংক থেকে বর্তমানে স্থানীয় ৭-৮টি পরিবারের প্রায় ৩৫-৪০ জন মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করছেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকটের মধ্যে এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

অন্যদিকে, ৪৮৫ জন নারী-পুরুষকে নিয়ে গঠিত উপকূলীয় জনকল্যাণ সংঘের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সহায়তা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।

তবে এত বড় একটি সামাজিক সংগঠন এবং ব্যতিক্রমী একটি জাদুঘরের কার্যক্রমকে দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন আরও কার্যকর পরিকল্পনা, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও টেকসই অর্থায়ন। বর্তমান সীমিত সামর্থ্যে এসব কার্যক্রম কতটা সম্প্রসারণ করা সম্ভব, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

প্রবেশমূল্য নির্ধারণ, তবুও বাড়ছে না দর্শনার্থী

জাদুঘর পরিদর্শনে স্থানীয় দর্শনার্থী ও শিক্ষার্থীদের প্রবেশমূল্য ২০ টাকা, জেলার বাইরের দর্শনার্থীদের ৫০ টাকা এবং বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণত সোমবার থেকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। শীতকালে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়।

তবে শুধু প্রবেশমূল্য ও সময়সূচি নির্ধারণ করে দর্শনার্থী বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে প্রয়োজন আধুনিক প্রদর্শনী ব্যবস্থা, তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনা, উন্নত পরিবেশ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যকর সহযোগিতা। স্থানীয় পর্যটন মানচিত্রে জাদুঘরটিকে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদেরও এখানে ভ্রমণে উৎসাহিত করা সম্ভব।

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কোথায়?

পানি জাদুঘর পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, এই জাদুঘর উপকূলীয় মানুষের আত্মত্যাগ ও ঐতিহ্যের প্রতীক। নদী ও পানিসম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করার একটি কার্যকর উদ্যোগ এটি।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর ভূমিকা কোথায়? এশিয়ার প্রথম পানি জাদুঘর হিসেবে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠান থাকার পরও কেন এর প্রচার ও প্রসারে দৃশ্যমান সরকারি উদ্যোগ নেই? পর্যটন, পরিবেশ, পানি উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রতিষ্ঠানটির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে?

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর, গবেষকদের গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং জাদুঘরের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি কোনো বিশেষ বরাদ্দ বা সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পানি জাদুঘর কেবল একটি দর্শনীয় স্থান নয়; এটি নদী, পানি, পরিবেশ এবং উপকূলীয় মানুষের জীবনসংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাই প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত অর্থায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কার্যকর প্রচারণা জরুরি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও পর্যটন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে জাদুঘরটিকে শিক্ষা ও গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব।

নদী রক্ষার বার্তা দেওয়া একটি জাদুঘরকে যদি নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই লড়াই করতে হয়, তবে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকটের চিত্র নয়; বরং নদী, পানি ও পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও দায়িত্ববোধের ঘাটতিরও প্রতিফলন। এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম পানি জাদুঘরটি একসময় হয়তো শুধু ইতিহাসের পাতায় টিকে থাকবে, হারিয়ে যাবে এর কার্যক্রম ও প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য।

ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার পরই কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে, নাকি সময় থাকতে পানি জাদুঘর রক্ষায় নেওয়া হবে কার্যকর উদ্যোগ?এ প্রশ্ন থেকেই যায়।

সাননিউজ/বান্না

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা

একসময় ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে নতুন জীবনের স্বপ্ন...

মহাকাশ থেকে কৃত্রিম আলো কিনে নেওয়ার অবিশ্বাস্য যুগ আসছে!

এক নজরে রিফ্লেক্ট অরবিটালের মহাকাশ প্রকল্প : ...

ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের প্রদর্শনী উদ্বোধন, ৬ শিক্ষার্থীর পুরস্কার লাভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক শিল্...

আগামী বছর গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার পরিকল্পন...

পদ্ম ব্যারেজ, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও ‘ওয়াই-আকৃতি’র পদ্মা সেতু নির্মাণ করবে সরকার

দেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে এক যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নিতে...

কাল মোংলা বন্দর সফরে যাবেন তারেক রহমান

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেব...

ঝালকাঠি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদের না...

পদ্মায় বাল্কহেডে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে টাকা ও মোবাইল লুট

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার হাসাইল ট্রলার ঘাটসং...

এশিয়ার প্রথম পানি জাদুঘর, অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যের অনন্য উদ্যোগ

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী, পানি ও পরিবেশের ইতিহাস সং...

কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ও অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ,  কবিরাজ আটক

ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও ভিডি...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা